বৃহস্পতিবার ২৬ নবেম্বর ২০২০
Online Edition

আবিদ আজাদের কবিতা সমকালীন জীবনচিত্র

আজাদ এহতেশাম : সমকালীন জীবনচিত্র ও জীবনের খন্ড খন্ড বহুবর্ণিল ঘটনার বিচিত্রতা উপলব্ধিজাত কবির স্বকীয়তা দেশ কালের প্রেক্ষাপটে কবিতার নিটোল ছন্দ ও অলংকারে ঝংকৃত হয়ে উঠেছে সত্তরের দশকের অন্যতম শক্তিমান কবি আবিদ আজাদের (১৯৫২-২০০৫) কবিতায়। মুক্তিযুদ্ধোত্তর কালে বাংলা কাব্যাঙ্গনে যে কয়জন কবির কাব্যস্ফূর্তি বিশেষভাবে প্রত্যক্ষীভূত হয় আবিদ আজাদ তাদের মধ্যে অন্যতম। তার লেখনীর বহুমাত্রিকতা নির্দিষ্ট বিষয়ের গন্ডিতে সীমাবদ্ধ থাকেনি। তবে মুক্তিযুদ্ধ-পরবর্তী জাতীয় ও রাজনৈতিক জীবনের অবক্ষয়, পেশীশক্তির উত্থান, হতাশা, ব্যর্থতা, দ্রুত পরিবর্তনশীল নাগরিক জীবনের বিপন্ন মানবতা, গিরগিটির মতো মানুষের জীবনের রং পরিবর্তনশীলতা, বিভিন্ন প্রাকৃতিক বিপর্যয় ও দুর্যোগ তার কবিতার অন্যতম অনুষঙ্গ হিসেবে প্রতিভাত হয়েছে। তার বিদগ্ধ কবিচিত্তের অনুধ্যানে ছন্দ ও অলংকার ব্যবহারের নৈপুণ্যে তাঁর কবিতা কাব্যকোবিদের কাছে আধুনিক বাংলা কাব্যের অন্যতম রসদ বলেই  বিবেচিত হয়েছে ।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তীকালে জীবনাচরণে বৈশ্বিক প্রভাব ব্যক্তি সামাজিক ও রাজনৈতিক জীবনে ব্যাপক প্রভাব ফেলে। বাংলা সাহিত্যেও সে প্রভাব ব্যাপক ভাবে পরিলক্ষিত হয়। যার ফলশ্রুতিতে ত্রিরিশোত্তর কালের কবিরা কবিতার একটা স্বতন্ত্রধারা সৃজনের প্রয়াস পান যা কবিতার বিশাল বাঁক বদল ও নতুন পরিচয়ে কবিতা সমৃদ্ধির সোপান উঠে যায়। পরবর্তীকালে চল্লিশের দশক, পঞ্চাশের দশক এবং ষাটের দশক এমনকি সত্তরের দশকের কবিদের কবিতার তেমন কোন পরিবর্তন আসেনি অর্থ্যাৎ তারা তিরিশোত্তর কবিদের ধারা অনুসরণ করেই নিরন্তন কবিতা রচনায় প্রয়াসী হয়েছেন।
আবিদ আজাদই ব্যতিক্রম যিনি অগ্রজ কবিদের আত্মস্থ করে চিরাচরিত বৃত্তের বাইরে এসে কবিতায় নতুনত্বের চমক দিয়েছেন নিজস্ব সৃজনকুশলতার ঔজ্জ্বল্যে :
সত্তরদশকের কবিদের কবিতার অন্যতম বৈশিষ্ট্য নৈঃসঙ্গ্যচেতনাবোধ। মুক্তিযুদ্ধ এঁদের কবিতায় দেশপ্রেমের সর্বোচ্চ অহংকার হলেও পরবর্তীতে বিপর্যস্ত মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, হতাশা, পরস্পরের প্রতি অবিশ্বাস ও দ্বান্দ্বিকতা পুনঃপুনঃ তাদের হৃদয়ে আঘাত হেনেছে। পাওয়া না পাওয়ার দ্বন্দ্ব, সংশয়, ব্যক্তি ও সমাজচ্যুত আত্মমগ্নতা, তাদের ক্রমেই একাকিত্বে পরিণত করেছে- আর এভাবেই তাদের ভিতরে থিতু হয়েছে নৈঃসঙ্গ্যচেতনাবোধ যা বিচ্ছিন্ন চেতনাবোধের ফলস্বরূপ। অষরবহধঃরড়হ রং ধ ংড়পরধষ-ঢ়ংুপযড়ষড়মরপধষ পড়হফরঃরড়হ ড়ভ ঃযব রহফরারফঁধষ যিরপয রহাড়ষাবং যরং বংঃৎধহমবসবহঃ ভৎড়স পবৎঃধরহ ধংঢ়বপঃং ড়ভ যরং ংড়পরধষ বীরংঃবহপব.
(উ.এ গরঃপযবষ (বফ). অ উরপঃরড়হধৎু ড়ভ ংড়পরড়ষড়মু: খড়হফড়হ-১৯৮৮. চ-৪
আবিদ আজাদের মধ্যে এই বিচ্ছিন্নতাবোধ ক্রীয়াশীল ছিল বলেই তার প্রতিফলন কাব্যে লক্ষ্য করা যায়:

যে পথে যাই আমার আজ নিজের সাথে দেখা
যেখানে যাই আজকে আমি আমার সাথে একা।
জটলা-ছায়া জটলা-ছায়া মেঘলা ঘরবাড়ি
বুকের নিচে ঢালু হাওয়া ধরেছে তরবারি।
বালিশে মুখ গুঁজেই আছি উপুড় হয়ে পরে
ঘাস জাগেরে শেওলা লাগে মলিন অন্তরে।

[“অবেলা” ‘ঘাসের ঘটনা’]

আধুনিক জীবনমানের উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্তর্মূলে মানুষের সীমাহীন ব্যস্ততা ও অতৃপ্তির অদৃশ্য কুহুকের মুগ্ধতা ক্রমাগত মানুষকে যন্ত্রজীবনের উপমায় পরিণত করছে। এমন কর্মক্লান্ত জীবনে মানুষ বৈষয়িক চিন্তা ভাবনা ভিন্ন অন্য চিন্তার অবসর কোথায়? চাওয়া ও না পাওয়ার দ্বৈরথে যতদিন মানুষের আকাক্সক্ষার নিবৃতি না ঘটবে ততদিন মানুষের এ ব্যস্ততা মৃত্যুকালাবধি নিরন্তন থাকবে। এ প্রসঙ্গে আজাদের উপলব্ধি:

‘কিন্তু পিঁপড়েদের ব্যস্ততার শেষ নেই
দলছুট পিঁপড়েটা আমার দিকে তাকিয়ে
সাদা কাগজ থেকে দ্রুত
ছুটে গিয়ে মিশে গেল অন্য পিঁপড়েদের দলে।

[“পিঁপড়ের সঙ্গে”]

কোন জাতির উন্নতি ও সমৃদ্ধি মুক্ত স্বাধীন কর্মশীলা আলোকিত নারীর উপর নির্ভরশীল নিঃসন্দেহে। একটি সমৃদ্ধ জাতির বিনির্মাণে নারী ও মায়েদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। “ঞযবৎব রিষষ হবাবৎ নব ধ মবহবৎধঃরড়হ ড়ভ মৎবধঃ সবহ ঁহঃরষ ঃযবৎব যধং নববহ ধ মবহবৎধঃরড়হ ড়ভ ভৎবব ড়িসবহ ড়ভ ভৎবব সড়ঃযবৎং” (জড়নবৎঃ এ. ওহমবৎংড়ষষ) সংগ্রামে, সংকটে, দুঃখবেদনায় একমাত্র নারীই শান্তির পরশে সকল অশান্তি দূরকরে বেঁচে থাকার শক্তি সাহস যুগিয়ে আসছে আবহমানকাল ধরে। আবিদ আজাদের চোখে নারী অপরাজিতা, জীবনের অবিনাশী আলোর রেখায় বেঁচে থাকার নিশ্চয়তা:

‘সংগ্রামে, সংকটে, কামনায়, অঙ্গীকারে চেতনায় হও তুমি জীবনের সর্বাঙ্গ সঙ্গিনী
হে নারী ফুটাও ফুল কাঁটা গাছে, হলুদ পাতার ভিড়ে, যন্ত্রণার অজ¯্র চারায়
তোমার হাতের যতেœ সংসারের সকল সন্তাপ হবে কালজয়ী চারুকারু কাজ
বসো অশান্তির পাশে ব্যথার চিবুক তুলে ধুয়ে দাও কাটা দাগ ভেষজে শিশিরে
হে অপরাজিতা, ফোটো, ফুটে ওঠো তুমি আজ ব্যাকুলতা খুঁজে পাক ভাষা
এ ধরিত্রী, তোমারই সন্তান, তাকে দাও শ্রমে ঘামে বেঁচে থেকে বাঁচাবার অদম্য সাহস।’

[“নারী” ‘আরো বেশি গভীর কুয়াশার দিকে’]

বাঙ্গালির জীবনেতিহাসের একটি স্বর্ণালী অধ্যায় একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধ। মা, মাটি দেশের মর্যাদা ও স্বাধীনতা রক্ষায় শত্রু নিধনের সংকল্পে অকাতরে জীবন দিয়েছিল লক্ষ লক্ষ স্বাধীনতাকামী এদেশের মানুষ। কিন্তু স্বাধীনতার অব্যবহিত পরে মানুষ নানা অনিয়ম দুর্নীতি প্রতারণায় স্বাধীনতাকে কলুষিত করে তোলে। স্বাধীনতার সুফল থেকে বঞ্চিত হয় সংখ্যাধিক্য মানুষ। প্রকৃত স্বাধীনতার স্বাদ তারা পায় না। স্বৈরাচারী সামরিক ক্যুতে সবকিছু তছনছ হয়ে যায়। ব্যথিত চিত্তে মুক্ত স্বদেশে কবির জিজ্ঞাসা সত্যিকার বিজয় আর কত দূর?

এ সব এখন গল্প:
মুক্ত স্বদেশে মানুষ
বিজয়কে আজো পায়নি
তুমি খুঁজে খুঁজে অন্ধ
আমিও হাতড়ে বেড়াই
বিজয়; কোথায় বিজয়?

[“বিজয় কোথায়” ‘আমার অক্ষমতার গল্প’]

পাকিস্তানী চ-নীতির বহিঃপ্রকাশ বাঙ্গালির মাতৃভাষার ওপর আঘাত। বাঙ্গালির মায়ের ভাষাকে তারা মুছে ফেলতে তৎপর হয়ে ওঠেছিল বায়ান্নতে। কোন ষড়যন্ত্র ও কূটকৌশলই কাজে আসেনি বাঙ্গালির অপরিমেয় দেশপ্রেম ও বাংলা ভাষা প্রেমের প্রগাঢ়তার কাছে। যে জাতি প্রতিবাদ সংগ্রামে নিজের জীবন তুচ্ছ জ্ঞান করে কোন কিছু পাওয়ার আকাক্সক্ষায়- সাধ্য কোন রাজন্যবর্গের সে দর্দম দুর্বার গতি রোধে? উনিশশ’ বায়ান্ন সালে বুকের তাজা রক্ত ঢেলে দিয়ে সেদিন বাংলা ভাষার মর্যাদা রক্ষা করেছিল এদেশের তরুণ ছেলেরা। আজাদ যখন বলেন:
                            ‘একটি ফোঁটার নাম বরকত
                             একটি ফোঁটার নাম সালাম
একটি ফোঁটার নাম রফিক
একটি ফোঁটার নাম শফিক
আর একটি ফোঁটার নাম জব্বার
বুদ্ধি, রক্ত ও অশ্রুর অজ¯্র ফোঁটা মিশে
বাংলাদেশের করতলে নির্মাণ করেছে একটি শহীদ মিনার।

[“শহীদ মিনারের স্বপ্ন” ‘আমার অক্ষমতার গল্প’]

মানব জীবনে প্রেম এক অপর বিস্ময়; রহস্যাবৃত্ত ইন্দ্রিয়ানুভূতির দুর্জেয় অনুষঙ্গ বিশেষ। দুর্বার তার গতি, অপ্রতিরোধ্য তার শক্তির ক্ষিপ্রতা। প্রেমের স্পর্শে মানব মন পূত পবিত্র এবং নির্মল হয়ে ওঠে। প্রেমের নিত্য নতুন কিরণ প্রভায় মানবচিত্তাকাশে শান্তির সুবাতাস ছড়িয়ে পড়ে। আবার প্রেমে কান্না আছে, যন্ত্রণা আছে Ñ কখনো কখনো মানব জীবনকে বিপর্যস্ত করে তোলে। খড়ৎফ ইুৎড়স এর ভাষায় :
‘ইু ফধু ড়ৎ হরমযঃ রহ বিধষ ড়ৎ ড়িব
ঞযরং যবধৎঃ হড় ষড়হমবৎ ভৎবব
রিষষ নবধৎ ঃযব ষড়াব, রঃ পধহহড়ঃ ংযড়ি
ধহফ ংরষবহঃ ধপযব ভড়ৎ ঃযবব.

প্রেমানুভূতির গভীরতা ও তার বৈচিত্র্যময় প্রকাশ আবিদ আজাদের কবিতায় লক্ষ করা যায়। রোমান্টিক আবহে প্রেমকে তিনি নিটোল স্বচ্ছ সুন্দর মানবিক অনুভূতিরূপে কল্পনা করেছেন। প্রত্যাখ্যাত প্রেম তার কবিতায় কখনো নির্মম প্রতিঘাতের রূপ নেয় না; বরং দীর্ঘ প্রতীক্ষায় প্রেমের সমুহানতা ও শ্রীবৃদ্ধিরই জানান দেয়:

তোমাকে চাই- তোমাকে চাই আজো
তোমাকে চাই- চাই যে তোমাকেই
না পাই যদি না হয় পেলাম না-
জানো না তুমি এখনো আমি চেপে
ধরতে পারি না- পেলে তার হাত?
আঁজলা ভরে এখনো নিতে পারি
না পাই যাকে- পায়ের পাতা তার।
[“প্রেমের কবিতা” ‘খুচরো কবিতা’]

মানব মনে প্রকৃতির প্রভাব কোনভাবেই অস্বীকার্য নয়। প্রকৃতি ও জীবনের সন্নিধান্যতায় মনুষ্যকুলের বৃদ্ধি ও সমৃদ্ধি নিঃসন্দেহে। প্রকৃতিই মানুষকে জননীরূপে প্রীতিরবাহুবন্ধনে আশ্রয় দিয়েছে। এ কারণে রবীন্দ্র দৃষ্টিতে মানুষ ও প্রকৃতি একাকার। আবিদ আজাদের কবিতায় প্রকৃতি ইট পাথরে শহুরে ব্যস্ততায় অন্তর সত্তায় গভীর অনুভূতি সঞ্চার করে। নিমিষে চোখের সামনে উদ্ভাসিত হয়ে ওঠে নিরেট সবুজাভ গ্রামীণ চিত্রকল্পে রাশি রাশি অরণ্যময় হরিৎ ক্ষেত্র। প্রকৃতিকে দেখার দৃষ্টি কবির :

ঢাকায় এখন শীতকাল বিকেল বেলায় থান থান রৌদ্রের সাথে
রমনার গাছগুলি তাঁতিদের মতো নিজেদের সব তাঁত ছড়িয়ে ছড়িয়ে চলে যায়
ছায়া পড়ে... এমন নিঝুম অন্যমনস্কতা... মনে হয় ছিলে... কোনো দিন নেই আর... শুধু এই
থাকা না থাকার মাঝে ঘুচে গেছে ব্রতহীন পথ...।

[“এলিজি আবুল হাসানের স্মৃতির উদ্দেশ্যে” ‘ঘাসের ঘটনা’]

সমাজের নি¤œবিত্তের মানুষের প্রতি সহানুভূতিশীল ব্যথিত আজাদের কবিচিত্ত সর্বদাই অস্থির। তাদের প্রাত্যহিক দুঃখ দৈন্যের অভিঘাত তাঁকে বিচলিত করেছে বারবার। যুদ্ধোত্তর নতুন দেশে থাকবে না দুঃখ দারিদ্র্য, পীড়াগ্রস্ত বস্তীবাসীদের মতো নিরন্ন লক্ষ লক্ষ মানুষের মানবেতর জীবনধারণ- এমনটিই ছিল কবির প্রত্যাশা কিন্তু- কবির এ স্বপ্ন সাধ ও সম্ভাবনা অপূর্ণই থেকে গেল। উঁচু-নিচু ধনী-দরিদ্র ব্যবধান ক্রমেই প্রকট আকার ধারণ করল:

‘নিচে পথের পাশে একটা হাফ বস্তিও আছে
এক দুপুর বেলা সেই বস্তির ঝগড়াঝাঁটির শব্দে
হঠাৎ তাকিয়ে দেখি বস্তির ওপারে
দাউদাউ আগুন লেগেছে কৃষ্ণচূড়া গাছের ডালে ডালে’

[“চারতলা বারান্দায় বসে”]

মায়াময়ী এ জগৎ সংসারে অবশ্যম্ভাবী যে ঘটনার আবর্তে মানব জীবনের আনন্দ বেদনার চির উপশম ঘটে তার নাম মৃত্যু। মৃত্যু জীবনের অবসান নয়, জীবনের শেষ পরিপূর্ণতার বিমূর্ত প্রকাশ। জীবনে যা অনাকাক্সিক্ষত তাই অতি স্বাভাবিক। একদিন সকল কিছু তুচ্ছ করে শূন্য হাতে হিমশীতল মৃত্যুর গরল সবাইকে আকণ্ঠ পান করতে হয়। সিঁড়ি বেয়ে পার হতে হয় নিমিষে অন্য জগতে:

‘তুমিই তো আমাকে মরতে মরতে বেঁচে থাকায় অভ্যস্ত করে দিয়ে গেছ।
যাও, মানুষের জীবনের মতো একটা জীবন কাটিয়ে আমিও চলে যাব একদিন...
মনে মনে আমি বললাম আর শুনতে লাগলাম
তোমার সিঁড়ি বেয়ে নেমে যাওয়ার শব্দ....
মনে পড়লে আমার কথা একটু স্বতন্ত্র করে, ভাববে তুমি বলেছিলে।

[“মনে পড়লে” ‘আমার মন কেমন করে’]

আবিদ আজাদ কাল সচেতন পরিপূর্ণ শৈল্পিক সত্তার অধিকারী একজন কবি। তার কাব্য বিষয় বৈচিত্র্যে বিচিত্রগামিতা, নান্দনিক সৌন্দর্যে কবিতার উপস্থাপনা, কাব্যের আঙ্গিক বিনির্মাণ, ছন্দ ও অলংকারের নিপূণ কম্বিনেশনে তার কবিতা সর্বত্রগামী পাঠকনন্দিত একথা বলার অপেক্ষা রাখে না।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ