সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

দ্বিতীয় তিস্তা সেতুর কাজের অগ্রগতি নেই

মোঃ লাভলু শেখ, লালমনিরহাট: কাজের অগ্রগতি নেই। লালমনিরহাটের কালীগঞ্জের মহিপুর এলাকায় অবস্থিত স্বপনের দ্বিতীয় তিস্তা সড়ক সেতুর নির্মাণ কাজ নিধারিত সময় শেষে আরো ২ দফা সময় বাড়ানো হলেও তাতেও কাজ শেষ করতে পারেনি সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান। 

হতাশ ও ক্ষুব্ধ এ অঞ্চলের মানুষ, তবে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান দাবী করছেন ৭০শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এ বছরেই বাকি কাজ শেষ হবে। 

স্থানীয় সরকার ও প্রকৌশলী অধিদপ্তর (এলজিইডি লালমনিরহাট) সূত্রে জানা যায় ২০১২ সালের ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ সেতুর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন করেছিলেন। 

২০১৪ সালের জুনে সেতুর কাজ শেষ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু তা না হওয়ায় ২০১৫ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়। এতেও কাজ শেষ না হওয়ায় দ্বিতীয় তফায় চলতি বছরের জুন পর্যন্ত সময় বাড়ানো হয়েছিল। 

সেতুর ১৬টি পিলারের উপর ৮৫টি গার্ডারের মধ্যে ৪০টি স্থাপন করা হয়েছে। 

১৭টি স্প্যানের মধ্যে বসানো হয়েছে ৬টি। এসব কাজ শেষ হওয়ার পর সেতুর ২দিকে রেলিং নির্মাণ করতে হবে। 

অন্যদিকে সেতুর উত্তরদিকে সংযোগ সড়ক নির্মাণ হলেও দক্ষিণ দিকে এখনো সংযোগ সড়কের কাজ শুরু করা হয়নি। এক প্রকৌশলী জানান সেতুর এখনো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে। চলতি বছরেরও কাজ শেষ করা নিয়ে সংশয় রয়েছে। 

লালমনিরহাটের বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে উত্তর অঞ্চলের ব্যবসা-বাণিজ্য পরিচালিত হয়। ওই বন্দর দিয়ে ভারত থেকে পাথর, ফল, কয়লা ও বালুসহ আরো অনেক পণ্য আমদানী হয়ে আসে। 

সেই সঙ্গে বাংলাদেশ থেকে রপ্তানি হয়ে যায় জুস ও বিস্কুটসহ আরো কিছু ভোগ্য পণ্য। 

এছাড়া ভারতের দার্জিলিংসহ আরো কিছু দর্শনীয় স্থানে যাওয়ার জন্যও বুড়িমারী স্থলবন্দর হয়ে যেতে হয়। 

রংপুর থেকে লালমনিরহাট শহর হয়ে অনেকটা পথ ঘুরতে হয়। কিন্তু সেতুটি নির্মাণ হলে রংপুর থেকে সড়ক পথে অতি সহজে আসা ও বুড়িমারী যেতে ৫০ কিলোমিটার পথ কমবে বলে সূত্র জানায়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ