বুধবার ২৭ জানুয়ারি ২০২১
Online Edition

২৭-২৮ ডিসেম্বর সারাদেশে বইয়ের দোকান বন্ধের ঘোষণা দিয়েছে বাপুস

গতকাল শনিবার জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির উদ্যোগে প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের কতিপয় ধারা সংশোধন করার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয় -সংগ্রাম

স্টাফ রিপোর্টার : প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের কয়েকটি ধারা এবং উপধারা বাতিলের দাবিতে সারাদেশে আগামী ২৭ থেকে ২৮ ডিসেম্বর বইয়ের দোকান বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি বাপুস। সেই সঙ্গে ২৬ ডিসেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এবং ৬৪ জেলায় মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করবে সংগঠনটি।
গতকাল শনিবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. সালাউদ্দিন। এ সময় সংগঠনের সহ-সভাপতি কাজী জহুরুল ইসলাম বুলবুল, শিক্ষা আইন বিষয়ক সম্পাদক শ্যামল পাল, সদস্য এস এম লুৎফর রহমান, মো. তাজুল ইসলাম খোকন, মো. হুমায়ুন কবির খোকন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
সাংবাদিক সম্মেলনে বলা হয়, পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি নোট-গাইড প্রকাশ করছে না। সহায়ক বই প্রকাশ করছে। কিন্তু প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে সহায়ক বই প্রকাশ করতে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) অনুমোদন বাধ্যতামূলক করায় হতাশ হয়েছেন তারা।
সরকারের কাছ থেকে অনুমতি নিয়ে বই প্রকাশ করার নজির পৃথিবীর আর কোথাও নেই উল্লেখ করে সংগঠনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনে নোট বই বা গাইড বইয়ের সংজ্ঞা কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয় নয়। আমরা খসড়া শিক্ষা আইনে প্রদত্ত ‘নোট এবং গাইড বই’-এর সংজ্ঞা সৃজনশীল সহায়ক ও রেফারেন্স গ্রন্থ প্রকাশ পরিপন্থি উপধারাসমূহ এবং তৎপরিপ্রেক্ষিতে প্রণীত বিভিন্ন শাস্তিমূলক ব্যবস্থার ধারা ও উপধারাসমূহ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত শিক্ষা আইনের মাধ্যমে সহায়ক গ্রন্থ প্রকাশ বন্ধ হয়ে যাবে। ফলে প্রকাশনা শিল্পের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা ক্ষতির সম্মুখীন হবে। কাগজ উৎপাদন মিলগুলো লোকসানে পড়বে। তাতে করে ব্যাংকের লোন পরিশোধ করা কঠিন হয়ে যাবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ