শনিবার ৩০ মে ২০২০
Online Edition

কোম্পানিগঞ্জের শ্রেষ্ঠ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বামনী ডিগ্রি কলেজ

হেলাল উদ্দিন, কোম্পানিগঞ্জ থেকে : নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন কলেজ এর মধ্যে ২০১৬ সালে বামনী ডিগ্রী কলেজের অধ্যক্ষ ও বামনী কলেজকে জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে উপজেলার শ্রেষ্ঠ কলেজ হিসাবে নির্বাচিত করা হয়।
কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার দক্ষিণ অঞ্চলের ছাত্র/ছাত্রীদের উচ্চতর পড়ালেখা করার জন্য থানা শহর ছাড়া আর কোন কলেজ না থাকায় বিভিন্ন জেলা শহরের কলেজে পড়ালেখা করা সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য দুষ্কর ছিল। দক্ষিণ অঞ্চলে ছাত্র-ছাত্রীদের পড়ালেখার মান উন্নয়নের জন্য ১৯৯৪ইং সালে রামপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ চৌধুরীর সাথে পরামর্শ করে জেলা প্রশাসক বরাবর একটি কলেজ প্রতিষ্ঠা আবেদন করা হয়।তখন জেলা প্রশাসকের অনুমতি ক্রমে ৫.১২ একর জায়গা অধিগ্রহণ করা হয়।
এতে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে তৎকালীন রামপুরের ইউপি চেয়ারম্যান নূর আহম্মদ চৌধুরী, রমেশ চন্দ্র দেবনাথ, হাবিব উল্যাহ চৌধুরী, কলেজ প্রতিষ্ঠাতা যুক্তরাজ্য শাখার সভাপতি এ.এন.এম বিল্লাহ (এম. কম) সেক্রেটারি আবু নওশাদ মিয়া, মৌলভী জয়নাল আবেদীন, কামরুজ্জমান, হাজী মোতাহের হোসেন,ফয়েজ আহম্মদ, আলমগীর মিয়া, মমিনুল হক বিএসসি, জামাল উদ্দিন, একরামুল হক, মাহফুজুল হক চৌধুরী, শেখ মহি উদ্দিন, হাজী তোফাজ্জেল হোসেন, আবু তাহের মিয়া, নূর নবী সহ সকলের সার্বিক সহযোগিতায় অত্র বামনী কলেজটি প্রতিষ্ঠা লাভ করে। শুরুতে প্রধান শিক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন বসুরহাট মুজিব কলেজ থেকে অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক এম.এ বারি, অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন, ১৯৯৫ থেকে ১৯৯৬ইং সাল পর্যন্ত। প্রতিষ্ঠানটি ১৯৯৫-১৯৯৬ইং শিক্ষাবর্ষে পাঠ দানের অনুমতি লাভ করে।
১৯৯৬ থেকে ১৯৯৭ সাল পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত প্রধান হিসাবে ছিলেন জনাব ছিদ্দিকুর রহমান, ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৮ সাল পর্যন্ত অধ্যক্ষ হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন আবদুল হালিম, ১৯৯৮ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে অধ্যক্ষের দায়িত্ব পালন করেন বশির উদ্দিন, ২০০১ সাল থেকে শিক্ষার মান আরো উন্নয়নের জন্য কর্তৃপক্ষ দাগনভূঞা ইকবাল মেমোরিয়াল কলেজের ইংরেজি প্রভাষক রাহাবার হোসেন কে অধ্যক্ষ হিসাবে নিয়োগ দেন। সেই থেকে এই পর্যন্ত অত্যান্ত সুনামের সাথে বামনী ডিগ্রী কলেজ গত ১৫ বছরের মধ্যে কোম্পানীগঞ্জের অন্যান্য কলেজ থেকে বামনী ডিগ্রী কলেজের পাশের হার ছিল শীর্ষে।
বর্তমানে এই কলেজে ২৬ জন শিক্ষক/শিক্ষিকা রয়েছেন এবং কর্মচারী রয়েছে ৭ জন। ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ১২শ’ হলেও  এদের মধ্যে বেশির ভাগই ছাত্রী। প্রতিষ্ঠানের রয়েছে ০২টি ০৩ তলা বিশিষ্ট একাডেমিক ভবন ও সেমী পাঁকা ভবন রয়েছে। কলেজের প্রধান শিক্ষক জানান, সরকারের কাছে আমাদের ০২টি দাবী রয়েছে। ১টি হলো তাড়াতাড়ি যেন সরকার কলেজটিকে সরকারী করণ করা হয় এবং ডিগ্রী পর্যায়ে এমপিওভুক্ত করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ