শুক্রবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ভাইরাল হেপাটাইটিসে করণীয়

সাধারণত একিউট ভাইরাল হেপাটাইটিস রোগের লক্ষণ থেকেই রোগ নির্ণয় করা যায়। একিউট হেপাটাইটিস ও ক্রনিক হেপাটাইটিস উভয় ক্ষেত্রেই রক্তের Serum bilirubin, Alanine aminotransferase (ALT), Aspartate aminotransferase (AST) I Prothrombine time (PT) পরীক্ষাগুলো করে লিভার প্রদাহের মাত্রা নিরূপণ করা হয়। Reaction তথা PCR পদ্ধতি আবিষ্কারের পর হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’ ভাইরাসের কার্যবিধি পর্যবেক্ষণ করা সহজ হয়ে গিয়েছে। এ পদ্ধতিতে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের ডিএনএ এবং হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের আরএনএ পরিমাপ করা হয় যা দিয়ে সহজেই বোঝা যায় যে, লিভারে ভাইরাস বংশবৃদ্ধির কোন পর্যায়ে আছে। বাংলাদেশে এখন উপরোক্ত সবগুলো পরীক্ষাই করা যাচ্ছে যা আমাদের জন্য হেপাটাইটিস চিকিৎসার মাইলফলক।
বঙ্গবন্ধু শেক মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শুরু করে বড় বড় প্রাইভেট হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারগুলোতে হেপাটাইটিস ‘বি’ এবং ‘সি’-এর মার্কার এবং লিভার প্রদাহের মার্কারগুলো ৬০০০ টাকা থেকে ১২০০০ টাকার মধ্যে করা যাচ্ছে। এর মধ্যে এইচবিভি ডিএনএ এবং এইচসিভি আরএনএ পরীক্ষা দু’টোর খরব একটু বেশি। শরীরে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের উপস্থিতি নির্ণয় করার জন্য রক্তে এইচবিএসএজি পরীক্ষাটি করা হয়। আমাদের দেশের প্রতিটি উপজেলায় এই পরীক্ষাটি করা যায়। খরচও ৫০০ থেকে ১২০০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে হেপাটাইটিস ‘এ’, ‘ই’ এবং ‘সি’-এর উপস্থিতি নির্ণয় করার পরীক্ষা যথাক্রমে Anti HAV IgM, Anti HEV Igm এবং Anti HCV Igm প্রায় প্রতিটি জেলা শহরেই কম খরচে করা যাচ্ছে।
হেপাটাইটিসের চিকিৎসা এবং বাংলাদেশের অবস্থা-
আমরা ইতোমধ্যে জেনেছি, হেপাটাইটিস ‘এ’ এবং হেপাটাইটিস ‘ই’ ভাইরাস জনিত লিভার প্রদাহ বিশ্রামে থাকলে বেশীর ভাগ ক্ষেত্রে একা একাই সেরে যেতে পারে। তবে, কোন কোন সময় প্রদাহের তীব্রতা বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি থেকে সাপোর্টিভ চিকিৎসা নেয়া লাগতে পারে। সেক্ষেত্রে, বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শে থেকে চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন হয়।
হেপাটাইটিস ‘বি’ ও ‘সি’ ভাইরাস জনিত দীর্ঘমেয়াদী লিভার রোগের চিকিৎসায় চিকিৎসাবিজ্ঞান প্রভূত উন্নতি সাধন করেছে। বিশ্বায়নের কল্যাণে এবং বাংলাদেশের চিকিৎসা ব্যবস্থার উত্তরোত্তর উন্নতি হওয়ায় বাংলাদেশে বসেই এই চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ তৈরি হয়েছে।
হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের চিকিৎসা-
হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের চিকিৎসা নির্ভর করে মানব লিভারে ‘বি’ ভাইরাসে দশার ওপর। আমরা আগেই জেনেছি, হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস লিভারের কোষে সুপ্ত অবস্থায় বহুদিন অবস্থান করতে পারে। এছাড়া, বংশবৃদ্ধি করতে থাকলে উক্ত ভাইরারেস বিপরীতে ইনফ্ল্যামেশন হয়। ফলে লিভার কোষের ক্ষতি সাধন হয় এবং ধীরে ধীরে তা লিভার সিরোসিস-এর দিকে ধাবিত হয়। হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস লিভার কোষে সুপ্তাবস্থায় থাকলে শুধু মাত্র এইচবিএস এজি নামক মার্কারটি রক্তে পাওয়া যায় (অর্থাৎ এইচবিএস এজি পজিটিভ পাওয়া যায়)। এই অবস্থাকে হেপাটাইটিস ‘বি’ ক্যারিয়ার দশা বলে। ক্যারিয়ার দশায় কোন শারীরিক সমস্যা হয় না এবং একজন স্বাভাবিক মানুষের মতই জীবন যাপন করা যায়। তবে, এ অবস্থায় কমপক্ষে ছয় মাস অন্তর অন্তর লিভার বিশেষজ্ঞের পরামর্শে থেকে হেপাটাইটিসের দশা পরীক্ষা করে নিতে হয়। কেননা ‘বি’ ভাইরাস যে কোন সময় সুপ্তাবস্থা থেকে বংশবৃদ্ধি শুরু করতে পারে।
বংশবৃদ্ধিরত অবস্থায় দীর্ঘদিন যাবৎ লিভার প্রদাহ হতে থাকে। এ অবস্থাকে দীর্ঘ মেয়াদী লিভার প্রদাহ তথা ক্রনিক হেপাটাইটিস বলা হয়। ক্রনিক হেপাটাইটিস অবস্থা থেকে চিকিৎসা গ্রহণ শুরু করতে হয়। এ অবস্থায় চিকিৎসা গ্রহণ না করলে সিরোসিস হওয়ার আশঙ্কা বেড়ে যায়। ক্রনিক হেপাটাইটিস ও সিরোসিসের প্রাথমিক অবস্থার চিকিৎসা একই রকম। এই অবস্থায় হেপাটাইটিস ‘বি’-এর বংশবৃদ্ধির রোধের জন্য বিভিন্ন ওষুধ প্রয়োগ করতে হয়। হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের চিকিৎসায় প্রথম আবিষ্কার হয় ইন্টাফেরন নামক ইঞ্জেকশন। আমরা আগেই জেনেছি, ভাইরাস নামব লিভারে প্রবেশের পর শারীরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার প্রথম অস্ত্র হিসেবে ইন্টারফেরন নিঃসৃত হয়। ইন্টারফেরন শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে ক্রিয়াশীল করার মাধ্যমে ভাইরাসকে বিতারিত করতে চেষ্টা করে। হেপাটাইটিস ‘বি’ এর চিকিৎসা প্রথম শুরু হয় জিন প্রযুক্তির মাধ্যমে ইন্টারফেরন তৈরির মধ্য দিয়ে। ১৯৯৯ সালের দিকে এটি প্রথম আমেরিকার এফডিএ (ফুড এন্ড ড্রাগ এ্যাডমিনেস্টেশন) কর্তৃক বাজারজাত করণে স্বীকৃতি পায়। তখন থেকেই এটি বাংলাদেশেও ব্যবহূত হয়ে আসছে। সপ্তাহে তিনটি করে ২৪ সপ্তাহে ৭২টি ইঞ্জেকশন চামড়ার নিচে পুশ করতে হয়। তবে, পরবর্তীতে ইন্টারফেরনের গঠনে হালকা পরিবর্তন করে পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন-টু আলফা ও পেগাইলেটেড ইন্টারফেরন-টু-বিটা নামক ইন্টারফেরন আবিষ্কার করা হয়। এগুলো শরীরে অধিক সময় ক্রিয়াশীল থাকে বলে প্রাথমিকভাবে সপ্তাহে একটি করে সর্বমোট চব্বিশটি ইঞ্জেকশন পুশ করলেই হয়। বাংলাদেশে প্রথমে শুধু বাহির থেকে আমদানিকৃত ইন্টারফেরন পাওয়া যেত। ফলে চিকিৎসার মোট খরচ চার থেকে পাঁচ লক্ষ টাকার মত পড়ে যেত। এখন, বাংলাদেশেও কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান ইন্টারফেরন ও পেগিন্টারফেরন তৈরি ও বাজারজাত করছে। ফলে খরচ কমে দুই থেকে আড়াই লাখে নেমে এসেছে। তারপরও এই চিকিৎসা ব্যয় বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের সাধ্যের অনুকূল নয়। তবে আশার বিষয় হচ্ছে ক্রনিক হেপাটাইটিস ‘বি’ এর চিকিৎসায় মুখে খাওয়ার ওষুধও আবিষ্কার হয়েছে। এখন পর্যন্ত পাঁচটি ওষুধ বাজারে পাওয়া যায় এবং এর সবগুলোই দেশের ভেতরেই প্রস্তুত হচ্ছে।
বাংলাদেশের মেডিকেলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ বঙ্গবন্ধু শেক মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়-এ হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের চিকিৎসায় ‘ইমিউন থেরাপী’ নিয়ে গবেষণা হচ্ছে। ‘ইমিউন থেরাপী’ শুরু করা গেলে হেপাটাইটিস ‘বি’ চিকিৎসায় আরও সফলতা আসবে এবং খরচও কমে আসবে।
কোন রোগী যদি লিভার বিশেষজ্ঞের কাছে এমন পর্যায়ে আসে যে, তার লিভার হেপাটাইটিস ‘বি’ জনিত সিরোসিসের শেষ পর্যায়ে তথা ডিকমপেনসেটেড সিরোসিস পর্যায়ে পৌঁছে গেছে, সেক্ষেত্রে রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি রেখে চিকিৎসা করতে হয়। ডিকমপেনসেটেড সিরোসিস এবং লিভার ক্যান্সার হলে মূল চিকিৎসা হল লিভার টান্সপ্ল্যান্টেশন তথা লিভার প্রতিস্থাপন। বাংলাদেশে ‘লিভার প্রতিস্থান’ এখন পর্যন্ত সফলভাবে করা যায়নি। তবে, এটিকে সফল ও সহজলভ্য করার জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা চালানো হচ্ছে।
হেপাটাইটিস ‘সি’ভাইরাসের চিকিৎসা: হেপাটাইটিস ‘বি’ভাইরাসের মত হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের কোন সুপ্ত দশা নেই। এটি লিভারে থাকার অর্থই হলো লিভারে দীর্ঘ মেয়াদি প্রদাহ তথা ক্রনিক হেপাটাইটিস হচ্ছে। ফলে, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকগণ রক্তে হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের মার্কার এএনটিআই এইচসিভি এবি পেলে ‘সি’ ভাইরাসের আরএনএ পরীক্ষা করে দেখেন এবং চিকিৎসা শুরু করেন। শুরুতে, হেপাটাইটিস ‘সি’ ভাইরাসের চিকিৎসায় হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের ন্যায় ইন্টারফেরন এবং রিবাভিরিন নামক এন্টিভাইরাল ওষুধ ব্যবহার করা হত। এই ওষুধ ব্যবহারে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বেশি এবং খরচও বেশী পড়ে।
২০১৫ সাল থেকে অনেকগুলো নতুন এন্টিভাইরাল ওষুধ বাজারজাত হওয়ার অনুমতি পেয়েছে। যেগুলো মুখে সেবন করা যায় এবং যার সাফল্যের হার প্রায় ৯০ শতাংশ এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া কম। এই ওষুধগুলোকে বলা হয় ডাইরেক্ট এক্টিং এন্টিভাইরাল বা ডিএএ। ইতোমধ্যে অনেকগুলো ডাইরেক্ট এক্টিং এন্টিভাইরাল বাজারজাত হয়েছে। যার মধ্যে, সফসবুভির, ডাক্লাটাসভির এবং লেডিপাসভির ওষুধত্রয় বাংলাদেশেই তৈরি হচ্চে। ‘সি’ ভাইরাসের চিকিৎসায় ইন্টারফেরন প্রয়োগ করলেও প্রায় ৪৮ সপ্তাহ চিকিৎসা নেয়ার প্রয়োজন পড়ত। কিন্তু নতুন সেবনযোগ্য ওষুধগুলো ২৪ সপ্তাহ ব্যবহারেই যথেষ্ট সফলতা পাওয়া যাচ্ছে।
হেপাটাইটিস প্রতিরোধ
হেপাটাইটিস প্রতিরোধের মূল উপায় হলো হেপাটাইটিস ছড়ায় এমন সব কর্মকান্ড ও বিষয়গুলো ব্যবহার থেকে বিরত থাকা। এছাড়া, হেপাটাইটিস ভাইরাসগুলোর মধ্যে শুধু ‘বি’ ভাইরাসে টিকা পাওয়া যায়। যথাযথ নিয়মে টিকা প্রহণ করলে ‘বি’ ভাইরাস থেকে পূর্ণ প্রতিরক্ষা পাওয়া সম্ভব। বাংলাদেশের এক্সপেনডেট প্রোগ্রাম ওন ইম্যুনাইজেশন তথা ইপিআইতে ২০০৩ সাল থেকে হেপাটাইটিস ‘বি’ এর টিকাকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। যা বাংলাদেশে হেপাটাইটিস চিকিৎসার একটি মাইলফলক হিসাবে কাজ করছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে ডাব্লিউএইচও নির্ধারিত স্ট্র্যাটেজির আলোকে আমাদের দেশেও ভাইরাল হেপাটাইটিসের চিকিৎসায় কিছু স্ট্রাটেজি গ্রহণ করা দরকার। উক্ত স্ট্র্যাটেজিতে যেই বিষয়গুলোকে মূল ফোকাস হিসেবে রাখতে হবে সেগুলো হল: যক্ষ্মা, কলেরা প্রভৃতি রোগের মত ভাইরাল হেপাটাইটিসকেও অন্যতম জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসেবে বিবেচনা এবং এ বিষয়ে বিভিন্ন সেমিনার, সিম্পোজিয়াম, লেখালেখীর মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করে তোলা। প্রতিটি জেলা সদরে ভাইরাল হেপাটাইটিস রোগ নির্ণয়ের জন্য সরকারী পর্যায়ে প্রয়োজনীয় কার্যকরী পরীক্ষা-নিরীক্ষার ব্যবস্থা করা যা মানুষের আয়সীমার মধ্যে থাকবে, যেমন-হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাস নির্ণয়ের জন্য এলাইজা মেথডে হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের সারফেস এন্টিজেন (এইচবিএস এজি) পরীক্ষা; প্রতিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে লিভার রোগের বিশেষায়িত বিভাগ খোলা এবং এর জন্য প্রয়োজনীয় পদ সৃষ্টি করার মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের অবস্থান নিশ্চিত করা; লিভার রোগের চিকিৎসায় ব্যবহূত ওষুধগুলোর গুণগত মান নিশ্চিত রাখা এবং সকল শ্রেণীর মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনার চেষ্টা করা এবং হেপাটাইটিস প্রতিরোধকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিম্নোক্ত পদক্ষেপ গ্রহণ করা, যেমন- জনসচেতনতা তৈরি, হেপাটাইটিস ‘এ’ ও ‘ই’ প্রতিরোধে বিশুদ্ধ পানি ও খাবারের নিশ্চয়তা প্রদান, যে বিশাল সংখ্যক জনগোষ্ঠী এখনও হেপাটাইটিস ‘বি’ ভাইরাসের টিকা নেয়নি তাদেরকে টিকা দেয়ার পদক্ষেপ হিসেবে প্রাথমিকভাবে যারা বেশি ঝুঁকিপূর্ণ যেমন-স্বাস্থ্যসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক, সেবিকা ও হেলথ টেকনিসিয়ানদের টিকা দেয়া নিশ্চিত করা এবং ২০০৩ সালের পূর্বে জন্মগ্রহণকারী শিশুদের টিকার আওতায় আনার জন্য স্কুলের সেকেন্ডারী লেভেল থেকে শুরু করে ইউনিভার্সিটি পর্যন্ত হেপাটাইটিস ‘বি’ স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম আয়োজন করার মাধ্যমে যাদের শরীরে হেপাটাইটিস ‘বি’ নেই এবং ‘বি’ ভাইরাসের বিপরীতে এন্টিবডিও নেই তাদের ‘বি’ ভাইরাসের টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করা এবং এজন্য প্রয়োজনে বিভিন্ন এনজিও-এর সহযোগিতা নেয়া। ভাইরাল হেপাটাইটিসের বিরুদ্ধে চলমান লড়াইয়ে বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে বাংলাদেশও এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ সরকার ও বেসরকারী চিকিৎসা সেবা প্রতিষ্ঠানগুলো একত্রে এই চেষ্টাকে আরও বেশী অগ্রসর করে নিলে আশা করা যায়, অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশ থেকেও ভাইরাল হেপাটাইটিসকে মানুষের জন্য স্বাস্থ্য ঝুঁকি হিসেবে অপনোদন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা রাখি।
-অধ্যাপক মবিন খান
পরিচালক, দি লিভার সেন্টার, ঢাকা, বাংলাদেশ
মির্জা গোলাম হাফিজ রোড, বাড়ী নং-৬৪, রোড নং-৮/এ, ধানমন্ডি, ঢাকা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ