শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

দেশপ্রেমিক জনতার ঐক্যের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত রুখতে হবে -মাওলানা আব্দুল হালিম

স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে গতকাল সোমবার রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা সভায় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর নায়েবে আমীর মাওলানা আব্দুল হালিম বলেছেন, ৭ নবেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যের মাধ্যমে দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব বিরোধী ষড়যন্ত্র রুখে দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সে ষড়যন্ত্র এখনও অব্যাহত আছে। তাই দেশপ্রেমী জনতার ঐক্যের মাধ্যমে স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিরোধী চক্রান্ত রুখতে হবে। তিনি জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে গণবিরোধী সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলায় সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

রাজধানীর একটি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন। আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরীর সহকারী সেক্রেটারি মুহাম্মদ সেলিম উদ্দীন। উপস্থিত ছিলেন ঢাকা মহানগরী মজলিশে শুরা সদস্য সালাহউদ্দীন প্রমুখ।

মাওলানা আবদুল হালিম বলেন, বর্তমান সরকার একতরফার বিতর্কিত নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হয়েছে। জনগণ ভোটের অধিকার থেকে বঞ্চিত এবং মানবাধিকার আজ ভূলন্ঠিত। দেশে প্রতিনিয়ত মানুষ গুম ও খুন হচ্ছে কিন্তু প্রকৃত অপরাধীদের বিচার হচ্ছেনা। বিচারহীনতার কারণে দেশের আইন শৃংখলা ভেঙ্গে পড়েছে। সরকার জনগণের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চরম ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। তাই দেশ ও জনগণের স্বার্থেই এই ব্যর্থ সরকারকে বিদায় করতে হবে।

তিনি বলেন, সরকার নিজেদের ক্ষমতাকে পাকাপোক্ত করতে জনগণের সামনে উন্নয়নের কোরাস গেয়ে যাচ্ছে অথচ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র স্থাপনের মাধ্যমে দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিরোধী ভূমিকায় সরকার অবতীর্ণ হয়েছে। সীমান্তে দেশের নাগরিকদেরকে হত্যা করলেও সরকার তা বন্ধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নিতে চরম ভাবে ব্যর্থ হয়েছে। যা নতজানু পররাষ্ট্রনীতিরই প্রমাণ। স্বাধীন দেশে পরনির্ভরশীল পররাষ্ট্রনীতি দেশ ও জাতির জন্য কল্যাণকর হয় না।

তিনি আরও বলেন, বি বাড়ীয়ার নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলার মাধ্যমে সরকার পরিবেশ ঘোলাটে করে ফায়দা লুটতে চায়। অথচ এসব ঘটনার সাথে ক্ষমতাসীন দলের নেতা কর্মীরা জড়িত বলে জনগণ মনে করে। তিনি দেশের জনগণকে ক্ষমতাসীন দলের দেশ ও জনগণের স্বার্থ বিরোধী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে ৭ নবেম্বরের চেতনাকে ধারণ করে ইস্পাত কঠিন ঐক্য গড়ে তুলতে আহবান জানান।

মুহাম্মদ সেলিম উদ্দিন বলেন, অনির্বাচিত সরকার জাতির ঘাড়ে জগদ্দল পাথরের মত চেপে বসেছে। তাদের অপরাজনীতির কারণে দেশে এক ভয়াবহ অস্থিতিশীল পরিবেশ বিরাজ করছে। তাই দেশের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত ও ভঙ্গুর গণতন্ত্রকে পুনরুদ্ধার করতে হলে আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন ভেঙ্গে দিয়ে নিরপেক্ষ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠনের কোন বিকল্প নেই।

নারায়ণগঞ্জ : নারায়ণগঞ্জ জামায়াতে ইসলামীর মহানগরীর আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন আহমাদ বলেছেন, অনেক ত্যাগ ও কুরবানীর বিনিময়ে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। এ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নস্যাৎ করার জন্য নানা ধরনের ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছিল। কিন্তু ১৯৭৫ সালের ৭ নবেম্বর সিপাহী-জনতার ঐক্যবদ্ধ প্রচেষ্টায় আমাদের কষ্টার্জিত স্বাধীনতা রক্ষা পায়। যদিও স্বাধীনতা হরণের ষড়যন্ত্র এখনো বিদ্যমান। দেশ আজ এক চরম সংকটকাল অতিক্রম করছে। ফলে ৭ নবেম্বরের গুরুত্ব ও তাৎপর্য বর্তমানে অপরিসীম।

গতকাল সোমবার বিকালে নারায়ণগঞ্জ মহানগরীর আয়োজিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

আমীর মাওলানা মঈনুদ্দিন তার বক্তব্যে আরো বলেন, দিবসটির গুরুত্ব অনুধাবন করে দেশের বিভিন্ন সংগঠন আলোচনা সভা ও সমাবেশ করতে চেয়েছিল। যা বর্তমান প্রশাসন করতে দেয়নি। এতেই মানুষ অনুধাবন করতে পারবে ঐতিহ্য কিভাবে হারাতে চলছি আমরা।

সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন, আবু নকিব, মো: সাঈদুর রহামন, আব্দুল হান্নান, শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

 কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে জামায়াতের মহানগর শাখা বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে এ দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করেছে।

চট্টগ্রাম অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য এবং চট্টগ্রাম মহানগরীর আমীর ও সাবেক এমপি মাওলানা আ.ন.ম. শামসুল ইসলাম বলেছেন, ১৯৭৫ সালে যখন দেশের মানুষের মৌলিক অধিকার ছিল না, যখন দেশের রক্তার্জিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব বিপন্ন হয়ে পড়েছিল, গণতন্ত্র ধ্বংস করা হয়েছিল। মানুষের কন্ঠরোধ করে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা হরণ করা হয়েছিল। তখনই ৭ নবেম্বর সেনাবাহিনীর জওয়ান ও সর্বস্তরের জনগণ ঐক্যবদ্ধ হয়ে স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন। তাই এই দিনটি বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি ঐতিহাসিক দিন। এ দিনে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন হয়েছিল। সাধারণ মানুষ জীবনের নিরাপত্তা লাভ করেছিল। তিনি আরো বলেন, আজ দেশের নাগরিকদের জানমালের কোনো নিরাপত্তা নেই। গুম, খুন ও নারী-শিশু ধর্ষণ নিত্য নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে পড়েছে। সংখ্যা লঘুদের উপর হামলা করে বাড়ি ঘরে অগ্নিসংযোগ করে সরকারি দলের ক্যাডাররা তাদের সম্পত্তি লুট করছে। দেশে আইনের শাসন নেই। রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বিরোধী দলের নেতা-কর্মীদের তারা হত্যা করছে। চরম মানবাধিকার লংঘন করছে ভোট বিহীন নির্বাচনে ক্ষমতায় বসেছে এ সরকার। জনগণের শুধু ভোটাধিকার নয় বাঁচার অধিকারও কেড়ে নিয়েছে সরকার। তিনি অবিলম্বে ৭ নবেম্বরের চেতনায় গণতন্ত্র ও দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সকলকে এই স্বৈরাচারি ও জালিম সরকারের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার জন্য উদাত্ত আহবান জানান। 

জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর উদ্যোগে ৭ নবেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে তিনি সভাপতির বক্তব্যে উপরোক্ত কথা বলেন। উক্ত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের সেক্রেটারি মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, প্রচার সম্পাদক মুহাম্মদ উল্লাহ্, নগর মজলিসে শূরার সদস্য ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুছ, এম.এ. আলম ও মুহাম্মদ ইসমাইল। সভায় মোনাজাত পরিচালনা করেন চট্টগ্রাম মহানগরী জামায়াতের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ শামসুল ইসলাম। 

রাজশাহী অফিস : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরীর সিনিয়র নায়েবে আমীর প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম বলেছেন, বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ, গ্রেতারকৃত সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সংবিধানে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা পুনঃস্থাপন এবং কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে অবিলম্বে নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। 

তিনি গতকাল সোমবার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী রাজশাহী মহানগরী শাখার উদ্যোগে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তবে এসব কথা বলেন। নগর সিনিয়র নায়েবে আমীর প্রফেসর এম নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে আরো উপস্থিত ছিলেন মহানগরীর নেতৃবৃন্দ। 

 তিনি আরো বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি স্বীকৃত আদর্শ রাজনৈতিক দল। গণতান্ত্রিক দেশে মিছিল-মিটিংসহ সব ধরণের গণতান্ত্রিক কর্মকাণ্ডের অধিকার এই দলের রয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার জোর করে অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসার পর থেকে পুলিশ, র‌্যাব বাহিনী দিয়ে অন্যায়ভাবে আমাদের বিভিন্নভাবে হয়রানি করছে এমনকি মিথ্যা মামলার নাটক সাজিয়ে শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে ফাঁসির রায় দিয়ে দেশকে ইসলামী নেতৃত্বশূন্যের ষড়যন্ত্র করছে। এই সরকার ইসলামের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। এ সরকারের আমলে কুরআনের তাফসির মাহফিল বন্ধ করার জন্য ১৪৪ ধারা পর্যন্ত জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মেয়েদের পর্দা পালনে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে। ধর্মহীন শিক্ষানীতি চালুর মাধ্যমে নতুন প্রজন্মকে ইসলাম থেকে দূরে ঠেলে দেয়ার চক্রান্ত করা হচ্ছে। আলেম-ওলামাদের লাঠিপেটাও করছে এ সরকার। আওয়ামী লীগ মুখে গণতন্ত্রের কথা বললেও বাস্তবে গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করছে। বিরোধী দল বিশেষ করে জামায়াতে ইসলামী ও ইসলামী ছাত্রশিবিরকে মিছিল সমাবেশ করতে দেয়া হচ্ছে না। মিছিল বের করলেই লাঠিপেটা করা হচ্ছে। গ্রেফতার করে কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। জামায়াতের কেন্দ্রীয় অফিসে কোনো কার্যক্রম করতে দেয়া হচ্ছে না। মিছিল সমাবেশ করার সাংবিধানিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। বিভিন্ন সময়ে হাজার হাজার নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করে জেলে পাঠানো হয়েছে। রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন চালানো হয়েছে। তিনি সরকার ও পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের এ ধরণের কর্মকাণ্ড পরিহার করার আহবান এবং অবিলম্বে বিচারের নামে প্রহসন বন্ধ করে জামায়াতে ইসলামীর সকল রাজনৈতিক নেতাকর্মীর মুক্তি, সংবিধানে আল্লাহর প্রতি বিশ্বাস ও আস্থা পুনঃস্থাপন, কেয়ারটেকার সরকার ব্যবস্থা পুনর্বহাল করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার জোর দাবি করেন। 

কুমিল্লা অফিস : জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের উদ্যাগে স্থানীয় এক মিলনায়তনে আলোচনা সভা ও দোয়ার মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। কুমিল্লা মহানগরী জামায়াতের আমীর ও কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য কাজী দ্বীন মোহাম্মদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন নবনির্বাচিত কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও নগর জামায়াতের নায়েবে আমীর মাস্টার আমিনুল হক, সহকারী সেক্রেটারি এ কে এম এমদাদুল হক মামুন, মাহবুবুর রহমান, সদর দক্ষিণ থানা জামায়াতের সেক্রেটারি মোহাম্মদ হোসাইনসহ আরো অনেকে। 

সভাপতির বক্তব্যে কাজী দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসের চেতনায় উজ্বীবিত হয়ে দল মত নির্বিশেষে সকলকে গণতন্ত্র পুনরুদ্বারে বলিষ্ঠ ভুমিকা রাখতে হবে। 

ফরিদপুর সংবাদদাতা : ৭ নবেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ফরিদপুর পৌর জামায়াতের উদ্যেগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

গতকাল বিকাল ৪টায় স্থানীয় ফরিদপুর জেলা জামায়াতের কার্যালয়ে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। 

প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শূরার সদস্য, ফরিদপুর অঞ্চল পরিচালক মুহাঃ দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় শূরা সদস্য শামসুল ইসলাম আল বরাটি। 

আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, ১৯৭৫ সালের এই দিনে সিপাহী-জনতার মিলিত বিপ্লবে নস্যাৎ হয়ে যায় স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী ষড়যন্ত্র। আধিপত্যবাদী ও সাম্রাজ্যবাদী শক্তির আগ্রাসন থেকে রক্ষা পায় বাংলাদেশ। এদিন ইসলাম প্রিয় সিপাহী-জনতা কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ঢাকা সেনানিবাসের বন্দিদশা থেকে মুক্ত করে আনেন তৎকালীন সেনাপ্রধান ও স্বাধীনতার ঘোষক মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানকে। 

ফরিদপুর জেলা পৌর আমীর ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে ফরিদপুর জেলা পৌর আমীর ইমতিয়াজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন জেলা আমীর প্রফেসর আব্দুত তাওয়াব, পৌর নায়েবে আমীর।

এস.এম আবুল বাশার, শিবির শহর সেক্রেটারি মিরাজুল ইসলাম, মাস্টার জাহাঙ্গীর আলম, মুন্সি গোলাম রসুল, মাওঃ এমদাদুল হক, মিজানুর রহমান সহ স্থানীয় জামায়াতের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। 

খুলনা অফিস : বাংলাদেশ জাাময়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মাওলানা আবুল কালাম আজাদ বলেছেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে গণতন্ত্র হুমকির মুখে। তাই এ সঙ্কট উত্তরণে একটি অর্থবহ নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের প্রতিনিধিত্বশীল সরকার প্রয়োজন। সেজন্য দেশের আপামর জনসাধারণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। 

দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ৭ নবেম্বরের ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপটের গুরুত্ব অপরিসীম মন্তব্য করে তিনি বলেন, ওইদিন দেশপ্রেমিক সৈনিক ও জনতা দ্বিতীয় বারের মতো বিপ্লবের মধ্যদিয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করেছিলেন। সে সময়ে দেশের জনগণের সংগ্রামে নতুন করে দেশের গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ফিরিয়ে আনতে নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছিল। তেমনি আর একটি গণআন্দোলনের মাধ্যমে এ স্বৈরাচারী সরকারকে উৎখাত করে দেশের শান্তি শৃঙ্খলা রক্ষায় সকলকে এগিয়ে আসতে হবে। 

সরকার দেশের গণতন্ত্র ও গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে ধ্বংস করে দিয়েছে বলেও অভিযোগ করে তিনি বলেন, সরকার দেশের সব গণতান্ত্রিক স্পেস সংকুচিত করে ফেলেছে। গণতন্ত্র ও মানুষের মৌলিক অধিকার কেড়ে নিয়েছে। 

ঐতিহাসিক ৭ নবেম্বর বিপব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে সোমবার বিকেলে সংগঠনের অস্থায়ী কার্যালয়ে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় উপস্থিত ছিলেন নগর সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট মুহাম্মদ শাহ আলম, মুহাম্মদ ইবনে ইসহাক, এম মনিরুল ইসলামসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ