শনিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২১
Online Edition

চিকিৎসকের সন্দেহ হত্যাকাণ্ড তিনজন পুলিশ হেফাজতে

রাজশাহী অফিস : রাজশাহী নগরীর হোসনিগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস মোড় এলাকায় নিজ বাড়িতে গুলীবিদ্ধ হয়ে বিএনপি নেতা খন্দকার মাইনুল ইসলামের মৃত্যু নিয়ে রহস্য সৃষ্টি হয়েছে। চিকিৎসকের সন্দেহ যে এটি হত্যাকাণ্ড। আর আলামত সরিয়ে ফেলার বিষয় নিয়ে পুলিশ বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বলে সূত্রে প্রকাশ। 

এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিনজনকে পুলিশ হেফাজতে নেয়া হয়েছে বলে জানান মহানগর পুলিশের মুখপাত্র ও সহকারী কমিশনার (এসি) ইফতেখায়ের আলম। গতকাল বৃহস্পতিবার খন্দকার মাইনুলের জানাযা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়। পুলিশ জানায়, বুধবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহত মাইনুল ইসলামের ছেলে মিলন, শ্যালক সুজন ও এক কর্মচারীকে বোয়ালিয়া থানা হেফাজতে নেয়া হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া হবে বলে জানান পুলিশ কর্মকর্তা। তিনি জানান, ঘটনার পর দমকল কর্মীরা মাইনুলের লাশ উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। কিন্তু এর পর পরই ঘটনাস্থল থেকে রক্ত ধুয়ে মুছে ফেলা হয়। এছাড়াও নাইন এমএম মডেলের পিস্তলটি পাওয়া গেছে ঘটনাস্থল থেকে বেশ দূরে বাড়ির সিঁড়ির নিচে। সেন্ডেল পাওয়া গেছে বাড়ির ড্রেনের পাশে। সেখানে তিনটি গুলীর খোসা পাওয়া গেলেও তার শরীরে একটি গুলী লেগেছে। পরিবারের সদস্যরা তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে জানালেও প্রাথমিক তদন্তে বেশ কিছু অসঙ্গতি পাওয়া গেছে। এদিকে, বুধবার রাত ৯টার দিকে রাজশাহী মেডিকলে কলেজ হাসপাতালের মর্গে মাইনুল ইসলামের লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ফরেনসিক বিভাগের সহকারি অধ্যাপক ডা. এনামুল হক তার ময়নাতদন্ত করেন। এটি আত্মহত্যা নয় বলেও সন্দেহ করছেন এই চিকিৎসক। এদিকে গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজশাহী মাদরাসা ময়দানে মরহুমের জানাযা শেষে হাতেম খান গোরস্থানে লাশ দাফন করা হয়। জানাযায় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ অংশ নেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ