শনিবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

সাদুল্যাপুরে নলডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজে হামলা ভাঙচুর ও প্রভাষককে পিটিয়ে যখম

সাদুল্যাপুর (গাইবান্ধা) সংবাদদাতা : গাইবান্ধার সাদুল্যাপুর উপজেলার নলডাঙ্গা ডিগ্রি কলেজে প্রভাষক নিয়োগ সংক্রান্ত সৃষ্ঠ দ্বন্দ্বে ওই কলেজে হামলা চালিয়ে আসবাপত্র ভাঙচুর ও আনোয়ারুল ইসলাম নামের এক প্রভাষককে পিটিয়ে আহত করেছে প্রতিপক্ষরা। গুরুতর আহত আনোয়ারুল ওই কলেজের সদ্য নিয়োগ প্রাপ্ত প্রভাষক ও সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বেকাটারি গ্রামে মৃত্যু জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
হামলার শিকার প্রভাষক আনারুল ইসলাম জানান ৫ মে/১৫ ইং তারিখে সম্প্রতি আমি অত্র কলেজের শুন্য পদে পদার্থ বিদ্যা বিষয়ে প্রভাষক হিসেবে যোগদান করি।
পরে আবার  গোপনে নিয়োগ কমিটির যোগসাজসে অকৃতকার্য প্রার্থী মোঃ আঃ ছালামকে একই পদে অবৈধ ভবে নিয়োগ প্রদান করেন।
এমঅবস্থায় গত ১২ ডিসেম্বর সকালে আমি এমপিও  ভুক্তির জন্য অধ্যক্ষ তাজুল ইসলামের সঙ্গে কাগজ পত্রের বিষয়ে কথা বললে অধ্যক্ষ কর্তৃক অফিস সহকারী রেজাউল আলমকে নির্দেশ দেয়। কিন্তু রেজাউল আলম আমার কাগজপত্র দিতে বিভিন্ন্ অজুহাত দেখিয়ে তালবাহনা করতে থাকে।
এদিকে একই পদে অবৈধভাবে নিয়োগ প্রাপ্ত আব্দুর সালামের নাম তালিকাভুক্ত করেন। এ ঘটনাটি প্রভাষক আনোয়ারুল ইসলাম জানতে পেরে অফিস সহকারী রেজাউল আলমের সাথে কথা কাটাকাটি হয়।
এতে রেজাউল আলম স্থানীয়ভাবে শক্তির দাপটে উত্তেজিত হয়ে উঠে।
এক পর্যায়ে রেজাউল আলম তার দলবল নিয়ে অস্ত্রসস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনোয়ারুলের উপর অতর্কিত ভাবে হামলা চালালে শিক্ষক মিলনায়তনের আসবাপত্র ভাংচুর করেন এবং আনোয়ারুলকে হত্যার উদ্দেশ্যে এলোপাতারি ভাবে লাঠিসোডা দিয়ে পিটাতে থাকেন।
পরে আনোয়ারুল ইসলামের আত্মচিৎকারে স্থানীয় সচেতন মহল ছুটে এসে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে সুন্দরগঞ্জ হাসপাতালে ভর্তি করান। সাদুল¬্যাপুর থানা পুলিশ খবর পেয়ে পরিস্থিতি নিয়োন্ত্রণে আনেন। এ বিষয়ে একটি মামলার প্রস্তুতি চলছে।
অফিস সহকারী রেজাউল আলম জানান, প্রভাষক আনোয়ারুল ইসলাম কর্তৃক আমার কাছে স্ট্যানিং প্যাটান দেখতে চায়। আমি প্যাটানটি বের করলে তিনি প্যাটানটি ছিনিয়ে নিলে একটু ধাক্কাধাক্কি হয়।
অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম জানান, স্ট্যানিং প্যাটান তৈরী নিয়ে অফিস সহকারীর সাথে এ ঘটনা ঘটেছে। তবে হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ