শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

পাঁচটি খাবার মৃত্যুর কারণ হতে পারে!

চিনাবাদাম খেয়ে কেউ মরতে পারে শুনেছেন কখন? অথবা দুধেও যে ঘাপটি মেরে থাকতে পারে মারণ জীবাণু, জানেন? এমন অনেক খাবারই আমরা প্রতিদিন খাই, যা মৃত্যু ডেকে আনতে পারে। তাই, কিছুক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন জরুরি।
এখানে এমনই পাঁচটি খাবারের কথা উল্লেখ করা হলো-
১. অঙ্কুরিত মটরশুঁটি খাবেন না: ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার তিন মূর্তি ই-কোলাই, সলমোনেল্লা ও লিস্টেরিয়া- তিনটিই উপস্থিত অঙ্কুরিত মটরশুটিতে। ২০১১ সালে জার্মানির একদল গবেষক অঙ্কুরিত মটরশুঁটির মধ্যে এই তিন ক্ষতিকারক ব্যাক্টেরিয়ার উপস্থিতি জানতে পারেন। ২০ জনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে তারা চিহ্নিত করেন অঙ্কুরিত মটরশুটিতে থাকা ই-কোলাইকে।
২. কাঁচা কাজুবাদাম: আমরা দোকান থেকে যে কাজু কিনি, তা আসলে রোস্টেড। গাছ থেকে পাড়া কাঁচা কাজু ভুলেও খাবেন না। তাতে বিষক্রিয়ায় মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। নানা পদ্ধতির মধ্য দিয়ে কাঁচা কাজুকে খাওয়ার উপযোগী করে নেয়া হয়। কাজুতে উরুসিয়ল নামে বিশেষ এক ধরনের বিষাক্ত টক্সিন থাকে। যা থেকে ত্বকের নানা মারাত্মক সমস্যা দেখা দিতে পারে। স্টিম দিয়ে কাঁচা কাজু থেকে সেই বিষ দূর করে রোস্ট করা হয়।
৩. চিনাবাদামেও ঝুঁকি আছে: হ্যাঁ, চিনাবাদামও মৃত্যুর কারণ হতে পারে। যাদের চিনাবাদামে অ্যালার্জি নেই নিশ্চিন্তে খেতে পারেন। তবে, না গিলে ভালো করে চিবিয়ে খাবেন। কিন্তু, অ্যালার্জি থাকলে, একদমই নয়। ফুড অ্যালার্জির মধ্যে চিনাবাদাম থেকে মৃত্যুর ঘটনাই সবচেয়ে বেশি। যদিও, সমীক্ষা বলছে, মোট জনসংখ্যার মাত্র এক শতাংশের চিনাবাদামে অ্যালার্জি রয়েছে।
৪. চিংড়ি থেকে সাবধান: বড় বড় চিংড়ি দেখে অনেকে লোভ সামলাতে পারেন না। কিন্তু, নিয়মিত না-খাওয়াই শরীরের জন্য মঙ্গল। কারণ এতে মার্কারি বিষক্রিয়ার আশঙ্কা থেকে যায়। বিশেষত, যাদের অ্যালার্জি রয়েছে, এ ধরনের ‘শেলফিশ’ এড়িয়ে যাওয়াই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। নইলে চুলকানি, ফোলা, আমবাতের মতো সমস্যায় ভুগতে হবে। পেটেব্যথাও হতে পারে। আর 'অ্যানাফাইল্যাকটিক শক' হলে তো কথাই নেই। দ্রুত চিকিৎসা না-করালে মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
৫. কাঁচা দুধে চুমুক নয়: বিজ্ঞাপণে ভুললেন কি মরলেন। বাজারে ছাড়ার আগে পাস্তুরায়ন করা হয়েছে, ঠিক আছে। আপনি দুধের প্যাকেট বাড়িতে এনে, নিজের সাবধানতারজন্য না-ফুটিয়ে খাবেন না কখনোই। এমনকী গোয়ালার কাছ থেকে যে দুধ তাজা মনে করে নিচ্ছেন, তাও ভালো করে ফুটিয়ে নিতে হবে। কারণ দুধের মধ্যে সলমোনেল্লা, ই-কোলাই, লিস্টেরিয়ার মতো মারণ ব্যাক্টেরিয়া রয়েছে। উচ্চ তাপমাত্রায় ভালো করে কয়েক বার না ফোটালে, দুধ থেকে ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়। ইন্টারনেট।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ