সোমবার ২০ সেপ্টেম্বর ২০২১
Online Edition

মাধবদীতে জমে উঠেছে শীত বস্ত্রের কেনাকাটা

মাধবদী (নরসিংদী) : শীতের শুরু থেকেই মাধবদীর প্রতিটি শীতবস্ত্রের দোকানে ক্রেতা সাধারণের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে এবং বিক্রিও হচ্ছে প্রচুর। গত এক সপ্তাহ যাবৎ মাধবদীর অভিজাত মার্কেট থেকে শুরু করে ফুটপাতসহ সবখানেই শীত বস্ত্রের দোকান গড়ে উঠতে দেখা গেছে। বিলাস বহুল মার্কেটে ভিড় কম থাকলেও ফুটপাতের অস্থায়ী দোকান গুলোতে এখনই নি¤œাঞ্চলীয় মানুষ ভিড় করতে শুরু করেছে।
মাধবদীর স্কুল মার্কেট, সোনার বাংলা সমবায় মার্কেট, রাইন ওকে মার্কেট, হাজী এলাহী বক্স সুপার মার্কেট,  মোল্লা মার্কেটসহ ঐতিয্যবাহী শেখেরচর বাবুরহাট এবং আশপাশের বিভিন্ন মার্কেটগুলো ঘুরে দেখা গেছে প্রতিটি মার্কেটেই প্রচুর শীত বস্ত্র তোলা হয়েছে। সেই সাথে মার্কেটের সামনে ও বিভিন্ন অলিগলির ফুটপাতে বসেছে অনেক অস্থায়ী তৈরি শীতবস্ত্র ও চাদরের দোকান।
মাধবদীতে আরও একটি বিষয় পরিলক্ষিত হয় যে ৪/৫ জনের এক একটি করে দল বেধে বেশ ক’টি দলে বিভক্ত হয়ে বিদেশী কম্বল বিক্রি করার জন্য মাধবদীর ব্যবসায়ীদের প্রতিষ্ঠানে, দোকানে, রস্তায় ও পাড়া-মহল্লায় সারাদিন ফেরি করে শীতের কম্বল বিক্রি করতে দেখা যায়।
প্রথম অবস্থায় দাম একটু বেশী হলেও ক্রেতা সাধারণ কেনাকাটা করতে দেখা যাচ্ছে প্রচুর। বিভিন্ন ডিজাইনের দেশী বিদেশী জ্যাকেট, সোয়েটার, মাফলার, কার্ডিগান, শাল, জাম্পার, ট্রাউজার, কানটুপি বিক্রির পাশাপাশি  দেশীয় তৈরি চাদরের চাহিদাও রয়েছে ক্রেতাদের কাছে। হাতের নাগালে বাসস্ট্যান্ড,  পৌর শহরের বিভিন্ন গলির ফাকা জায়গায়, তিন রাস্তা ও চৌরাস্তার মোড়ে অস্থায়ী দোকান বসেছে অনেক। এছাড়াও যেসব স্থানে লোক সমাগম বেশী সেসব রাস্তাগুলোতে ভেন গাড়ি দিয়ে ভ্রামমাণ দোকান করে শীতবস্ত্র বিক্রি করছে দোকানীরা। নি¤œ আয়ের মানুষ অভিজাত মার্কেটের দোকানের চেয়ে অস্থায়ী ফুটপাতের দোকান গুলোতে অপেক্ষাকৃত কম দামে শীত বস্ত্র ক্রয় করতে ইতোমধ্যেই ভীড় করতে দেখা গেছে। কারন ফুটপাতের অস্থায়ী দোকানগুলোতে পুরনো শীতবস্ত্র অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে বিক্রি হচ্ছে অপরদিকে প্রতিটি আভিজাত মার্কেটে শীত বস্ত্রের দাম এবার সাধারণের জন্য অনেক বেশী বলে জানাগেছে। অপরদিকে এখানকার হ্যান্ডলোম ও পাওয়ারলোমে তৈরি চাদর, শাল, মহিলাদের শাল উন্নত প্রযুক্তিতে প্রস্তুত উলেন চাদর ভারত এবং কাশ্মমীরি শালকেও হার মানিয়েছে। 
যেগুলো দেশের বিভিন্ন জেলায় রফতানি হচ্ছে এবং দেশের বাইরে বেশ ক’টি রাষ্ট্রে প্রচুর সুনাম কুড়িয়েছে।  সেই সাথে বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসলেও এসব কারখানাগুলে সরকারী ভাবে কোন সহযোগীতা পাচ্ছেনা বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বেশ ক’টি কারখানা মালিক।
জেলা শহর বা পৌরসভার বাইরে মফস্বল এলাকার এসব কারখানাগুলো সুচারু রূপে পরিচালনা করলেও নিজেরা বিপণণ করতে না পারায় লাভের অধিকাংশই চলে যায় মধ্যস্ত¡ ভোগীর পকেটে। এ ব্যাপারে এসব কারখানা মালিকদের এবং এখানকার বিশাল শিল্প মালিকদের প্রতিকূল অবস্থাগুলো চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিলে একদিকে যেমন  বৈদেশিক মুদ্রা আসবে তেমনই দেশ হবে বস্ত্রে সমৃদ্ধশালী।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ