বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

প্রচণ্ড ঠাণ্ডায় পেরুতে ১.৮ লাখ মেষ মারা গেছে

১৫ জানুয়ারি, আল-জাজিরা, বাঁধন : দক্ষিণ কেন্দ্রীয় পেরুর প্রত্যন্ত আয়াচুকো অঞ্চলে অতিরিক্ত কম তাপমাত্রা এবং শুষ্কতার কারণে প্রায় ১.৮ লাখ মেষ মারা গেছে। এ অঞ্চলের প্রাণীরা কষ্টসহিষ্ণু হলেও এই তীব্র ঠাণ্ডা তারা সহ্য করতে ব্যর্থ হয়। গত আগস্ট থেকেই এই অঞ্চলে খরা দেখা দিয়েছে। হ্রদগুলোতে পানি শূন্যতা তাদের প্রজননে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।বৃষ্টিপাতের অভাবে ঘাসের বৃদ্ধি কমে যাওয়ায় প্রাণীগুলো খাদ্য সংকটেও ভুগছে। এতে প্রাণীগুলো শারীরিকভাবে দুর্বল হয়ে পড়ে। এই অঞ্চলের আবহওয়ার কারণে সচরাচরই মেষসহ লামা এবং অন্যান্য প্রাণীদের মৃত্যু ঘটে। শীতকালে আন্টারটিকা থেকে ঠাণ্ডা দখিনা হাওয়া এই অঞ্চল দিয়ে বয়ে যায়। ২০০৩ সালে এই বাতাস, যা ফ্রাইজেন নামে পরিচিত, পুরো পেরু জুড়ে তাপমাত্রাকে মাইনাস ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনে। গত বছরেও পেরুতে ৫০ হাজার মেষ মারা যায়। শীতকালে প্রচণ্ড শীত থাকা সত্ত্বেও প্রাণীগুলোর গ্রীষ্মকালে মারা যাওয়া অনেকটাই রহস্যজনক করে তোলে। সাম্প্রতিককালে এ অঞ্চলে ভারী বৃষ্টিপাতের খবর পাওয়া যায়। শীতকালে এরকম বৃষ্টিপাতের কারণে তাদের লোমের উপর পানির একটি আস্তরণ পড়ে। এতে তারা আরও ঠান্ডা অনুভব করে এবং ক্রমান্বয়ে মারা যায়। উল্লেখ্য, আল্পাকা নামক এই বিশেষ মেষ শুধু পেরু অঞ্চলেই পাওয়া যায়। পেরু এই মেষের লোম একমাত্র রপ্তানিকারক। এই লোম থেকে তাদের বৎসরে প্রায় ১৫০মিলিয়ন মার্কিন ডলার আয় করে, যা তাদের আয়ের অন্যতম বড় একটি উৎস।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ