বুধবার ১৫ জুলাই ২০২০
Online Edition

সুন্দরগঞ্জে মাঠ ছেয়ে গেছে সরিষা ফুলের বর্ণিল আভায়-

সুন্দরগঞ্জ (গাইবান্ধা) : সরিষার ক্ষেত ফুলে ফুলে ছেয়ে গেছে

গাইবান্ধা সংবাদদাতা : সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় চলতি রবি মওসুমে সরিষার বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। মাঠে ময়দানে এখন হলুদ রঙ্গের সরিষা ফুলের চোখ ধাঁ-ধাঁনো বর্ণিল সমারোহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। মৌমাছিদের গুণগুণ শব্দে ফুলের রেনু থেকে মধু সংগ্রহ দৃশ্য সত্যিই যেন মনোমুগ্ধকর। গত বন্যার কারণে উপজেলায় রোপা-আমন ধানের ব্যাপক ক্ষতি হলেও দ্রুত বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় বন্যার ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কৃষকরা মাঠে-মাঠে রবি শস্যের আগাম চাষ করেছেন। সরকার কৃষকদের মাঝে কৃষি উপকরণ, সার, বীজ বিনামূল্যে যথাসময়ে বিতরণ করায় এলাকার অসহায় কৃষকদের পক্ষে আগাম জাতের সরিষা বপন করা সম্ভব হয়েছে। চলতি রবি মৌসুমে কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগ হানা না দেয়ায় এবং সরিষা চাষের পরিবেশ অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। গ্রামীণ জনপদের কৃষকরা এই সরিষা যথা সময়ে ঘরে তুলতে পারলে এবং বিক্রয় মূল্য ভালো পেলে বন্যার কারণে রোপা-আমন ধানের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারবেন। 

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, চলতি উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও ১ পৌর এলাকায় ৩ হাজার ১শ ৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও এ বছর প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ করা হয়েছে। শুরুতে সরিষা ক্ষেতে পোকা-মাকড়ের আনা-গোনা দেখা দিলেও মাঠ পর্যায়ে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে যথাযথ পরামর্শ ও প্রত্যক্ষ কারিগরি সহযোগিতার কারণে সরিষা ক্ষেত অনেকটা রোগ-বালাই মুক্ত রয়েছে। বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককের মাঝে সরকারিভাবে মানসম্পন্ন সরিষা বীজসহ অন্যান্য উপকরণ বিনামূল্যে ৩ হাজার ১শ’ ৫০ জন কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়। উপজেলার চরাঞ্চল বেলকা, দহবন্দ, শ্রীপুর, হরিপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি জমিতে সরিষা চাষ করা হয়। উপজেলা কৃষি অফিসার রাশেদুল ইসলাম জানান, ১৫টি ইউনিয়নে বিগত বছরের তুরনায় এ বছর সবচেয়ে বেশি পরিমাণ জমিতে কৃষক সরিষা চাষ করেছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ