বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

জমির আলী লোভ-লালসার ঊর্ধ্বের একজন আদর্শ জাতীয় নেতা ছিলেন

ইসলামের শাশ্বত জীবন বিধান, মানবিক মূল্যবোধ আর গণতান্ত্রিক সমাজ বিনির্মাণে আলহাজ্ব মোঃ জমির আলী আমৃত্যু সংগ্রাম করে গেছেন। আদর্শ বিসর্জন দিয়ে ক্ষমতার মোহ কোন দিনই জমির আলীকে পথভ্রষ্ট করতে পারেনি। বাংলাদেশ মুসলিম লীগের সাবেক সভাপতি এক সময়ের তুখোর ছাত্রনেতা আলহাজ্ব মোঃ জমির আলীর ১২তম মৃত্যুবার্ষিকী আলোচনায় এসব কথা বলেছেন আলোচকবৃন্দ। বাংলাদেশ যুব মুসলিম লীগ ও জমির আলী স্মৃতি কমিটির উদ্যোগে আজ বেলা ১১টায় পল্টনস্থ ফটো জার্নালিস্ট এসোসিয়েশন মিলনায়তনে মরহুমের বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবনের উপর এক আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। স্মৃতি কমিটির সভাপতি আলহাজ্ব কুদরত উল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনায় প্রধান অতিথি ছিলেন সাবেক মন্ত্রী ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের মহাসচিব মেজর (অবঃ) আবদুল মান্নান। বিশেষ অতিথি বিএমএল সভাপতি এএইচএম কামরুজ্জামান খান। স্মৃতি কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আবুড়ীর সঞ্চালনায় ও আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের যুগ্ম-মহাসচিব অধ্যক্ষ হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েতউদ্দীন, মুসলিম লীগ স্থায়ী কমিটির সদস্য শহীদুল্লাহ খালাসী শেখ আশফাকউজ্জামান, অতিরিক্ত মহাসচিব আলহাজ্ব হোসেন পাঠান স্মৃতি কমিটির সহসভাপতি শেখ আবদুল কায়উম, সাংগঠনিক সম্পাদক এসআই ইসলাম মিলন, মহিলা মুসলিম লীগ সভানেত্রী ডাঃ হাজেরা বেগম, কেন্দ্রীয় নেতা আবদুর রহমান বাবু, খাজা মোহাম্মদ কামেল খোন্দকার, জিল্লুর রহমান, মোঃ হাবিবুর রহমান, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মনজুর হোসেন ঈসা।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এইচএম কামারুজ্জামান খান বলেন, জমির আলী ছিল আমার ছোট ভাইয়ের মতো। জমির আলী মুসলিম লীগ ছাড়া অন্য কিছুই চিন্তা করেনি। তিনি মুসলিম লীগকে সুসংগঠিত করার জন্য টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত চোষে বেড়িয়েছেন। কিছুসংখ্যক ষড়যন্ত্রকারীদের কারণে সেটা সম্ভব হয়নি।
আলোচনা শেষে মরহুমের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত করা হয়। মোনাজাত পরিচালনা করেন হাফেজ মাওলানা এটিএম হেমায়েত উদ্দীন। প্রেস বিজ্ঞপ্তি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ