বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

এক চীন’ নীতি নিয়ে আলোচনা নয় -ট্রাম্পকে বেইজিং

১৫ জানুযারি, এনবিসি নিউজ : মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘এক চীন’ নীতি নিয়ে তিনি বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনা করতে চান। আর এমন মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে বেইজিং বলছে, ‘এক চীন’ নীতি নিয়ে আলোচনায় বসতে রাজি নন তারা।
বস্তুত তাইওয়ানকে ‘অখণ্ড’ চীনের অংশ মনে করার নীতিই ‘এক চীন’ নীতি। ১৯৭২ সালে চীনের চেয়ারম্যান মাও সে-তুঙ এবং মার্কিন প্রেসিডেন্ট রিচার্ড নিক্সনের মধ্যে ‘এক চীন’ নীতির প্রতি মার্কিন সমর্থনের ব্যাপারে ঐকমত্য হয়। ১৯৭৯ সাল থেকে তাইওয়ানের সঙ্গে কোনও কূটনৈতিক সম্পর্ক নেই যুক্তরাষ্ট্রের। এরপর থেকে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট আনুষ্ঠানিকভাবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে কথা বলেননি। এতো বছর ধরে কোনও মার্কিন প্রেসিডেন্ট এই নীতিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেননি একটিবারের জন্যও। সম্প্রতি ডোনাল্ড ট্রাম্প তাইওয়ানের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলে বিতর্কের জন্ম দেন।
শুক্রবার মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, ‘এক চীন’ নীতির পরিবর্তনে বেইজিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় বসতে চান তিনি। ট্রাম্প বলেন, “সবকিছুই আসবে আলোচনায়, ‘এক চীন’ নীতিও।” ট্রাম্পের মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র লু ক্যাং বলেন, ‘বিশ্বে কেবল একটাই চীন। আর তাইওয়ান চীনের অবিচ্ছেদ্য অংশ।’ তিনি আরও বলেন, “চীন-মার্কিন সম্পর্কের ভিত্তিই হলো ‘এক-চীন’ নীতি। তাই এ বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটনের সঙ্গে কোনও আলোচনা করবে না বেইজিং।” চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে বিবৃতিটি প্রকাশিত হয়।
উল্লেখ্য, ৪৪ বছরের সেই রীতি ভেঙে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট সাই ইং ওযেেনর সঙ্গে ফোনে কথা বলে বিতর্কের ঝড় তুলেছিলেন ট্রাম্প। ওই টেলিফোন আলাপের পর থেকেই যুক্তরাষ্ট্র-চীন সম্পর্কে অস্বস্তি বাড়তে থাকে। এ ইস্যুতে বেইজিং প্রথম প্রতিক্রিয়ায় একে ট্রাম্পের অন্তবর্তী প্রশাসনের পররাষ্ট্রনৈতিক বোঝাপড়ার অভাব বলে উল্লেখ করে। পরে ট্রাম্পের আরও সমালোচনা হাজির করে চীন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ