মঙ্গলবার ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দুটি ক্যাচ মিসেই ম্যাচ শেষ -মাশরাফি

স্পোর্টস রিপোর্টার : নিউজিল্যান্ডে বিপক্ষে আগে ব্যাট করে বাংলাদেশ করেছিল ১৪১। জয়ের জন্য ১৪২ রানের টার্গেটে ব্যাট করতে নেমে নিউজিল্যান্ড প্রথমেই উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়েছিল। ম্যাচে ভালো কিছু হতে পারত। কিন্তু ইমরুল আর সৌম্য সরকার ক্যাচ মিস করায় ম্যাচটা হাত ছাড়া হয়ে যায় বলে মনে করেন অধিনায়ক মাশরাফি। কারণ জীবন পেয়ে উইলিযামসন একাই ৭৩ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জয়ি করে মাঠ ছাড়েন। বাউন্ডারি থেকে একটু বেশি এগিয়ে থাকায় দুটি ক্যাচ মিস হওয়ায় ম্যাচ মিস হয়েছে কিনা এমন প্রশ্নে মাশরাফি বলেন,‘আমার খেয়াল নেই সে বেশি এগিয়ে ছিল কিনা। কিন্তু মাঠে যারা ছিলেন তারা দেখেছেন সৌম্য যেভাবে উইলিয়ামসনকে আর ইমরুল গ্র্যান্ডহোমকে জীবন দিয়েছেন তাতে ম্যাচ সেখানেই শেষ।’ মাশরাফি বলেন, ‘একটা ব্রেক থ্রুর আশায় ১৩তম ওভারে তিন প্রধান বোলার মোস্তাফিজ, রুবেল ও সাকিব আল হাসানকে নিয়ে এসেছিলাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে তারা উইকেট পায়নি, তাই ব্রেক থ্রুও জোটেনি।’ তবে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের প্রশংসা করে মাশরাফি বলেন, ‘তার সাহসী ইনিংসটা না হলে আমরা হয় ১০০ বা ১১০ থেকে ১২০ রানে আটকে যেতাম।’ মাহমুদউল্লাহ ওয়ানডে সিরিজে রান পাননি। কিন্তু গতকাল দলের পক্ষে দারুণ ভূমিকা পালন করেছেন। সৌম্যকে দলে ফিরিয়ে আনার ব্যাপারে মাশরাফি বলেন, ‘ সৌম্য আমাদের ম্যাচ উইনিং প্লেয়ার। সে যতো ম্যাচ জিতিয়েছে আমি বা আমরা অনেকেই তা পারিনি। সৌম্যর যে খারাপ ফর্ম যাচ্ছে তা আমি দেশেও বলেছি। গতকাল সে একটি ভালো প্ল্যাটফর্ম পেয়েছিল। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে প্রথম বলেই সে আউট হয়ে যায়।’ মিস ফিল্ডিংয়ে দুটি ক্যাচ মিস দলের হেরে যাওয়ার টার্নিং পয়েন্ট কিনা জিজ্ঞেস করলে মাশরাফি বলেন,‘ ৩০ রানে আমাদের চার উইকেট চলে গেছে। তখনইতো আমরা ব্যাকফুটে চলে গিয়েছি। তাদের উইকেট টেকার বোলাররা প্রথমেই চার উইকেট নিয়ে নেয়। ব্যাটসম্যানরা টিকে থাকলে এরপর যে সব বোলার ছিলো তাদের মেরে খেলা যেতো।’ দল নির্বাচনে অধিনায়কের ভুমিকা নিয়ে মাশরাফি বলেন,‘ অধিনায়ক হিসাবে দল নির্বাচনে আমার নিশ্চয় ভূমিকা আছে। এ নিয়ে এখানে বিস্তারিত বলার প্রয়োাজন আছে বলে আমি মনে করি না।’ তবে ব্যাটসম্যানদের মনোসংযোগে সমস্যা কিনা সে প্রশ্ন আবার রাখেন বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক। যারা দলকে অনুসরণ করেন তারা বাংলাদেশ দলের মধ্যে চলা অসন্তোষ টের পান। দল নির্বাচনে কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহের একচেটিয়া কর্ত্ত্বৃ ওয়াকিফহালরা জানেন। দল নির্বাচনে সিনিয়র  খেলোয়াড়দের সঙ্গেও পরামর্শ করেন না কোচ। এর আগে সাকিব আল হাসানের জবাব দিয়ে বলেছেন, ‘শুধু সিনিয়রদের ভূমিকা  কেন, দলে ১১ জন খেলোয়াড় খেলেন, শুধু পাঁচজন না। দায়দায়িত্ব সবার। জুনিয়ররাও দায়িত্ব পালনে সক্ষম। কারণ তারা যোগ্যতার বলেই জাতীয় দলে এসেছে।’ এক প্রশ্নের জবাবে মাশরাফি বলেন, ‘আজ আমাদের একজন ব্যাটসম্যানদের কেউ বাউন্সারে আউট হননি। সামনে মেরে, সাধারণ বলে আউট হয়েছে। আমাদেরতো অনেক বেশি খেলোয়াড় নেই। এই মুহূর্তে যারা আছে তাদের নিয়ে ঠা-া মাথায় এই খারাপ সময়টা পার করতে হবে।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ