বুধবার ১৫ জুলাই ২০২০
Online Edition

স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান শীর্ষক আলোচনা সভা

চট্টগ্রাম অফিস : চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন বলেছেন, ষড়যন্ত্র করে জিয়াউর রহমানের নাম জনগণের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা যাবে না। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকে জিয়াউর রহমানের স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলার একটি মিশন হাতে নিয়েছিল। তারই ধারাবাহিকতায় জিয়া আন্তর্জাতিক বিমান বন্দর থেকে শুরু করে সারা বাংলাদেশে জিয়াউর রহমানের যা স্মৃতি স্তম্ভ বা চিহ্ন আছে তা অপসারণ করেছে। আওয়ামীলীগ মুক্তিযুদ্ধকে কথায় লালন করে। একজন মুক্তিযোদ্ধার স্মৃতিচিহ্ন মুছে ফেলতে তারা সামন্যতম কুন্ঠাবোধ করে নাই।

 তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনাকে পদদলিত করে বর্তমান সরকার ক্ষমতাকে অবৈধভাবে আঁকড়ে ধরে আছে। মুক্তিযুদ্ধকে পুঁজি করে তারা সারাবাংলাদেশে ভিন্ন মতালম্বী সব বুদ্ধিজীবী ও মুক্তিযোদ্ধাদের নির্যাতন করেছে। ডাঃ শাহাদাত আরো বলেন, ১৯৭১ সালে আওয়ামীলীগ নেতৃত্বের ব্যর্থতায় জিয়াউর রহমানের উত্থান হয়েছিল। তিনি তাঁর বলিষ্ঠ নেতৃত্বের মাধ্যমে এদেশের শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়ে বাংলাদেশকে স্বনির্ভর দেশ হিসেবে রূপান্তরিত করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু বিশ্বাসঘাতকদের বুলেটে জিয়াউর রহমান নামক এক অধ্যায়ের পতন হয়। এরপরও জিয়াউর রহমান তার আদর্শ ও নৈতিকতার গুণে এখনো জনগণের হৃদয়ে স্থান করে আছে।

 চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি শাহাদাত হোসেন গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার উদ্যোগে স্বাধীনতার ঘোষণা ও মুক্তিযুদ্ধে জিয়াউর রহমান শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। 

শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদ চট্টগ্রাম মহানগর শাখার সভাপতি শফিউর রহমান সাইফু’র সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক সালাউদ্দিন আলী’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপি’র সভাপতি ডাঃ শাহাদাত হোসেন। প্রধান বক্তা ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর যুবদলের সভাপতি কাজী বেলাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন শহীদ জিয়া স্মৃতি সংসদের জসিম উদ্দিন, মো: হাসেম, শফিকুল ইসলাম রাহি, আবদুল কাদের, খাজা আলাউদ্দিন, গিয়াস উদ্দিন, মো: হামিদ, সাইফুল ইসলাম শিপন, ফয়সাল ভূঁইয়া মামুন, মান্নান উদ্দিন, ইয়াকুব আলী, মো: আশরাফ, এস.এম. ফারুক, ফজলুল হক, ওসমান গণি, মো: সুমন, মো: তারেক, মো: দিদার প্রমুখ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ