শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

সৈয়দপুরে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় শিক্ষকদের কোচিং বাণিজ্য

সৈয়দপুর (নীলফামারী) সংবাদদাতা : ছাত্র ছাত্রীদের ফাঁদে ফেলে নীলফামারীর সৈয়দপুর শহর বর্তমানে কোচিং সেন্টারে পরিণত হয়েছে। সরকারের নিষেধাজ্ঞাকে তোয়াক্কা না করে সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা ভালো প্রতিষ্ঠানে ভর্তির শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিয়ে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিলেও কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছেন না সরকার। লায়ন্স স্কুল এন্ড কলেজের অধ্যক্ষ রেয়াজুল ইসলাম রাজু জানান, ছাত্র ছাত্রীদের ভর্তির শতকরা ৪ ভাগ টেক্স দিতে হয় সরকারকে। এজন্য গ্রহণ করতে হয় ট্রেড লাইসেন্স। কিন্তু যারা কোচিং সেন্টার খুলে লাখ লাখ টাকা আদায় করছেন তাদের একজনেরও কোন লাইসেন্স নেই। এসব কোচিং সেন্টারের শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া উচিত বলে জানান। সূত্র জানায়, ক’বছর আগেও এ শহরে ছিল নামিদামি কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য কোচিং সেন্টার। কিন্তু বর্তমানে শহরময় ভরে গেছে কোচিং সেন্টারে। এসবে হাতেগোনা দু একটির ট্রেড লাইসেন্স থাকলেও বাকিটা সবই ভুয়া। ভুয়ামী করে তারা বিভিন্ন স্কুল কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির শতভাগ প্রতিশ্রুতি দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে লাখ লাখ টাকা। রাশেদুল ইসলাম জাস্টিস নামের এক অভিভাবক জানান, সরকার কোচিং সেন্টার করার উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। এছাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোন শিক্ষক নিজ প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের নিজ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ছাড়া অন্য কোথাও কোচিং করাতে পারবেন না। এ নিষেধাজ্ঞার অবমাননা করা হলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার বিধান রয়েছে। কিন্তু সৈয়দপুর রামকৃষ্ণ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুস সামাদ, সহকারী শিক্ষক আব্দুল বাসার ও সহকারী শিক্ষিকা বিউটি বেগম শহরের পুরাতন বাবুপাড়ায় বর্ণমালা লার্নিং সেন্টার ও ক্যাডেট কোচিং নামের এক প্রতিষ্ঠান খুলে বসেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ