শুক্রবার ১৪ আগস্ট ২০২০
Online Edition

অবৈধ গ্যাস সংযোগ প্রদানকারী ঠিকাদারের বিচার দাবি

মাধবদী (নরসিংদী) সংবাদদাতা : মাধবদীতে তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ ৫টি গ্রামের ৭ হাজার অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করেছে। এসব অবৈধ সংযোগ থেকে প্রতিমাসে প্রায় ৪ লাখ টাকার বেশী সরকারি রাজস্ব লোকসান হচ্ছিল বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। গত বৃহস্পতিবার সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত নরসিংদীর নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের নেতৃত্বে চিনিশপুর তিতাস গ্যাস আঞ্চলিক শাখার ভারপ্রাপ্ত মহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ তওহিদুল ইসলাম এ অভিযান চালিয়ে মাধবদী থানা এলাকার আটপাইকা, চৌদ্দপাইকা, আনন্দী, মহিষাশুড়া, খিলগাও সহ ৫টি গ্রামের ৬ কি.মি. এলাকার অবৈধভাবে নি¤œমানের এক ইঞ্চি, দুই ইঞ্চি ব্যাসার্ধের প্রায় ৭’শ ফুট লোহার পাইপ অপসারণ করে এসব সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। অভিযান চলাকালে এলাকার অবৈধ সংযোগ গ্রহণকারী ও সাধারণ মানুষের সাথে কথা বলে জানাগেছে প্রায় দু’বছর আগে তিতাস গ্যাস অফিসের কয়েকজন অসাধু ঠিকাদার এসব এলাকার স্থানীয় কয়েকজন দালালের মাধ্যমে প্রতিটি সংযোগ থেকে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা করে নিয়ে সংযোগ দিয়েছিল এবং সে সময় বলা হয়েছিল কিছুদিন পর এসব গ্যাস সংযোগগুলো বৈধ করে দিবেন। এর পর এসব দালাল কিংবা ঠিকাদারদের সাথে যোগাযোগ করলে তারা আবারও বলেছেন কিছুদিন পর বৈধ করে দেয়া হবে। কিন্তু তার পর পরই থেকে গেল। সরকারিভাবে এসব আবাসিক সংযোগ বন্ধ করে দেয়া হয়। গতকাল ১৯ নবেম্বর শনিবার এসব এলাকার সাধারণ গ্রাহকরা আরো জানান এসব ঠিকাদাররা দু’এক মাস পর পর এসে জানাতো অফিসে টাকা দিতে হবে নাহলে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হবে বলে দু’তিন হাজার টাকা করে বেশ কয়েক মাস টাকা নিয়েছেন। অবৈধ সংযোগ গ্রহণকারী সাধারণ মানুষ তাদের গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ায় ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে বলেন “যারা গ্যাস সংযোগ বৈধ করার কথা বলে ধোকা দিয়ে আমাদেরকে অবৈধ গ্যাস সংযোগ দিয়েছিল তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ আজো কি তাদের বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নিয়েছেন?” এ ব্যাপরে দুর্নীতিবাজ ঠিকাদারদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া জরুরি বলে অভিমত এলাকাবাসীর। তিতাস গ্যাস আঞ্চলিক শাখার ভারপ্রাপ্ত উপমহাব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মোঃ তওহিদুল ইসলাম জানান, অবৈধ গ্যাসের ব্যাপারে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। চিনিশপুর তিতাস গ্যাস কর্তৃপক্ষ প্রতিদিনই এদের উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত রেখেছেন। অবৈধ সংযোগের সাথে সম্পৃক্ততা পেলে কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অবৈধ সংযোগকারীর বিরুদ্ধে নিয়মিত মামলা করা হচ্ছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ