রবিবার ০৯ আগস্ট ২০২০
Online Edition

তিন একর জমি খনন না করেই প্রকল্প শেষ

খুলনা অফিস: গত ১৫ নবেম্বর বেশ ঢাকঢোল পিটিয়ে ক্ষুদে খালের অবৈধ দখল উচ্ছেদে নামে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি)। কিছু দখলদারকে উচ্ছেদের পর খালের প্রকৃত সীমানা নির্ধারণে কেসিসি, জেলা প্রশাসন ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা ত্রি-পক্ষীয় জরিপ চালান। লাল নিশান দিয়ে সীমানা চিহ্নিত করার পর দেখা যায়, খালের প্রায় ৩ একর জায়গা ভরাট করে অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে।
স্থানীয়রা জানান, দখল করা জমি খননের মাধ্যমে খালের প্রকৃত চেহারা ফিরিয়ে আনতে মেয়রের কাছে দাবি জানিয়েছেন তারা। কিন্তু গত ১২ দিনেও সেই খনন কাজ শুরু হয়নি। উল্টো প্রকল্পের কাজ শেষ হয়ে যাচ্ছে বলে তারা জানতে পেরেছেন।
এদিকে প্রকল্প কার্যালয়ে খোঁজ নিয়ে স্থানীয়দের এই আশংকার সত্যতা পাওয়া গেছে। জানা গেছে, উদ্ধার হওয়া এই তিন একর জমি খনন না করেই ক্ষুদে খাল খনন প্রকল্প শেষ করতে যাচ্ছে প্রকল্পের কর্মকর্তারা। এতে উদ্ধার হওয়া জমি ফের বেদখল হওয়ার সঙ্গে জলাবদ্ধতা আরও বাড়ার আশংকা করছেন স্থানীয়দের। চলমান কাজের সঙ্গে এসব জমিও খননের দাবি উঠলেও কেসিসি’র কর্মকর্তারা বিষয়টি নিয়ে নীরব।
কেসিসি সূত্র জানায়, খুলনা নগরীর বয়রা শ্মশান ঘাট সেতু বিভক্ত করেছে ময়ূর নদ ও ক্ষুদে খালকে। নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসা ১৭টি ড্রেনের পানি ক্ষুদে খাল ও ময়ূর নদীতে পড়ে। দীর্ঘদিন ধরে খননের অভাবে খাল দু’টি ভরাট হয়ে যায়। খুলনা মহানগরীকে জলাবদ্ধতামুক্ত রাখতে নগর অঞ্চল উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ক্ষুদে খাল খননের উদ্যোগ নেয়া হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ