বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

প্রকাশিত রিপোর্টটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও জামায়াত আমীরের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রেরই অংশ -ফেনী জেলা আমীর

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ফেনী জেলা আমীর এ.কে.এম শামসুদ্দিন গত ১৮ নবেম্বর অনলাইন পত্রিকা বাংলা ট্রিবিউন এবং গত ১৯ নবেম্বর দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমীর মকবুল আহমাদ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের কথিত ডিউটি অফিসার মো: ফজলুল হকের নিকট ১৯৭১ সালের ১০ আগস্ট ইংরেজি ভাষায় একটি চিঠি লিখেছেন মর্মে যে সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এক বিবৃতি দিয়েছেন।
বিবৃতিতে তিনি বলেন, বাংলা ট্রিবিউন ও দৈনিক যুগান্তরে প্রকাশিত ইংরেজিতে লিখিত চিঠি ও এ চিঠিতে প্রদত্ত স্বাক্ষর মকবুল আহমাদের নয়। তখন জামায়াতে ইসলামীর মহকুমা বা সাবডিভিশনের প্রধানকে আমীর বলা হতো না; তখন পদটির নাম ছিল নাজেম। অথচ মকবুল আহমাদের নামে লিখিত চিঠিতে তাঁকে ফেনী মহকুমার আমীর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তাছাড়া জনাব মকবুল আহমাদ ফেনী মহকুমার কোন দায়িত্বপূর্ণ পদেও ছিলেন না, নাজেম ছিলেন অন্য এক স্থানীয় ব্যক্তি। শুধু তা নয়, জনাব মকবুল আহমাদ তাঁর নামের বানান ইংরেজিতে যেভাবে লিখে থাকেন উল্লিখিত পত্রে লিখিত নামের বানানের সাথে তার মিল নেই।
তিনি আরও বলেন, ব্যাপক গোলাগুলীর কারণে ১৯৭১ সালের ২৫ মে চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রটি কোলকাতায় স্থানান্তরিত হয় এবং যুদ্ধ শেষ না হওয়া পর্যন্ত তা সেখানেই থাকে। কাজেই আগস্ট মাসে ফজলুল হকের চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের ডিউটি অফিসার হিসেবে থাকার প্রশ্নটিও অবান্তর। তাছাড়া জনাব মকবুল আহমাদ চট্টগ্রাম বেতার কেন্দ্রের ডিউটি অফিসারের কাছে চিঠি লিখতে যাবেন কেন? চট্টগ্রামে কি জামায়াতে ইসলামীর  কোন দায়িত্বশীল ব্যক্তি ছিলেন না? এখানেই শেষ নয়, পত্রিকায় প্রকাশিত রিপোর্টে জনাব মকবুল আহমাদকে তৎকালিন শান্তি কমিটির প্রধান সংগঠক বলে উল্লেখ করা হয়েছে যা আদৌ সত্য নয়। জনাব মকবুল আহমাদ শান্তি কমিটির কেউ ছিলেন না। তিনি তখন ফেনী শহরের স্বনামধন্য একটি হাইস্কুলের সিনিয়র শিক্ষক ছিলেন। তখন শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন মৃত খায়েজ আহমদ ভূঁইয়া এবং সেক্রেটারি ছিলেন মৃত এডভোকেট মকবুল আহমদ।
মোট কথা, পত্রিকায় ছাপানো রিপোর্ট এবং চিঠিটির আগাগোড়া বানোয়াট, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত এবং জামায়াতে ইসলামীর নব নির্বাচিত আমীর, ফেনী জেলার কৃতি সন্তান জনাব মকবুল আহমাদের বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্রেরই অংশ। যে মহলটি জামায়াতে ইসলামীর জনপ্রিয়তায় ভীত হয়ে জামায়াতকে বিতর্কিত ও নেতৃত্বশূন্য করতে চায়, উক্ত চিঠিটি তাদেরই উর্বর মস্তিষ্কের ফসল।
তিনি প্রকাশিত সংবাদের তীব্র নিন্দা জানিয়ে এ ধরণের মিথ্যা সংবাদ পরিবেশন থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ