বৃহস্পতিবার ০১ অক্টোবর ২০২০
Online Edition

এএইচএফ কাপের শিরোপা জিততে চায় বাংলাদেশ

মাহাথির মোহাম্মদ কৌশিক : বাংলাদেশের হকি এখন উন্নতির শিখরে রয়েছে। সর্বশেষ বেশ কয়েকটি আসরে জাতীয় দল ও বয়সভিত্তিক দল ভাল করেছে। সে কারণে দেশের তৃতীয় জনপ্রিয় খেলাটি নিয়ে নিয়ে স্বপ্ন দেখা শুরু হয়েছে। টানা তৃতীয়বার শিরোপা জেতা বাংলাদেশ দল আবারো এএইচএফ কাপের শিরোপা জিততে চায়। আগামী ১৮-২৭ নভেম্বর হংকংয়ে বসতে যাচ্ছে এশিয়ান হকি ফেডারেশনের নিয়মিত এ প্রতিযোগিতা। সে উপলক্ষ্যে প্রথমে জার্মানীতে এবং পরে দেশের মাটিতে অনুশীলন করে বাংলাদেশ দল। ইউরোপ গিয়ে প্রশিক্ষণ শেষ করে ঢাকায় ফেরার পর ছুটিতে গিয়েছিলেন খেলোয়াড়রা। এরপর শেষ ভাগের চূড়ান্ত অনুশীলন করান কোচ মাহবুব হারুন। পঞ্চম এএইচএফ (এশিয়ান হকি ফেডারেশন) কাপ হকি নিয়ে তাই স্বপ্ন বান লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশের লক্ষ্য শিরোপা অক্ষুণœ রাখা। এজন্য হকি দলকে জার্মানিতে পাঠানো হয়েছিল। সেখানে ১৯ খেলোয়াড় পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে। এই সব ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা কাজে লাগবে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের। ১৬ নভেম্বর হংকং যাওয়ার কথা রয়েছে বাংলাদেশ দলের। জার্মান কোচ অলিভার কার্টজ এবং তার সহকারীরা বিকেএসপিতে অনুশীলনে ছিলেন। হংকংয়ে টুর্নামেন্ট হচ্ছে ওয়ার্ল্ড হকির প্রস্তুতি সিরিজ হিসেব। এবার দলে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। অস্ট্রিয়ায় ২ ম্যাচে গোল করলেও হংকং দলে নেই ইমন।
পাশাপাশি বাদ দেওয়া হয়েছে গোলরক্ষক অসীম গোপকে। ঢাকায় সহকারী কোচ তারিকুজ্জামান নান্নুর অধীনে অনুশীলন ক্যাম্পে থাকা হাসান জুবায়ের নিলয় অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন। হকি নিয়ে আশার আলো জেগেছে অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপে বাংলাদেশ রানার্সআপ হওয়ার পর। অপরাজিত গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হলেও ফাইনালে ভারতের কাছে দুর্ভাগ্যক্রমে ৩-৪ গোলে হেরে যায় বাংলাদেশ। যুবাদের পারফরম্যান্স সবার দৃষ্টি কাড়ে। যুবাদের পথে হাঁটতে চায় জাতীয় দলও। এবারের আসরের চ্যাম্পিয়ন দল এশিয়া কাপ হকিতে চূড়ান্ত পর্বে খেলবে। সেই লক্ষ্যে এগুচ্ছে জাতীয় দল। বাংলাদেশ দলের লক্ষ্য সম্পর্কে দলীয় ম্যানেজার জাতীয় দলের সাবেক তারকা খেলোয়াড় আরিফুল হক প্রিন্স বলেন, ‘শিরোপা জেতার কোন বিকল্প নেই।
সে কারণেই লক্ষ্য আমাদের একটাই চ্যাম্পিয়ন হয়ে এশিয়া কাপে কোয়ালিফাই করা। আমরা প্রস্তুতিটা সেভাবে করছি’। বাংলাদেশের গ্রুপে আছে ম্যাকাও, চাইনিজ তাইপে, কিরগিজস্তান ও হংকং। অন্য গ্রুপে রয়েছে সিঙ্গাপুর,  শ্রীলঙ্কা ও থাইল্যান্ড। অপেক্ষাকৃত দুর্বল দল হওয়ায় শুধু ফাইনাল নয় ট্রফি জেতার আশা করছেন টিম ম্যানেজমেন্ট। অন্যান্যবার প্রস্তুতি সাদামাটা হলেও বাংলাদেশ এবার জোরাল অনুশীলন করে মাঠে নামবে। ইউরোপের জার্মানি, পোল্যান্ড ও অস্ট্রিয়ায় অনুশীলনের পাশাপাশি একাধিক প্রস্তুতি ম্যাচ খেলছে বাংলাদেশ। প্রায় এক মাস ইউরোপ সফরে ছিল খেলোয়াড়রা। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচে তিনটি ড্র ও দু’টিতে হেরেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে ১টি ড্র ও দু’টিতে হারও আশা জাগিয়ে দল নিয়ে। অলিম্পিকে আর্জেন্টিনা সোনা জিতলেও বিশ্ব হকিতে এখন ইউরোপের প্রাধান্য। সেখানে অনুশীলন ও প্রস্তুতি ম্যাচ খেলায় দল লাভবান হয়েছে। সে কারণেই এএইচএফ কাপে বাংলাদেশ শিরোপা জিতে এশিয়া কাপে চূড়ান্ত পর্বে খেলবে বলেই প্রত্যাশা। বাংলাদেশের ইতিহাসে হকি দল এই প্রথম ইউরোপে অনুশীলন করে। এর জন্য ব্যয় হয়েছে ৮০ থেকে ৯০ লাখ টাকা। এখানে মূল ভূমিকা রাখেন ফেডারেশনের সহ-সভাপতি শহীদুল্লাহ আল মুনীর। এদিকে দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ নৌবাহিনী হকি দলের বিপক্ষে প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে জাতীয় দল। অনূর্ধ্ব-১৮ এশিয়া কাপে যুবারা ভালো করেছে। এখন তাই এএইচএফ কাপকে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়েছে জাতীয় দলের খেলোয়াড়রা। লক্ষ্য সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখা।
এশিয়ান হকির আগের সেই রমরমা অবস্থা এখন আর নেই। তবুও চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দলগুলো কিভাবে পুরনো দিনে ফেরা যায়। এশিয়া কাপের পর এ অঞ্চলের দ্বিতীয় সারির টুর্নামেন্ট এটি। যে আসরে বাংলাদেশ গত দু’বারই চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। এবার শিরোপা ধরে রাখার লক্ষ্য নিয়েই যাচ্ছেন রাসেল মাহমুদ জিমি, মামুনুর রহমান চয়ন, আশরাফুল ইসলামরা। টুর্নামেন্ট বিবেচনায় বাংলাদেশ বড় ধরনের প্রস্তুতিই নিয়েছে এবার। খেলোয়াড়রা ইউরোপে প্রশিক্ষণ ক্যাম্প করেছেন, পোল্যান্ড ও অস্ট্রিয়ায় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছেন আটটি। হংকংয়ের আসরে তাই নতুন উদ্যম নিয়েই ঝাঁপিয়ে পড়ার কথা তাঁদের। আগামী মার্চেই ঢাকায় বসছে ওয়ার্ল্ড হকি লিগের দ্বিতীয় রাউন্ডের আসর। বাংলাদেশের মূল লক্ষ্য সেটিই।
একদিক দিয়ে ইউরোপ সফর সেই আসরের কন্ডিশনিং ক্যাম্প বলা যায়। আর এএইচএফ কাপও প্রস্তুতি টুর্নামেন্ট হতে পারে ওয়ার্ল্ড হকি লিগের জন্য। ওয়ার্ল্ড লিগে বাংলাদেশের প্রতিপক্ষ যেখানে কানাডা, চীন, মিসর, ওমানের মতো র‌্যাংকিংয়ে এগিয়ে থাকা দলগুলো। সেখানে এএইচএফ কাপের প্রতিপক্ষ চাইনিজ তাইপে, হংকং, ম্যাকাও, ইন্দোনেশিয়া র‌্যাংকিংয়ে বেশ পিছিয়ে বাংলাদেশের চেয়ে। এই টুর্নামেন্টে চ্যাম্পিয়ন হওয়াটাই তাই প্রত্যাশিত। ইউরোপের প্রস্তুতি খেলোয়াড়দের বাড়তি আত্মবিশ্বাসী করছে বলেই মত কোচ মাহবুব হারুনের, ‘হংকংয়ে আমাদের ভালো না করার কোনো কারণ নেই। বিদেশি কোচিং স্টাফের অধীনে অনুশীলন, পাশাপাশি প্রস্তুতি ম্যাচ খেলে ছেলেরা অনেকটাই তৈরি। প্রতিদিনই ওদের ভুল-ভ্রান্তিগুলো ভিডিও অ্যানালাইসিসের মাধ্যমে দেখিয়ে দেওয়া হয়েছে, সে অনুযায়ী অনুশীলন হয়েছে। এতে খেলোয়াড়রাও খুশি। তাতে আমার মনে হয় না, এএইচএফ কাপে আমাদের কোনো সমস্যা হবে। অঘটন কিছু না ঘটলে আমরাই চ্যাম্পিয়ন হব আশা করি।’ স্থানীয় এই কোচের অধীনেই টুর্নামেন্টের আগে দুটি আসরে শিরোপা জেতে বাংলাদেশ। এবার জার্মান কোচ অলিভার কার্টজ, তাঁর উপদেষ্টার গেরহার্ড পিটারের সঙ্গে হারুনও আছেন সহকারী হিসেবে। ইউরোপে দলের সঙ্গেই ছিলেন তিনি। খেলোয়াড়দের প্রস্তুতির খুঁটিনাটি দিকগুলো নিয়েও তিনি সন্তুষ্ট, ‘অনুশীলনে যেসব বিষয় নিয়ে আমরা কাজ করেছি তার মধ্যে, প্রতিপক্ষকে পেনাল্টি কর্নার না দেওয়ার জন্য কী করতে হবে, কিভাবে আক্রমণে উঠতে হবে একসঙ্গে, প্রয়োজনে কিভাবে সবাই মিলে আবার ডিফেন্স করব, সেই ব্যাপারগুলো ছিল। পোল্যান্ডের বিপক্ষে তৃতীয় অনুশীলন ম্যাচ থেকেই খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে ট্রেনিংয়ের প্রভাবটা দেখা গেছে। আমরা কোনো ম্যাচ জিতিনি ঠিক, কিন্তু অনূর্ধ্ব-২১ দলের বিপক্ষে সব ম্যাচেই আমরাই প্রাধান্য নিয়ে খেলেছি। হয়তো শেষ মুহূর্তে লিড হারিয়েছি। কিন্তু আমরা জেতার মতো অবস্থায় ছিলাম।’
বাংলাদেশ দলের খেলোয়াড়রা দুই দফায় জার্মানি গেছেন। প্রথমবারে রাসেলসহ ৯ সিনিয়র খেলোয়াড় জার্মানি পৌঁছে সেখানকার ঘরোয়া লিগে খেলেছেন মাসখানেক। পরের বারে গেছেন বাকির। সেখানে অনূর্ধ্ব-১৯ এশিয়া কাপে রানার্স আপ হওয়া দলের খেলোয়াড়রাও ছিলেন। তাঁরা জার্মানিতে পৌঁছার পরের দিনই পোল্যান্ডে ম্যাচ খেলতে নেমে গেছেন ২০ অক্টেবার। ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত ১১ দিনে তারা মোট আটটি ম্যাচ খেলেছেন। পোল্যান্ড সিনিয়র দলের বিপক্ষে প্রথম দু’টি ম্যাচেই হার ছিল ১-০ গোলের ব্যবধানে। পরের ম্যাচ তারা ড্র করে ২-২ গোলে। এরপর পোল্যান্ড অনূর্ধ্ব-২১ দলের বিপক্ষেও খেলা দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে ১-১ গোলে। পোল্যান্ডে পাঁচটি ম্যাচ খেলে বাংলাদেশ দল যায় অস্ট্রিয়ায়। অস্ট্রিয়া অনূর্ধ্ব-২১ দলের বিপক্ষে সেখানে প্রথম ম্যাচটি ৩-৩ গোলে ড্র হলেও, পরের দু’টি ম্যাচে হারতে হয়েছে ৪-০ ও ২-১ ব্যবধানে।
পোল্যান্ড ও অস্ট্রিয়া র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের চেয়ে এগিয়ে যথাক্রমে ১৩ ও ১১ ধাপে। তার ওপর সম্পূর্ণ ভিন্ন কন্ডিশনে খেলতে হয়েছে রাসেল মাহমুদদের। সব মিলিয়ে আটটি ম্যাচের ফলে মোটেও অখুশি নয় বাংলাদেশের টিম ম্যানেজমেন্ট। অনুশীলন ম্যাচ হিসেবেই পরবর্তী সময়ে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে সেগুলো ইতিবাচক প্রভাব রাখবে বলে মনে করেন দলের অন্যতম সিনিয়র সদস্য রাসেল, ‘বাংলাদেশে সাধারণত আমরা যেমন ক্যাম্প করি তার চেয়ে অনেক উন্নতমানের ক্যাম্প হয়েছে পোল্যান্ড, অস্ট্রিয়ায়। ওখানকার সুযোগ-সুবিধা ছিল বিশ্বমানের। প্রতিটি ম্যাচ শেষে ভিডিও অ্যানালাইসিসের মধ্যে কোচ আমাদের ভুল-ত্রুটিগুলো ধরিয়ে দিয়েছেন। ঢাকায় থাকলে হয়তো বোর্ডে এঁকে সেসব বোঝাতেন, ভিডিওর মাধ্যমে আমরা শিখেছি খুব দ্রুত। ম্যাচের আগে সেগুলো নিয়ে আবার মাঠে কাজও হয়েছে। ফলে ম্যাচের ফল যাই হোক, আমাদের খেলায় এর একটা ইতিবাচক পড়েছে বলেই আমার মনে হয়।’ যা মার্চে ওয়ার্ল্ড হকি লিগে পারফর্ম করতেও সাহায্য করবে বলে মনে করেন রাসেল।
এএইচএফ কাপ হকিতে অংশ নিতে গিয়ে বেশ বিপাকেই পড়েছে বাংলাদেশ। গত ১৬ নভেম্বর রাতে হংকংয়ের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়ার কথা ছিল বাংলাদেশ জাতীয় হকি দলের। কিন্তু ভিসা পাওয়া নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।
গতকাল ভিসা প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ঢাকাস্থ চাইনিজ দূতাবাস যান হকি ফেডারেশনের কর্মব্যক্তিরা। কিন্তু ভিসা হবে না বলে তাদের জানিয়ে দেয়া হয়। সকালে ব্যর্থ হয়ে ফিরে এসে কর্মকর্তারা দুপুরের পর আবারো যোগাযোগ করে দূতাবাসের সঙ্গে। পরে দূতাবাস থেকে পাসপোর্ট নিয়ে যেতে বলা হয়। শেষে পাসপোর্ট জমা দিয়ে বিকেলে ফিরে আসেন কর্মকর্তারা। পাসপোর্ট জমা দেয়া হলেও নির্দিষ্ট সময়ে ভিসা পাওয়া যাবে কিনা এ নিয়ে শঙ্কা দূর হয়নি। এ ব্যাপারে জানতে হকি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক আবদুস সাদেকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েকদিন থেকে ভিসা নিয়ে কাজ করছি। গত ১৪ নভেম্বর সকালে একবার ফিরে এসে আবার দুপুরে গিয়ে জমা দিয়েছি। আশা করি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই পেয়ে যাব।’ কেন ঝামেলা হলো- এমন প্রশ্নের জবাবে আবদুস সাদেক বলেন, ‘হংকংয়ে তো ভিসা সংক্রান্ত কাজ হয় না।
যাবতীয় কাজ হয় চায়নাতে। হংকংয়ের ভিসা পেতে কিছুটা সময় লাগে। ভিসা জমা দেয়ার দু’তিন সপ্তাহ পর দেয় তারা। আসলে আমাদেরই পাসপোর্ট জমা দিতে দেরি হয়ে গেছে। দল জার্মানীতে অনুশীলনে ব্যস্ত ছিল। এরপর ঢাকায় আসার পর বিকেএসপিতে কিছুদিন ক্যাম্প করেছে।’ জার্মানি থেকে দল ঢাকায় আসার পরপরই ভিসার জন্য আবেদন না করার কারণ সম্পর্কে আবদুস সাদেক জানান, মন্ত্রণালয় থেকে অনুমতি (জিও) পেতে দেরি হয়েছিল। সেখানে আবার যোগ হয়েছে ভিসা প্রক্রিয়াতে সময় লাগা। তারপরও তিনি যথাসময়ে ভিসা পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী। এএইচএফ কাপে চ্যাম্পিয়ন হয়ে ২০১৩ সালে এশিয়া কাপ খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছিল বাংলাদেশ। এবারো চ্যাম্পিয়ন হতে পারলে মিলবে এশিয়া কাপে খেলার টিকিট।
কোন গ্রুপে কোন দল
‘এ’ গ্রুপ : বাংলাদেশ, চাইনিজ তাইপে, হংকং চায়না ও ম্যাকাও।
‘বি’ গ্রুপ : সিঙ্গাপুর, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, উজবেকিস্তান।
বাংলাদেশের ম্যাচসমুহ
তারিখ    প্রতিপক্ষ
১৯ নভেম্বর    হংকং চায়না
২১ নভেম্বর    চাইনিজ তাইপে
২৩ নভেম্বর    ম্যাকাও   

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ