সোমবার ১০ আগস্ট ২০২০
Online Edition

ভারতকে সাবধান করল পাক সশস্ত্র বাহিনী

২৫ নবেম্বর, ডন/ফক্স নিউজ : পাকিস্তান নিয়ন্ত্রিত কাশ্মীরে যাত্রীবাহী বাসে ভারতীয় গোলায় হতাহতের ঘটনায় দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা চরমে উঠেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে দেশের সার্বভৌমত্ব ও জনগণের নিরাপত্তা বজায় রাখতে ভারতকে যোগ্য জবাব দেয়ার হুশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন পাকিস্তান সেনাপ্রধান জেনারেল রাহীল শরীফ।
পাশাপাশি বিমান ও নৌ বাহিনীর প্রধানও ভারতের যেকোনো আগ্রাসনের যোগ্য জবাব দিতে তাদের বাহিনীরা প্রস্তুত রয়েছে বলে জানিয়েছেন। খবর দ্য ডন অনলাইন ও ফক্স নিউজের।
বৃহস্পতিবার পাকিস্তানের বিমান বাহিনীর প্রধান মার্শাল সোহেল আরমান বলেন, ‘যুদ্ধবিরতির পর থেকে ভারতের সঙ্গে আমাদের যুদ্ধ পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়নি। তবে পূর্ব সীমান্তে তাদের হামলা অব্যাহত থাকলে পাকিস্তানের সেনারা বসে থাকবে না। কারণ আমরা জানি কীভাবে ভারতীয় সেনাদের শায়েস্তা করতে হয়, কোথায় আঘাত করলে তারা ঘায়েল হয়। শত্রুদের যোগ্য জবাবই দেয়া হবে।’
করাচির এক্সপো সেন্টারে ইন্টারন্যাশনাল ডিফেন্স এক্সিভিশন অ্যান্ড সেমিনার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, ‘সহজ করে বলছি, আমরা আসলে ভারতকে নিয়ে ভাবছি না।’
অন্যদিকে পাকিস্তান নৌ বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ জাকাউল্লাহ বলেন, ‘সমুদ্র সীমানায় অতন্দ্র প্রহরী হয়ে পাকিস্তানের নৌ সদস্যরা কাজ করছেন। শত্রুরা যতই চেষ্টা করুক কোনো ক্ষতি তারা করতে পারবে না।’ তিনি আরও বলেন, ‘দেশে চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডরের মতো অনেক বিষয়ই হচ্ছে, যা শত্রুদের পছন্দ হচ্ছে না। তাই তাদের যত সমস্যা সৃষ্টির পায়তারা।’
নৌ বাহিনী প্রধান ভারতের প্রতি হুশিয়ারি দিয়ে বলেন, ‘সাম্প্রতিককালে ভারতীয় হামলার পেছনে যেমন অনেক কারণ আছে, তেমনি তাদের রুখে দেয়ার আমাদের যথেষ্ট শক্তিও আছে। তাদের যেকোনো আগ্রাসনের জবাব ততধিক শক্তি দিয়েই দেয়া হবে।’
এদিকে পাকিস্তান নৌবাহিনী দ্রুতগতির রণতরী কেনার পরিকল্পনা করছে । গোয়াদার বন্দরের নিরাপত্তা  জোরদার করার জন্য   এ রণতরী ব্যবহার করা হতে পারে।  বিশেষ স্কোয়াড্রনের জন্য এসব যুদ্ধজাহাজ চীন এবং তুরস্ক থেকে কেনা হতে পারে।
বন্দর নগরী করাচিতে চলমান প্রতিরক্ষা মেলা ‘আইডিয়াস ২০১৬’ এর অবকাশে এ কথা জানিয়েছেন নাম প্রকাশে
অনিচ্ছুক পাক নৌবাহিনীর এক কর্মকর্তা। তিনি আরো জানান ৪ থেকে ৬টি যুদ্ধজাহাজ নিয়ে একটি স্কোয়াড্রন গঠন করা হবে। তিনি আরো জানান, গোয়াদার বন্দরের নিরাপত্তায় দুইটি রণতরী মোতায়েন করা হয়েছে , এ বন্দর চালু হওয়ায় পাকিস্তান   নৌবাহিনীর কার্যকরি ভূমিকা বেড়েছে। দেশটির নৌবাহিনীতে  দ্রুতগতির রণতরীর প্রয়োজন মনে করায় নতুন যুদ্ধজাহাজ কেনার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। এ ছাড়া, পাকিস্তানের সঙ্গে সমম্বয় করে গোয়াদার বন্দরের নিরাপত্তায় চীনের নৌবাহিনীর জাহাজও মোতায়েন করা হবে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ