বৃহস্পতিবার ০৬ আগস্ট ২০২০
Online Edition

শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে আগুন!

স্পোর্টস রিপোর্টার : মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে চলছিল মালদ্বীপ ও আফগানিস্তানের ম্যাচ। দ্বিতীয় সেটে ১৫-১৫ পয়েন্টে দু’দলই। ঠিক সেই সময়ে দক্ষিণ দিকের একটি ফ্লাইড লাইটের বাল্বে শর্টসার্কিট শুরু হয়। এক পর্যায়ে বিকট শব্দে আগুনের ফুলকি নীচে পড়তে থাকে।  দুই বিদেশী দলের খেলোয়াড়দের মধ্যেও আতংক ছড়িয়ে পড়ে। তারা এদিক সেদিক ছুটতে থাকেন।  তাৎক্ষণিকভাবে কোর্ট থেকে সরে যান খেলোয়াড়রা। পরে স্টেডিয়ামের দায়িত্বে থাকা কর্মকর্তারা বিদ্যুৎ করতে সমর্থ হন।  কিন্তু তারপরও সেখানে আগুন জ্বলতে দেখা যায় এবং তা বাড়তে থাকে।  পরে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেয়া হলে অগ্নিনির্বাচক দলের কর্মীরা ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হন।  তারা এসে অবস্তা পর্যবেক্ষন করেন এবং আগুন নেভাতে সমর্থ হন।  ততক্ষণে পেরিয়ে গেছে প্রায় ৩০ মিনিট।  এ বিষয়ে ভলিবল ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান মিকুর কথা, ‘বঙ্গবন্ধুর নামে এই টুর্নামেন্ট।  আন্তর্জাতিক এমন টুর্নামেন্টের আগে আমরা যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় এবং জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের মতো অভিবাবকদের আমরা জানিয়েছি।  স্টেডিয়াম সম্পর্কে সব কিছুই তাদের নখদর্পনে।  বিষয়টি ইনডোরের ইঞ্জিনিয়ারই বলতে পারবেন।  তবে স্টেডিয়াম কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে দায়িত্ব নিয়ে ফায়ার সার্ভিস ডেকে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে।  সমস্যাও কেটে গেছে। ’ ফায়ার সার্ভিসেস সিনিয়র স্টেশন অফিসার আবদুল্লাহ আল আরেফিনের কথা, ‘এটা একটি শর্টসার্কিটজনিত সমস্যা।  অতিরিক্ত হিটে ওই দু’টি লাইটে আগুন ধরে গিয়েছিল।  পরে ওই দু’টি লাইটকে বিদ্যুৎ সরবরাহ থেকে বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে। পরে সমস্যার সমাধানও হয়ে গেছে। ’ স্টেডিয়ামের প্রশাসক শিহাব উদ্দিনের কথা, ‘এই ফ্লাডলাইটগুলো বেশ ক’বছর আগের।  তাই শর্টসার্কিট হতেই পারে।  তাছাড়া এত উপরে গিয়ে কারো পক্ষে আগুন নেভানো সম্ভব নয়। তারপরও আমি আগে প্রধান সুইচ বন্ধ করে লোক পাঠিয়ে ঝুঁকি নিয়ে সেই আগুন নেভানোর ব্যবস্থা করেছি। ’ দীর্ঘ ৪০ মিনিট অন্ধকারে থাকার পর অবশ্য আলো জ্বলেছে ইনডোর স্টেডিয়ামে। আর খেলা শুরু হয়েছে পৌঁনে এক ঘন্টা পর।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ