মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

ম্যাকাও চায়নার জালে বাংলাদেশের ১৩ গোল

স্পোর্টস রিপোর্টার : এএইচএফ কাপ হকিতে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েই সেমিফাইনালে খেলার যোগ্যতা অর্জন করলো বাংলাদেশ। ‘এ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে দুর্বল প্রতিপক্ষ ম্যাকাও চায়নাকে ১৩-০ গোলের বড় ব্যবধানে হারিয়ে গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে জিমিরা। আশরাফুল ইসলামের হ্যাটট্রিকে প্রথমার্ধে বিজয়ী দল ৬-০ গোলে এগিয়েছিলো। বিজয়ী দলের পক্ষে আশরাফুল ইসলাম পাঁচটি, সারোয়ার হোসেন তিনটি, রোমান সরকার দুটি ও হাসান যুবায়ের নিলয় একটি গোল করেন। গ্রুপ সেরা হতে শেষ ম্যাচে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল ড্র। প্রতিপক্ষ ম্যাকাও হওয়ায় জয়ের লক্ষ্য নিয়ে মাঠে নেমেছিল বাংলাদেশ। দলের তারকা খেলোয়াড়দের বাইরে রেখেই একাদশ সাজিয়েছিলেন জার্মান কোচ অলিভার কার্টজ। পূর্ণশক্তির দল না নামিয়েও বাংলাদেশ ১৩-০ গোলে ম্যাকাওকে হারিয়েছে।
গতকাল বুধবার হংকংয়ের কিংস পার্ক স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত এএইচএফ কাপের গ্রুপের শেষ ম্যাচে দুর্বল ম্যাকাও চায়নাকে পেয়ে একেবারে ছেলে খেলাই করলো বাংলাদেশ। ম্যাচের শুরু থেকেই প্রাধান্য নিয়ে খেলে মাত্র দুই মিনিটেই এগিয়ে যায় লাল-সবুজ দলটি। পেনাল্টি কর্নার থেকে প্রথম গোল করে ডিফেন্ডার আশরাফুল। ১০ মিনিটে আবার পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করে ব্যবধান বাড়ান তিনি। পরের মিনিটেই পেনাল্টি স্ট্রোক পায় বাংলাদেশ। আশরাফুল গোল করে হ্যাটট্রিক পূরণ করেন। ১৯ মিনিটে রোমান সরকারের ফিল্ড গোলে বাংলাদেশ এগিয়ে যায় ৪-০ ব্যবধানে। ২৩ মিনিটে সারওয়ার হোসেনের ফিল্ড গোলে ব্যবধান ৫-০ করে লাল সবুজ জার্সিধারীরা। বিরতির বাঁশি বাজার আগ মুহূর্তে ব্যবধান ৬-০ করেন হাসান জুবায়ের নিলয়।
দ্বিতীয়ার্ধের প্রথম দুই গোলও আসে আশরাফুলের স্টিক থেকে। তিনি ৪০ ও ৫৮ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে গোল করেন। ৬১ মিনিটে সারোয়ার পেনাল্টি কর্নার থেকে নিজের দ্বিতীয় ও দলের নবম গোল করেন। পরের মিনিটে রোমান সরকারের ফিল্ড গোলে ব্যবধান হয় ১০-০।পেনাল্টি কর্নার থেকে সারোয়ার ব্যবধান ১১-০ করেন, ৬৩ মিনিটে। ৬৯ মিনিটে মাইনুল ইসলাম কৌশিকের ফিল্ড গোলে ব্যবধান হয় ১২-০ এবং শেষ মিনিটে পেনাল্টি কর্নার থেকে করা খোরশেদ আলমের গোলে ১৩-০ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে লাল-সবজু জার্সিধারীরা।টুর্নামেন্টে গ্রুপের তিন ম্যাচে বাংলাদেশ ২০ টি গোল করেছে। বিপরীতে হজম করেছে ৪ গোল। যেখানে আশারফুলের গোল সংখ্যা ছয়টি। সারোয়ার হোসেন, রোমান সরকার, মামুনুর রহমান চয়ন এবং রাসেল মাহমুদ জিমির রয়েছে সমান ৩টি গোল।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ