শনিবার ১১ জুলাই ২০২০
Online Edition

রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ২০১৬

মুহাম্মদ ওয়াছিয়ার রহমান : দু’হাজার ষোল সালে গণমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য থেকে রাজনৈতিক সন্ত্রাস বিশেষ করে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড নিয়ে যে চিত্রটি পাওয়া যায় তাতে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্ট সন্ত্রাসে নিহতের সংখ্যা ১৯২। ২,৩১৭টি রাজনৈতিক সন্ত্রাসের তথ্যে আহত ৫,৮৫৬, গ্রেফতার বেশি হলেও প্রকাশিত হয় ৩,৭৩৮, দণ্ডপ্রাপ্ত ৭৫৯ জন। এই বছর নিহত ১৯২ জনের মধ্যে আওয়ামী লীগের হাতে ১৩৯, ছাত্রলীগ ২১, যুবলীগ ১৫, শ্রমিক লীগ ১, স্বেচ্ছাসেবক লীগ ৩, বিএনপি ২, ছাত্রদল ১, শ্রমিক দল ১, জাতীয় পার্টি ৫ এবং হিজবুত তাওহিদের সাথে স্থানীয়দের সংশ্লিষ্টতায় ৪ জন খুন হয়। উল্লেখ্য, হত্যাকাণ্ড আরো বেশি হলেও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিশ্চিত না হওয়ায় সেগুলো এখানে সংযোজন করা সম্ভব হলো না। বর্র্ণিত তথ্যে আওয়ামী পরিবারের সংশ্লিষ্টতায় ১৭৯ জন খুন অর্থাৎ রাজনৈতিক খুনে অভিযুক্ত আওয়ামী পরিবার ৯৩.২৩%, জাপা ২.৬১%, বিএনপি পরিবার ২.০৮% ও হিজবুত তাওহীদের সাথে গ্রামবাসীদের সংশ্লিষ্ট ২.০৮%। গত ১৯ আগস্ট তথ্য মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ভারতে সফরকালে দিল্লীতে বাংলাদেশ দুতাবাসে এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, বাংলাদেশে যত সন্ত্রাস হয় তার ৯০% ভাগ করে জামায়াত। কিন্তু এ বছরের সন্ত্রাস চিত্রে জামায়াত বা শিবির একটি ঘটনার সাথেও জড়িত এমন কোন প্রমাণ কেউ হাজির করতে পারেনি। 
আওয়ামী লীগ : (১) ২ জানুয়ারি ময়মনসিংহের ত্রিশালে ৩নং ওয়ার্ড যুবলীগ সদস্য পারভেজ আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে খুন হয়েছে বলে অভিযোগ। আওয়ামী লীগের পরাজিত মেয়র প্রার্থী জাহিদুল ইসলাম সরকার জুয়েল এবং বিজয়ী মেয়র আনিসুজ্জামানের মধ্যে বিরোধের জেরে এ ঘটনা ঘটছে বলে জানা যায়, (২) ৪ জানুয়ারি চুয়াডাঙ্গার জীবন নগরে ভূমিহীনদের উপর আওয়ামী লীগ-যুবলীগের হামলায় মোহাম্মদ আলী ও (৩) শাহাবুদ্দিন মন্ডল নিহত হয়্, পরে এ বিষয়ে দায়ের করা মামলায় ২৪ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ-যুবলীগের বিশ নেতা-কর্মী আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করলে আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠায়, (৪) ৪ জানুয়ারি গাজীপুরের টঙ্গীতে আওয়ামী লীগ নেত্রীর স্বামী সুমন মিয়ার দোকানের কর্মচারী মোজাম্মেল হক মজুকে দোকানের ম্যানেজারসহ অন্যান্যরা দোকানের মধ্যে ঢুকিয়ে শিকল দিয়ে বেধে বেদম মারপিট করে হত্যা করে। হত্যার সময় তার চিৎকার যাতে বাইরে না যায় সেজন্য উচ্চ শব্দে সাউন্ড বক্সে গান বাজায় তারা, (৫) ১০ জানুয়ারি কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে আলকরা ইউনিয়নের সাবেক যুবলীগ সভাপতি নেতা জামাল উদ্দিনকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইসমাইল হোসেন বাচ্চুসহ অন্যান্যরা নির্মাণাধীন ভবনে নিয়ে কুপিয়ে ও গুলী করে হত্যা করে, (৬) ২৮ জানুয়ারি পাবনার চাটমোহরে সর্বহারা পার্টির নেতা আব্দুস সামাদকে শ্বাসরোধ ও কুপিয়ে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় ১নং আসামী হিসেবে ফৈলজানা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি নূরুল ইসলাম ওরফে অদু মন্ডলকে গ্রেফতার করে পুলিশ, (৭) ২৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের উখিয়ায় ক্ষমতাসীন দলের কোন্দলে দলীয় ক্যাডার জাহাঙ্গীর ও তার সশস্ত্র অস্ত্রধারীদের ছুিরকাঘাতে উখিয়া কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম-আহবায়ক শাহীন খুন হয়, (৮) ৩০ জানুয়ারি নাটোরের বড়াইগ্রামে ইউপি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে খুন হয়েছে মাঝগাঁও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক আবু রায়হান মোল্লা। ৯নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও মেম্বার পদপ্রার্থী জাহিদুল ইসলামকে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে পুলিশ। (৯) ৭ মার্চ পটুয়াখালীর বাউফলে ইউপি নির্বাচনে আদাবাড়িয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আশরাফ ফকির নিহত হয়ে, (১০) ৮ মার্চ পিরোজপুরের নাজিরপুরে নির্বাচনী কাজ করে বাড়ি ফেরার পথে বিএনপির চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর ভাগ্নে এবং ছাত্রদল নাজিরপুর উপজেলা শাখার যুগ্ম-আহবায়ক ও শেখ মাটিয়া ইউনিয়ন ছাত্রদল সাধারণ সম্পাদক শামসুল হক আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসী হামলায় আহত হয়ে হাসপাতালে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করে, (১১) ১৯ মার্চ পাবনার বেড়ায় ঢালারচর ইউপি নির্বাচন নিয়ে আওয়ামী লীগের প্রার্থী কোরবান আলী সরদার ও বিদ্রোহী প্রার্থী নাসির উদ্দিন বেপারীর সমর্থদের মধ্যে সংঘর্ষে নাসির বেপারীর সমর্থক গহের মন্ডল নিহত হয়, (১২) ২২ মার্চ ইউপি নির্বাচনে প্রথমপর্বে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার ধানীসাপা ইউনিয়নের কলেজ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ শেষে গণনাকালে যখন আওয়ামী লীগের লোকজন বুঝতে পারে যে তারা পরাজিত হচ্ছে, তখন তারা ভোট কেন্দ্র দখল করতে মারাত্মক অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের ঘেরাও করে। আইন শৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা তাদের বুঝাতে চেষ্টা করে ব্যর্থ হলে তাদের উপরও ইটপাটকেল এবং ককটেল নিক্ষেপ করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ও বিজিবি গুলী ছোড়ে, এতে ছয়জন মারা যায়। নিহতরা হলো- সোহেল, (১৩) শাহাদাত, (১৪) কামরুল হুদা, (১৫) বেলাল, (১৬) সোলায়মান ও (১৭) ইউনুস হাওলাদার, (১৮) ২২ মার্চ নেত্রকোনা সদর উপজেলার খালিয়াজুরি ইউপিতে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন ভোট গণনার সময় হাঙ্গামা করলে পুলিশের গুলীতে বিদ্রোহী প্রার্থীর ভাই গোলাম আবু কাওসার নিহত হয়, (১৯) ২২ মার্চ পটুয়াখালীর বাউফলে কালিশুরী ইউপি নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নেছার উদ্দিন সিকদার ও বিদ্রোহী প্রার্থী আব্দুর রহমান মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে হুমায়ুন কবীর মল্লিক আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ মার্চ মারা যায়, (২০) ২২ মার্চ বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দিতে দলীয় কোন্দল ও নির্বাচনী সহিংসতায় আওয়ামী লীগের বোহাইল ইউনিয়ন সাংগঠনিক সম্পাদক জাবেদ আলী ভূঁইয়া আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ২৩ মার্চ মারা যায়, (২১) ২৩ মার্চ কক্সবাজারের টেকনাফে সাবরাং ইউপি নির্বাচন উত্তর আওয়ামী লীগ, তাদের বিদ্রোহী প্রার্থী ও পুলিশের ত্রিমুখী সংঘর্ষে তিনজন নিহত এবং ত্রিশজন আহত হয়। নিহতরা হলো- আব্দুল গফুর, (২২) মনির আহমেদ ও (২৩) শফিক, (২৪) ৩১ মার্চ চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের রাউরিয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী জিল্লুর রহমান বিকাল তিনটায় তাকে প্রকাশ্যে ভোট দেয়ার ঘোষণা দেয়। এরপর তার সাথে মেম্বার প্রার্থী সাহেব আলী ও বেলাল উদ্দিনের মধ্যে কে যুক্ত হবে তা নিয়ে উভয়ের মধ্যে সংঘর্ষে জামাল, (২৫) বেলাল ও (২৬) সানাউল্লাহ নিহত হয়, (২৭) ৩১ মার্চ যশোর সদরে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের বোমাবাজী, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট, কারচুপি ও সন্ত্রাসের কারনে আব্দুস সাত্তার বিশে নামে একজন নিহত হয়। নিহতের ছেলে বাদী হয়ে আওয়ামী লীগ নেতা হাসান ইমাম লালসহ আঠার জনের নামে মামলা করে, (২৮) ৩১ মার্চ ঢাকার কেরানীগঞ্জে হযরতপুর ইউপি নির্বাচনে মধুরচন্দ্র সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বাবার সঙ্গে নির্বাচন দেখতে গিয়ে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসে গুলীবিদ্ধ হয়ে নিহত হয় কাজী শুভ নামে চতুর্থ শ্রেনীর শিশু, (২৯) ৩১ মার্চ সাতক্ষীরার কলারোয়ায় ইউপি নির্বাচনত্তোর গাছের শুকনা পাতা পোড়ান নিয়ে দ্বন্দ্বে বিএনপির কর্মী মোসলেম আলীকে কুপিয়ে হত্যা করে আওয়ামী লীগের লোকজন।
(৩০) ১ এপ্রিল মাদারীপুর সদরের কনিয়া ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী সাহেদ আলীর সমর্থক হাসান হাওলাদারসহ তিনজন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী ইসমাইল হাওলাদারের লোকদের হামলায় আহত হয়ে ২ এপ্রিল ভোর রাতে হাসান হাওলাদার মারা যায়, (৩১) ২ এপ্রিল বগুড়ার সোনাতলায় নির্বাচন উত্তর আওয়ামী লীগের সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে যুবলীগ নেতা লিটন মিয়া আহত হয়ে ৩ এপিল মারা যায়, (৩২) ২ এপ্রিল বগুড়ার সারিয়াকান্দিতে ইউপি নির্বাচনী কোন্দলে আহত হয়ে আওয়ামী লীগ কমলাপুর ইউনিয়ন সভাপতি আব্দুল মজিদ ৩ মার্চ মারা যায়, (৩৩) ৮ এপ্রিল ঝিনাইদাহ সদর থানায় পদ্মকর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে আকামত মীর নিহত হয়েছে, (৩৪) ৮ এপ্রিল নড়াইল জেলার নড়াগাতী থানার জয়নগর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ মনোনীত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী আলাউদ্দিন চৌধূরী এবং আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী আইউবের সমর্থকদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি শহীদ আলী নিহত নিহত হয়, (৩৫) ১১ এপ্রিল নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জে মুড়াপাড়া ইউপি নির্বাচন নিয়ে বড়ভিটা এলাকায় আওয়ামী লীগের দলীয় কোন্দলে জাহাঙ্গীর মিয়া নিহত এবং অপর দশজন আহত হয়, (৩৬) ১২ এপ্রিল ঢাকার সাভারে জমি সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে সংঘর্ষে সাভার পৌর ১নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ সভাপতি এরশাদুর রহমান ও তার লোকদের হাতে রেজাউল করীম রাজা নামে একজন প্রবাসী খুন হয়, (৩৭) ১৫ এপ্রিল যশোরের মনিরামপুরে বৈশাখী মেলায় আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে রাজু হোসেন নামে একজন নিহত হয়। মশ্মিমনগর ইউপি নির্বাচনে নোয়ালী গ্রামে নব নির্বাচিত চেয়ারম্যন আবুল হোসেনকে বৈশাখী মেলার সংম্বর্ধনা অনুষ্ঠানে দু’গ্রুপের সংঘর্ষে রাজু নিহত হয়, (৩৮) ১৬ এপ্রিল পিরোজপুরের নেছারাবাদে আওয়ামী লীগ নেতা, সাবেক সর্বহারা নেতা ও নব চেয়ারম্যান আশিষ কুমার বড়ালের নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী নাস্তা খাওয়ার সময় জসিম উদ্দিন পলাশকে কুপিয়ে হত্যা করে। বিলম্বে তথ্য পাওয়ায় খবরটি মে মাসে প্রকাশিত হয়, (৩৯) ১৭ এপ্রিল পাবনা শহরে খান বাহাদুর শপিং মলের সামনে দলীয় কোন্দলে আওয়ামী লীগ কর্মী লিমন হোসেন নিহত হয়। সদর থানার ওসি জানান দলীয় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে লিমন নিহত হয়, (৪০) ১৭ এপ্রিল মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে কোলা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকদের হাতে আহত হয়ে ছাত্রলীগ ইউনিয়ন ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আসিফ পাঁচ দিন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে মারা যায়। উল্লেখ্য, আসিফ ১২ এপ্রিল আহত হয়, (৪১) ২২ এপ্রিল রংপুরের মিঠাপুকুরে কাফ্রিখাল ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের দু’মেম্বার প্রার্থী সাখাওয়াত হোসেন ও ফখরুল সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আব্দুল হান্নান নামে একজন নিহত হয়, (৪২) ২৩ এপ্রিল পাবনার চাটমোহরে মথুরাপুর ইউপির বাহাদুরপুর কেন্দ্রে বিলম্বে নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণাকে কেন্দ্র করে আওয়াী লীগ, বিএনপি ও আইন শৃংখলা বাহিনীর ত্রিমূখী সংঘর্ষে বিএনপির কর্মী ইমদাদ হোসেন নিহত হয়, (৪৩) ২৪ এপ্রিল ফেনীর সোনাগাজীতে মতিগঞ্জ ইউনিয়নের সুলাখালী গ্রামে ছিনতাইয়ের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দু’গ্রুপের সংঘর্ষে ছাত্রলীগ কর্মী কামরুল হোসেন রকি নিহত হয়, (৪৪) ২৫ এপ্রিল গাজীপুরের শ্রীপুরে গোসিংগা বাজার বটতলায় আওয়ামী লীগের বিজয়ী চেয়ারম্যান শাহজান সরদারের সমর্থকদের সাথে বিদ্রোহী সমর্থকদের সংঘর্ষ ঘটনাস্থলে হযরত আলী সরদার আহত হয়ে আশঙ্কা জনক অবস্থায় শ্রীপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হলে চিকিৎসারত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করে, (৪৫) ২৫ এপ্রিল মাগুরার শ্রীপুরে গয়েশপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের নির্বাচনী সহিংসতায় বাবলু শেখ নামে একজন নিহত হয়, (৪৬) ২৬ এপ্রিল নোয়াখালীর হাতিয়ায় চরকিং ইউনিয়নে মিন্দাই গ্রামে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী ও দলীয় প্রার্থীর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়ে আবু তাহের ২৭ এপ্রিল মারা যায়, (৪৭) ২৮ এপ্রিল কুষ্টিয়া সদরে আলামপুর ইউনিয়নে দহকুলা বাজারে ইউপি নির্বাচন উপলক্ষে আওয়ামী লীগ আয়োজিত কর্মী সভায় জেলা নেতাদের উস্কানী মূলক বক্তব্যের ১২ ঘণ্টার মধ্যে লাশ পড়লো মাসুদ করীম লাল্টু মোল্লার। উপজেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, দল মনোনীত চেয়ারম্যান প্রার্থী ও বর্তমান চেয়ারম্যান আক্তারুজ্জামান এবং তার ছেলে সজিব ও বিপ্লবের নেতৃত্বে ৫০-৬০ জন হামলা করে প্রকাশ্যে বাড়ির লোকদের সামনেই তাকে হত্যা করে।  [চলবে]

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ