সোমবার ২৪ জানুয়ারি ২০২২
Online Edition

আওয়ামী লীগ কখনই সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ব্যবহার করেনি : প্রধানমন্ত্রী

বাসস : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, তাঁর দল বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ কখনই সশস্ত্র বাহিনীকে ক্ষমতায় যাওয়ার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করেনি, বরং বরাবরই চেয়েছে একে একটি শক্তিশালী, সুশৃংখল এবং মর্যাদাপূর্ণ বাহিনী হিসেবে গড়ে তুলতে।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। সশস্ত্র বাহিনীকে কখনও আমাদের ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করিনি। ...বরং চেয়েছি শান্তি ও নিরাপত্তা স্থাপন করে একে একটি সুন্দর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সশস্ত্র বাহিনী আমাদের জাতির অহংকার।’ 

শেখ হাসিনা গতকাল সোমবার বিকেলে ঢাকা সেনানিবাসের সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে ভাষণে একথা বলেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ যখনই ক্ষমতায় এসেছে সশস্ত্র বাহিনীর উন্নয়নে কাজ করেছে। কারণ আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি। সশস্ত্রবাহিনীকে কখনও আমাদের ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করিনি। ক্ষমতা দখলের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে বারবার ক্যু করে সশস্ত্র বাহিনীর শত শত অফিসার-সৈনিকদের হত্যা করিনি। আমরা চেয়েছি শান্তি ও নিরাপত্তা স্থাপন করে একে একটি সুন্দর সংগঠন হিসেবে গড়ে তুলতে এবং এই সশস্ত্র বাহিনী যেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি সম্পন্ন হয়। শুধু বাংলাদেশের জনগণের নয়, সারা বিশ্বব্যাপী আস্থা-বিশ্বাস যেন অর্জন করতে পারে সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছি। 

সশস্ত্র বাহিনী দিবস উপলক্ষে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ইতিহাসে আজকের এই দিনটি এক বিশেষ গৌরবময় স্থান দখল করে আছে। যুদ্ধের বিজয়কে ত্বরান্বিত করতে ১৯৭১ সালের এই দিনে সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর অকুতোভয় সদস্যরা যৌথভাবে দখলদার বাহিনীর বিরুদ্ধে আক্রমণের সূচনা করে। সর্বস্তরের মুক্তিযোদ্ধা ও মিত্র বাহিনীর সাথে সম্মিলিত বাহিনীর ঐক্যবদ্ধ আক্রমণে পর্যুদস্ত দখলদার বাহিনী আত্মসমর্পণে বাধ্য হয়। যার ফলশ্রুতিতে আমরা অর্জন করেছি স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ। 

শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীনতা যুদ্ধে সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের মহান আত্মত্যাগ ও বীরত্ব গাঁথা জাতি গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে।’

জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, মন্ত্রী পরিষদ সদস্যবৃন্দ, বিরোধীদলীয় নেত্রী বেগম রওশন এরশাদ, সংসদ সদস্যবৃন্দ, তিন বাহিনী প্রধানগণ, সশস্ত্র বাহিনীর সদস্য এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেত্রীবৃন্দ, বেসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দও অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উজ্জীবিত সশস্ত্র বাহিনী আমাদের জাতির অহংকার। আমি তাদের উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করি। আপনারা শৃঙ্খলা ও পেশাগত দক্ষতায় সর্বত্র প্রশংসিত হতে পারেন। দেশের প্রতিরক্ষা ও দেশ গড়ার কাজে অবদান রেখে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর প্রতিটি সদস্য নিজেদের গৌরব সমুন্নত রাখতে পারবেন-এই বিশ্বাস আমার আছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলার মানুষ- কৃষক, শ্রমিক, ছাত্র-শিক্ষক, জনতা এবং আমাদের বিভিন্ন বাহিনীর যারা বাঙালি সদস্য ছিলেন প্রত্যেকেই মুক্তিযদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েন। এরই এক পর্যায়ে একাত্তরের ২১ নভেম্বর আমাদের এই সশস্ত্রবাহিনী প্রতিষ্ঠা করে সর্বাত্মক যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়ে এবং ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ শত্রু মুক্ত হয়।

১৯৭২ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের কারাগার থেকে দেশে ফিরেই বঙ্গবন্ধু জাতি রাষ্ট্র পুনর্গঠনের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীকেও সর্বাধুনিক একটি বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যুদ্ধ বিধ্বস্ত দেশের পুনর্গঠন এই বৃহৎ জনগোষ্ঠীর জন্য অন্ন সংস্থান, এককোটি শরণার্থী এবং ৩ কোটি গৃহহীন এবং সম্ভ্রমহারা মা-বোনদেরকে পুনর্বাসনের মধ্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লক্ষ্য ছিল একটি দক্ষ ও চৌকস সশস্ত্র বাহিনী গড়ে তোলা।’

তিনি বলেন, সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ ও সাংগঠনিক কাঠামোর উন্নতিকল্পে বঙ্গবন্ধু মিলিটারি একাডেমী, কম্বাইন্ড আর্মড স্কুল ও প্রতিটি কোরের জন্য ট্রেনিং স্কুলসহ আরও অনেক সামরিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেছিলেন। 

বঙ্গবন্ধুই নৌবাহিনীকে সুসংগঠিত করার লক্ষ্যে একইসাথে ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর তিনটি ঘাঁটি উদ্বোধন করেন। 

প্রধানমন্ত্রী জাতিগঠনে বর্তমান সময়ে সশস্ত্রবাহিনীর ভূমিকা তুলে ধরতে গিয়ে বলেন, পেশাগত দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি সশস্ত্র বাহিনী দেশের বিভিন্ন স্থানে রাস্তাঘাট ও অবকাঠামো নির্মাণ, আশ্রয়ণ প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা এবং জাটকা নিধন রোধসহ বিভিন্ন জাতি গঠনমূলক ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে বেসামরিক প্রশাসনকে সহায়তা করে চলেছে। এছাড়াও ডিজিটাল বাংলাদেশ গঠনে সশস্ত্র বাহিনী উল্লেখযোগ্য অবদান রেখে চলেছে। এই সকল কল্যাণমুখী ও জনহিতকর কর্মকাণ্ডের জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যদের আমি অভিনন্দন জানাই।

আন্তর্জাতিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষার ক্ষেত্রে আমাদের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যগণ বিশ্ব দরবারে ভূয়সী প্রশংসা অর্জন করেছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদে আমাদের সরকারের জোরালো দাবির প্রেক্ষিতে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন সাইপ্রাসে ফোর্স কমান্ডার, সেন্ট্রাল আফ্রিকা এবং সুদানে ডেপুটি ফোর্স কমান্ডারসহ অন্যান্য মিশনসমূহে জ্যেষ্ঠ নেতৃত্বে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অফিসারগণের পদায়ন ঘটেছে।

প্রধানমন্ত্রী শান্তিরক্ষা বাহিনীতে নিহত সদস্যদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করে বলেন, দায়িত্ব পালনকালে বাংলাদেশের অনেক শান্তিরক্ষী শাহাদৎ বরণ করেছেন। সশস্ত্র বাহিনী দিবসের এই মহান দিনে আমি তাঁদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি। 

 শেখ হাসিনা বলেন, সেনাবাহিনীর সাংগঠনিক কাঠামোতে ব্যাপক পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। পদ্মা সেতুর আনুষঙ্গিক অবকাঠামো নির্মাণ এবং নিরাপত্তার জন্য একটি কম্পোজিট ব্রিগেড গঠন করা হয়েছে। এছাড়া মিঠামইনে একটি রিভারাইন ব্রিগেড প্রতিষ্ঠার কাজও শুরু হয়েছে। অতি শিগগিরই দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে লেবুখালিতে একটি পদাতিক ডিভিশন প্রতিষ্ঠা করা হবে। দেশের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ব্রিগেড পর্যায়ে স্পেশাল ফোর্স গঠনের বিষয়টি সরকারের সক্রিয় বিবেচনাধীন রয়েছে। 

এ বছর স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত নৌবাহিনীর সদস্যদের প্রধানমন্ত্রী অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে নৌবাহিনীতে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক যুদ্ধ জাহাজ, মেরিটাইম হেলিকপ্টার এবং মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফট সংযুক্ত হয়েছে। এর ফলে বাংলাদেশ নৌবাহিনী একটি কার্যকরী ত্রি-মাত্রিক নৌবাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

নৌবাহিনী বহুল আকাক্সিক্ষত সাবমেরিনের ও শিগগিরই কমিশনিং হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিমান বাহিনীর আধুনিকায়ন সম্পর্কে তিনি বলেন, আমাদের সরকার বিমান বাহিনীকে একটি যুগোপযোগী ও দক্ষ বাহিনী হিসেবে গড়ে তোলার জন্য চতুর্থ প্রজন্মের অত্যাধুনিক মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানসহ পরিবহন বিমান এবং উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন আকাশ প্রতিরক্ষা র‌্যাডার সংযোজন করে। সাম্প্রতিককালে আমাদের সরকার বিমান বাহিনীতে যুক্ত করেছে এফ-৭ বিজি যুদ্ধবিমানসহ হেলিকপ্টার ও অত্যাধুনিক আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্র। 

শেখ হাসিনা বলেন, ফোর্সেস গোল-২০৩০ এর আওতায় ইতোমধ্যেই বিমান বাহিনীতে সংযোজিত হয়েছে নতুন নতুন ইউনিট, বৃদ্ধি পেয়েছে জনবল। অনুমোদিত হয়েছে বঙ্গবন্ধু এ্যারোনটিক্যাল সেন্টার এবং পূর্ণাঙ্গ ঘাঁটি হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে বঙ্গবন্ধু ও কক্সবাজার বিমান ঘাঁটি। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিশেষে, সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্য ও তাঁদের পরিবারবর্গের সুখ, শান্তি ও কল্যাণ কামনা করি। আপনারা যেন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি সাধনে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের আদর্শ ও অনুপ্রেরণায় উদ্বুদ্ধ হয়ে সবাই ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করে যেতে পারেন সেই কামনা করি।

পরিচয়পত্র বিতরণ : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বীরত্ব খেতাবপ্রাপ্ত জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে এই প্রথমবারের মতো পরিচয়পত্র বিতরণ করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী গতকাল সোমবার সকালে ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর এক সংবর্ধনায় এই পরিচয়পত্র বিতরণকালে মুক্তিযোদ্ধা ও তাদের উত্তরাধিকারীদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় সবকিছু করতে তাঁর অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি সশস্ত্র বাহিনী দিবস-২০১৬ উপলক্ষে বীরশ্রেষ্ঠগণের উত্তরাধিকার ও খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে একথা বলেন।

সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসার লেফটেন্যান্ট জেনারেল মো. মাহফুজুর রহমান অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তৃতা দেন।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আবু বেলাল মুহাম্মাদ শফিউল হক, নৌবাহিনী প্রধান এ্যাডমিরাল নিজামউদ্দিন আহমেদ ও বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল আবু এসরার এবং উচ্চপদস্থ বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

একই সঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নিয়োজিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর বীরত্ব খেতাবপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের মাঝে পরিচয়পত্র বিতরণ করে তিনি আনন্দিত। এই পরিচয়পত্র ব্যবহার করে তারা রেল, বিআরটিসি বাস ও বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ ট্রান্সপোর্ট কর্পোরেশনের ফেরীতে বিনা ভাড়ায় ভ্রমণের সুযোগ পাবেন।

এর মাধ্যমে তারা বাংলাদেশ বিমানের আন্তর্জাতিক রুটে একবার বিদেশ ভ্রমণ এবং একই এয়ারলাইন্সে জীবনে একবার হজ/ওমরাহ করার সুযোগ পাবেন। তারা বিমানবন্দরে ভিআইপি লাউঞ্জ ও ফেরীতে ভিআইপি কক্ষ ও কেবিন সুবিধা পাবেন। এছাড়া এই পরিচয়পত্রের মাধ্যমে তারা স্বাস্থ্যসেবার সুযোগও পাবেন। 

প্রধানমন্ত্রী অনুষ্ঠানে ৭ বীরশ্রেষ্ঠ’র উত্তরাধিকার ও অন্যান্য খেতাবপ্রাপ্তদের মাঝে সম্মানীর চেক এবং শাল ও মোবাইল ট্যাবসহ উপহার বিতরণ করেন।

তিনি যুদ্ধ ও শান্তির সময় বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার জন্য সেনাবাহিনীর ৫ কর্মকর্তাকে বাহিনী পদক ও ওসমানী সেবা পদক প্রদান করেন।

মুক্তিযুদ্ধকে বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্বশ্রেষ্ঠ অধ্যায় হিসেবে অভিহিত করে শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশ রক্তক্ষয়ী সশস্ত্র সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বিশ্ব মানচিত্রে স্বাধীন ও সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি অর্জন করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের মাধ্যমে লাল-সবুজের পতাকাসহ একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছেন। এজন্য আমাদের সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের যথাযথ মর্যাদায় পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে ও তাদের অবদানের সর্বোচ্চ স্বীকৃতি দিতে নিরলভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ