সোমবার ১৭ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

লালুর সঙ্গে দেখা করলেন মমতা

৩০ নবেম্বর : আরজেডির বিধায়ক দলের বৈঠক সমাপ্ত হওয়ার পর সুপ্রিমো লালু প্রসাদ যাদব কিছু লোকেদের সঙ্গে কথা বলেছিলেন। কথা শেষ করার পর তিনি বেরিয়ে যাচ্ছিলেন। সেই সময় এক কর্মচারী এসে তাকে বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যনার্জী আসছেন। সেই সময় ঘড়িতে বেজেছিল রাত ৯টা। লালু সঙ্গে সঙ্গে একজন কর্মচারীকে ডেক বলেন ফুলের তোড়া আনতে। ঘড়িতে তখন ৯:১৫। সাদা স্করপিওতে পৌঁছালেন মমতা ব্যানার্জী। রাবড়ি দেবি এবং উপ মুখ্যমন্ত্রি তেজস্বি প্রসাদ যাদব তাকে রিসিভ করলেন। এরপর তাকে লালু প্রসাদ যেদিকে ছিলেন সেদিকে নিয়ে আসা হয়। লালুকে দেখেই মমতা বলেন, লালুজি শুনেছি আপনি অসুস্থ। আপনাকে দেখতে এলাম। এটা হতে পারে যে আমি পাটনাতে এলাম কিন্তু আপনার সঙ্গে দেখা না করে চলে গেলাম? মমতা ব্যানার্জী বলেন, ছঠ পুজোতেই আমি লালুজিকে ফোন করেছিলাম। সেই সময় জেনেছিলাম তিনি অসুস্থ। আমির ছঠের সময় ঘাটে থাকি। লালুজি তো আমাদের সিনিয়র তাই চিন্তা একটা থেকেই যায়। এরপর তেজস্বি তার সামনে এসে গেলে তিনি জানতে চান কেমন আছ? কাজ কেমন চলছে? ভালোভাবে থাকবে।
নোট বাতিল নিয়ে তিনি বলেন, আমার কোনো ব্যক্তির সঙ্গে কোনো বোঝাপড়া নেই। নোট বন্ধের জন্য বিহারের যে সমস্ত লোক পশ্চিমবঙ্গের জুটমিল এবং চা বাগানে কাজ করেন, তাঁরা বাড়ি ফিরে আসছেন। পশ্চিমবঙ্গের যারা মুম্বইয়ে কাজ করেন তারাও ফিরে আসছেন। রাবড়ি দেবি নিজের বাড়িতে যখন ফেরার উদ্যোগী হচ্ছিলেন সেই সময় তিনি রাবড়ি দেবিকে কাছে টেনে নেন এবং বলেন শুনুন একটি মজার কথা, “লালুজি একবার পার্লামেন্টে ভাষণ দিচ্ছিলেন। সেই সময় তিনি বলেছিলেন, আলুর দাম বেড়েছে, পিঁয়াজের দাম বেড়েছে। আমি সেই সময় মজা করে তাকে জানতে চেয়েছিলাম, রাবড়ির দাম কতটা বেড়েছে? তিনি উত্তরে বলেছিলেন, সবথেকে বেশি।” ফেরার সময় তিনি বলেন, যতক্ষণ না কালোটাকা ফিরৎ আসছে ততক্ষণ আমি লড়ে যাব। নোট বাতিল নিয়ে তিনি পাটনায় ধর্ণা দিতে গিয়েছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ