শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

মোনায়েম খানের বাড়ি উচ্ছেদের কারণ জানতে চান হাইকোর্ট

স্টাফ রিপোর্টার : পূর্ব পাকিস্তানের সাবেক গভর্নর মোনায়েম খানের বাড়িতে কেন উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা হয়েছে তার ব্যাখ্যা চেয়েছেন হাইকোর্ট। আদালতের স্থিতাবস্থার নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও উচ্ছেদ কার্যক্রম পরিচালনা করায় এই ব্যাখ্যা চাইলেন আদালত। আগামী সাতদিনের মধ্যে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) সংশ্লিষ্টদের এ ব্যাপারে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে হবে। একইসঙ্গে সাতদিনের জন্য সকল উচ্ছেদ কার্যক্রম স্থগিত রাখার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

গতকাল সোমবার একটি আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি কৃষ্ণাদেব নাথ সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দেন। 

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী শেখ জুলফিকার বুলবুল চৌধুরী ও ব্যারিস্টার নাসিমা খান।

আদেশের পর সুপ্রিম কোর্ট বার ভবনের ল’ রিপোর্টার্স ফোরামের কার্যালয়ে মোনায়েম খানের ছেলে এএইচএম কামরুজ্জামান খান এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান। 

তিনি জানান, বনানীর ২৭ নম্বর রোডের ব্লক-এ ১১০ নম্বরের পাঁচ বিঘার ১৫ ছটাক প্লটটি তৎকালীন ডিআইটি হতে ১৯৬৬ সালে বরাদ্দপ্রাপ্ত হয়ে ১৯৬৭ সালে লিজ দলিল সম্পাদন ও রেজিস্ট্রি করা হয়। ২০০৯ সালে ঢাকা সিটি কর্পোরেশন তাদের জায়গা দাবি করে একটি চিঠি দেয়। ওই চিঠির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে একটি রিট দায়ের হলে ওই বছরের ২৬ জানুয়ারি হাইকোর্ট স্থিতাবস্থা জারি করেন। ডিসিসি ওই আদেশ বাতিলের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই আদালতের ওই আদেশ বলবৎ থাকা অবস্থায় সিটি কর্পোরেশন উচ্ছেদ কার্যক্রম চালিয়েছে।

আদালতের গতকালের আদেশের পরও উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত আছে। এ পর্যন্ত ১৬ ফুট জায়গা উচ্ছেদ করা হয়েছে। বাড়িটির সীমানা দেয়াল ও স্থাপনার একটি অংশ ভেঙে ফেলা হয়েছে। পানি, গ্যাস ও বিদ্যুতের লাইনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গত ৩ নবেম্বর বাড়িটিতে ডিএনসিসির নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করেন। ‘বাগ-ই মোনেয়েম’এ দেড় ঘণ্টার এই উচ্ছেদ অভিযানকে ইতিহাসের স্মরণীয় দিন হিসেবে অভিহিত করেন ডিএনসিসির মেয়র আনিসুল হক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ