শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

হয়রানির শিকার হচ্ছে না নারী কনস্টেবলরা

স্টাফ রিপোর্টার : নারী কনস্টেবলরা কর্মক্ষেত্রে যৌন হয়রানির শিকার হচ্ছে না বলে জানিয়েছে পুলিশ হেড কোয়ার্টার। গতকাল বুধবার এক প্রতিবাদ লিপিতে পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ. কে. এম. কামরুল আহছান এক প্রতিবাদ পত্রে এ কথা জানান। প্রতিবাদ লিপিতে বলা হয়, কমনওয়েলথ হিউম্যান রাইটস ইনিশিয়েটিভের (সিএইচআরআই) জরিপকে উদ্ধৃত করে কর্মক্ষেত্রে ১০ শতাংশ নারী কনস্টবল যৌন হয়রানির শিকার শিরোনামে প্রকাশিত রিপোর্টের প্রতি পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের দৃষ্টি আকৃষ্ট হয়েছে। পুলিশ হেডকোয়ার্টার্স এ জরিপ প্রতিবেদনে বাস্তবতার প্রতিফলন না হওয়ায় এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছে।
সেখানে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী একটি সুশৃঙ্খল বাহিনী। পুলিশে নারীর পদযাত্রা সূচিত হয় ১৯৭৪ সালে। বর্তমানে নারী পুলিশের সংখ্যা ১১ হাজার ৩৮ জন। প্রতিনিয়ত পুলিশে নারীর অংশগ্রহণ বাড়ছে। জেন্ডার সংবেদনশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে পুলিশে নারীবান্ধব কর্ম পরিবেশ রয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এর উন্নয়ন ঘটছে। নারী পুলিশ সদস্যরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনসহ দেশে বিদেশে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় সাফল্যের স্বাক্ষর রাখছেন। জরিপে কর্মক্ষেত্রে নারী পুলিশ যৌন হয়রানির শিকার বলে যে ফলাফল প্রকাশ হয়েছে, তা অসত্য এবং ভিত্তিহীন। বাংলাদেশ পুলিশে কোন নারী পুলিশ সদস্য কর্মস্থলে যৌন হয়রানির শিকার হয়েছেন এমন কোন নজির নেই। এ ধরণের সুনির্দিষ্ট কোন অভিযোগও পাওয়া যায়নি।
নারী পুলিশ সদস্যদের প্রতি কোন নিপীড়ন বা বৈষম্যমূলক আচরণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ পুলিশের অবস্থান জিরো টলারেন্স বলে জানানো হয় প্রতিবাদ লিপিতে। সেখানে বলা হয়, নারী পুলিশ সদস্যরা কর্মক্ষেত্রে তাদের যে কোন অসুবিধার কথা সার্বক্ষণিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করতে পারেন এবং এ ধরণের ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক সহযোগিতা করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া, বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যদের সংগঠন বাংলাদেশ পুলিশ উইমেন নেটওয়ার্ক (বিপিডব্লিউএন) নারী পুলিশ সদস্যদের অধিকার সুরক্ষায় অত্যন্ত সজাগ ও সোচ্চার।
পুলিশ হেড কোয়ার্টার দাবি করে, গবেষণায় পুলিশ বাহিনীতে কর্মরত ১১ হাজারের অধিক নারী পুলিশের মধ্যে মাত্র ২২৭ জনের সাক্ষাৎকারের কথা বলা হলেও তা সঠিক নয়। পুলিশ বিভাগের নারী কর্মকর্তারা এই তথ্য পেয়ে বিস্ময় প্রকাশ করেছে জানিয়ে পুলিশ হেড কোয়ার্টারের পক্ষ থেকে বলা হয়, বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যদের নিয়ে এ ধরণের মনগড়া ও বিভ্রান্তিকর গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশ করা অনভিপ্রেত ও দুঃখজনক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ