বৃহস্পতিবার ১৩ আগস্ট ২০২০
Online Edition

কুষ্টিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে

কুষ্টিয়া সংবাদদাতা: কুষ্টিয়ায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। শতর্বষ পূর্বে গড়ে ওঠা ঝুঁকিপূর্ণ প্রাচীন এসব ভবনে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে দীর্ঘদিন মানুষ বসবাস করে আসছে।
জেলা গণপূর্ত অধিদপ্তরের দেয়া তথ্যানুযায়ী, কুষ্টিয়া শহরে প্রায় ৫২টি ঝুঁকিপূর্ণ ভবন রয়েছে।
কুষ্টিয়া শহরের মিলপাড়া, আড়ুয়াপাড়া, বড়বাজার ও থানাপাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জরাজীর্ণ এসব ভবনে যে কোনো মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশংকা রয়েছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভবনগুলোর ছাদ ধসে পড়ছে। ফাটল দেখা দিয়েছে, সিলিং জুড়ে আগাছা জন্মেছে, কোথাও কোথাও  আস্তরণ খসে ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে।
বসবাসের অনুপযোগী এ সকল ভবনে মৃত্যুর ঝুঁকি নিয়ে সংগঠনের অফিস, কোথাও বাসভবন কিংবা নিচতলায় বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে। শহরের আমলাপাড়ার উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর ভবনটি মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তার পরেও এখানে কমিউনিস্ট পার্টির অফিস, আমলাপাড়া স্পোর্টিং ক্লাব, উদীচী শিল্পী গোষ্ঠীর অফিস হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। প্রতিদিন এই ভবনে শত শত লোক যাতায়াত করে।
শহরের ২৮ মেছুয়া বাজারের তিনতলা বিশিষ্ট পিয়ার খাঁন আব্দুস সাত্তারের পরিত্যক্ত বাড়িটির একেবারে ভগ্নদশা।
কুষ্টিয়া হার্ডওয়্যারের মালিক মজনুর রহমান জানান, আমরা মৃত্যু ঝুঁকি মাথায় নিয়ে এই ভবনের নিচতলায় ব্যবসা পরিচালনা করে যাচ্ছি। শহরের ৪৬ লক্ষ্মীচাঁদ আগওয়ালা স্ট্রিট বড়বাজার এলাকার সদর পুলিশ ফাঁড়ি যেখানে রয়েছে সেই কুম্ভু মাঝি বিবির পরিত্যক্ত বাড়িটি খুবই জরাজীর্ণ।
শহরের থানাপাড়া এলাকায় ২৬/১ আর এন সরকার রোডে অবস্থিত নেছার আহম্মেদের পরিত্যক্ত বাড়িটি বিপর্যস্ত অবস্থায় রয়েছে। শহরের আড়ুয়াপাড়া এলাকার পিসি রায় রোডের কসাইয়ের পরিত্যক্ত বাড়িটির একই অবস্থা।
এ ছাড়া শহরের মিলপাড়া এলাকার কুষ্টিয়া বড় স্টেশনের পার্শ্ববর্তী মহিদ পোল্ট্রি ফিডের পুরানো ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ। জেলার এ সকল ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে নতুন করে নির্মাণ করা জরুরি।
কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক জহির রায়হান বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ ভবনগুলো ভেঙে ফেলার জন্য নোটিশ প্রদান করা হয়েছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ