বৃহস্পতিবার ১৭ জুন ২০২১
Online Edition

দ্রুততম মানব মেজবাহ

স্পোর্টস রিপোর্টার : শেষ ৫০ মিটারে গতি বাড়িয়ে এবং ফিনিশিং পয়েন্টে চেস্ট বাড়িয়ে দিয়েই নাকি শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখেন তিনি। ফলে জয়যাত্রা ফাউন্ডেশন জাতীয় অ্যাথলেটিক্স প্রতিযোগিতার ১০০ মিটার স্প্রিন্টে সেরা হতে সময় নেন ১০.৬৩ সেকেন্ড। আর দ্বিতীয় হওয়া আবদুর রউফ সময় নেন ১০.৭০। এতেই বুঝা যাচ্ছে উঠে আসছেন আগামীর দ্রুততম মানব। মেজবার সঙ্গে যার পার্থক্য মাত্র .০৭ সেকেন্ডের। আর এনিয়ে টানা পাঁচবার দ্রুততম মানবের খেতাব অক্ষুণœ রাখলেন বাগেরহাটের সন্তান নৌবাহিনীর অ্যাথলেটমেজবাহ আহমেদ। ২০০৯ ও ২০১০ সালে টানা দু’বছর জুনিয়র মিটে দ্রুততম বালক হয়েছিলেন মেজবাহ। মাঝে দু’বছর নিজেকে ঝালিয়ে ২০১৩ সালে সিনিয়র স্প্রিন্টারের কাতারে নাম লেখান তিনি। ওই বছর অষ্টম বাংলাদেশ গেমসে বিকেএসপির হয়ে ১০০ মিটার স্প্রিন্টে প্রথমবার দ্রুততম মানব হন। এরপর তিন বছরে জাতীয় চ্যাম্পিয়নশিপ ও সামার চ্যাম্পিয়নশিপ মিলে আরও চারবার এই খেতাবটি অর্জন করেন নৌবাহিনীর এই অ্যাথলেট। তবে লড়াইটা যে হাড্ডাহাড্ডি হয়েছে, তা টের পেয়েছেন নিজেও। মেজবাহর কথায়, ‘মনে করেছিলাম ধরাই খেয়ে গেলাম কিনা। ঠিক তখনি উসাইন বোল্টের টেকনিকটা কাজে লাগই। শেষ ৫০ মিটার গতি বাড়াই। আর তাতেই কাজ হয়।’ অলিম্পিকের পর এই খেতাবটা ধরে রাখার প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধি করে মেজবাহ বলেন, ‘অলিম্পিক গেমসের মতো বড় আসরে খেলে আসার পর যদি আজ দ্রুততম মানবের খেতাবটি ধরে রাখতে না পারতাম, তাহলে সবাই ভাবতো আমি হারিয়ে গেছি। অলিম্পিকের পর নাকি অনেকেই হারিয়ে যায়। তাই এই জয়টা প্রয়োজন ছিল।’ সতীর্থ আবদুর রউফের বিষয়ে মেজবাহর কথা, ‘আমরা এক সঙ্গে অনুশীলন করেছি। প্রায় আমার সমকক্ষই। একই সময় ছিল আমাদের। দু’জনে একই সময় নিয়ে হিট থেকে চূড়ান্ত রাউন্ডে উঠে এসেছি। তাই এই প্রথম আমার মনে হয়েছে, খুব কষ্ট হয়েছে স্বর্ণপদক জিততে। আসলে এখন আমার মনে হচ্ছে সত্যিই ভালো মানের অ্যাথলেট ওঠে আসছে।’ দীর্ঘ মেয়াদী অনুশীলন ক্যাম্পের প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করে মেজবাহ বলেন, ‘আমাদের দীর্ঘমেয়াদী অনুশীলনের খুবই দরকার। দেখুন গৌহাটি সাফ গেমসে অস্ট্রেলিয়াতে অনুশীলন করে শ্রীলংকার হিমাসা ইশান স্প্রিন্টার (১০.২৮ সেকেন্ড) প্রথম এবং মালদ্বীপের হাসান সাফী আমেরিকাতে অনুশীলন করে এসে গেমসে খেলেছে। সেখানে আমি ঢাকায় অনুশীলন করে চতুর্থ হয়েছি। তাই ভালো কিছু করতে হলে অনুশীলনের বিকল্প নেই।’

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ