শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০
Online Edition

অপরাধীদের বাঁচাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিরোধী দলকে দায়ী করার প্রক্রিয়া শুরু

স্টাফ রিপোর্টার ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া সংবাদদাতা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে হিন্দুর বাড়িঘর ও মন্দির আক্রান্ত হওয়ার ঘটনায় যখন ক্ষমতাসীনদের উস্কানি-ব্যর্থতার সমালোচনা করছেন ক্ষতিগ্রস্তরাসহ মানবতাবাদী ও বিবেকবান মানুষসহ বিভিন্নমহল, তখন দায়সারা-দায়মুক্তির নতুন প্লট তৈরির অপপ্রয়াস চালানো হচ্ছে। যেন প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিরোধী দলকে দায়ী করার নতুন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এদিকে, গতকাল সোমবারও হেফাজতে ইসলামের একটি প্রতিনিধিদলসহ আরো অন্তত দুটি সংগঠন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। এদিকে, এ ঘটনায় আরো ২১ জনকে গ্রেফতার করেছে আইনশৃংখলা বাহিনী। আর প্রথম দফায় গ্রেফতারদের মধ্যে ৮ জনকে রিমান্ডে নেয়া হয়েছে। অন্যদিকে, ঘটনার নয়দিন পর আজ মঙ্গলবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল নাসিরনগরে যাচ্ছেন। 

উল্লেখ্য, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সদর থেকে ৩০ কিলোমিটার ও নাসিরনগর সদর থেকে ১২ কিলোমিটার দূরবর্তী হরিণবেড় গ্রামের রসরাজ দাস নামক এক হিন্দু যুবকের ফেসবুকে গত ২৮ অক্টোবর পবিত্র কাবা শরীফকে অবমাননা করে একটি ছবি পোস্ট করার জেরে ৩০ অক্টোবর উপজেলার অন্তত পাঁচটি মন্দির ভাঙা হয়েছে; ভাংচুর-লুটপাট হয়েছে হিন্দুদের শতাধিক ঘর। ফেসবুকে রসরাজ ‘ইসলাম অবমাননা করে’ পোস্ট দিয়েছে বলে অভিযোগ ওঠার পর পুলিশ তাকে সেদিনই আটক করে। পরে আদালতের মাধ্যমে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরে আবারও হিন্দুদের বাড়িঘর আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন ব্যবস্থা নিলেও এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের উদ্বেগ-আতংক কাটছে না। এ ঘটনায় এ পর্যন্ত তিনটি মামলা দায়ের হয়েছে এবং সমানসংখ্যক তদন্ত কমিটি কাজ করছে।

হিন্দু আক্রান্ত হওয়ার এ ঘটনায় স্থানীয় এমপি এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এডভোকেট ছায়েদুল হকসহ স্থানীয় প্রশাসনের নির্লিপ্ততা, এমনকি উস্কে দেয়ার অভিযোগও উঠেছে। আর এসব অভিযোগের অঙ্গুলী মন্ত্রীসহ স্থানীয় আওয়ামী লীগের দিকেই। মন্ত্রী হিন্দুদের ‘মালাউন’ বলেননি বলে আত্মপক্ষ সমর্থন করার পরও বিষয়টি হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের সন্তুষ্ট করতে পারেনি। ক্ষতিগ্রস্ত হিন্দুরাসহ বিভিন্নমহল মন্ত্রীর পদত্যাগ বা বহিষ্কারের দাবিতে নাসিরনগর ছাড়াও দেশের বিভিন্ন স্থানে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন অব্যাহত রেখেছে। গতকাল সোমবারও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে পৃথক কর্মসূচিতে নাসিরনগরের ঘটনার জন্য মৎস্যমন্ত্রী ছায়েদুল হককে দায়ী করে তার দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করা হয়েছে। এর আগে স্থানীয় আওয়ামী লীগের তিনজন নেতাকে বহিষ্কার করা হয় ঘটনার সাথে সম্পৃক্ত থাকার কারণে। সপ্তাহ খানেক ধরে ঘটনা যারাই পর্যবেক্ষণ করছে তারাই এর জন্য ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের একটি উচ্ছৃংখল অংশকে দোষারোপ করছে। এ ছাড়া প্রশাসনিক দায়িত্ব অবহেলার অভিযোগ এনে নাসিরনগরের ইউএনও এবং ওসিকে প্রত্যাহার করা হয়েছে।

কিন্তু গত রোববার ভারতের আনুষ্ঠানিক উদ্বেগ প্রকাশের পর থেকে সরকারের উচ্চ পর্যায়ও বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করে। ওই দিন এক টুইট বার্তায় ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী সুষমা স্বরাজ নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িতে হামলা বাংলাদেশের হিন্দুদের নিরাপত্তা ও কল্যাণের বিষয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করার সাথে সাথে বিষয়টি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে কথা বলতে ঢাকাস্থ ভারতীয় হাইকমিশনার মি.শ্রিংলাকে নির্দেশ দেন। সুষমার এ বার্তা যেন ক্ষমতাসীনদের গায়ে একটা বড় ধাক্কা দেয়। সরকারি পর্যায়ে এ নিয়ে শুরু হয় নতুন হিসেব-নিকেশ। সুষমার টুইটের পরদিন গতকাল সোমবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের জানিয়ে দেন, ঘটনার নয়দিন পর তিনি আজ মঙ্গলবার আইজিপি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের কতিপয় নেতাকে নিয়ে নাসিরনগর পরিদর্শন করবেন। আর আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ জনশ্রুতির বিপরীতে এদিন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক মানববন্ধনে নাসিরনগরসহ সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন স্থানে ঘটে যাওয়া সংখ্যালঘুদের উপর হামলার পেছনে বিএনপি-জামায়াতের সরাসরি ইন্ধন রয়েছে বলে অভিযোগ করেন। তার মতে, নাসিরনগরে সংখ্যালঘুদের উপর হামলা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। অতীতে যেমন, মসজিদ, মাদরাসা, গির্জা ও মন্দিরে হামলার পেছনে বিএনপি-জামায়াতের ইন্ধন ছিল, এগুলোতেও তাদের সরাসরি ইন্ধন রয়েছে। এ অবস্থায় প্রশ্ন উঠেছে, সরকারের ভাবমর্যাদার স্বার্থে দায়সারা-দায়মুক্তির নতুন প্লট তৈরির অপপ্রয়াস শুরু হচ্ছে কিনা। কিংবা প্রকৃত অপরাধীদের বাঁচাতে এটিকে বিরোধী দল দমনে নতুন হাতিয়ার হিসেবে অপব্যবহার করা হয় কিনা। 

আরো গ্রেফতার ২১ জন : নাসিরনগরে হিন্দুদের বাড়িঘরে হামলা ও ভাংচুর ঘটনায় আরো ২১ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ নিয়ে গ্রেফতারের সংখ্যা দাঁড়ালো ৭৪। গত রোববার দিবাগত রাতে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করে পুলিশ। পুলিশ জানিয়েছে, তাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। উপজেলা সদরসহ বিভিন্ন স্থানে র‌্যাব-পুলিশ বিজিবিসহ অন্তত ৫শ’ আইন শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন রয়েছে। নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আবু জাফর গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, ঘটনায় দায়েরকৃত দুই মামলায় ওই ২১ জনকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। পুলিশের এ গ্রেফতার অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

৮ জনের রিমান্ড মঞ্জুর : এখানকার হিন্দুপল্লীতে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনায় প্রথম দফায় গ্রেফতারকৃত ১১ জনের মধ্যে আটজনের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সুলতান সোহাগ উদ্দিন তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। কোর্ট ইন্সপেক্টর মাহাবুবুর রহমান রিমান্ডের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। 

এবার পুলিশের মামলা : নাসিরনগর উপজেলায় হিন্দু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর, মন্দিরে হামলা, লুটপাট ও ভাঙচুরের ঘটনায় এবার পুলিশ বাদী হয়ে পৃথক দুটি মামলা করেছে। গত রোববার রাতে এ দুটি মামলায় করা হয় বলে জানিয়েছেন নাসিরনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু জাফর। তিনি জানান, দুটি মামলায় অজ্ঞাত পরিচয়ের দেড়শ’ জনকে আসামী করা হয়েছে। এর আগেও হামলার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের কাজল দত্ত ও নির্মল দত্ত দুই ভুক্তভোগী বাদী হয়ে দুটি মামলা করেছিলেন। 

নাসিরনগরে হামলাকারীরা প্রকৃত মুসলমান না- হেফাজতে ইসলাম : নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর ও মন্দিরে যারা হামলা চালিয়েছে তারা প্রকৃত মুসলমান নয় বলে মন্তব্য করেছেন হেফাজতে ইসলামের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাওলানা সাজিদুর রহমান। তিনি বলেন, ইসলাম কখনও এ ধরনের হামলা ও ভাঙচুর সমর্থন করে না। গতকাল দুপুরে নাসিরনগরে ভাঙচুর করা মন্দির পরিদর্শন শেষে গৌর মন্দির এলাকায় তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। এ সময় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জামিয়া ইউনুসিয়া মাদরাসার প্রিন্সিপাল ও জেলা হেফাজতের সাধারণ সম্পাদক মাওলানা মুফতি মোবারক উল্লাহ, মাওলানা আব্দুর রহিম কাসেমি ও মাওলানা মুখলেছুর রহমান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ক্ষতিগ্রস্থদের মধ্যে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ : এদিকে, ক্ষতিগ্রস্থ ৫১টি হিন্দু পরিবারের মধ্যে গতকাল জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে টিন ও নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে। সকাল ১১টায় উপজেলা চত্বরে আয়োজিত বিতরণ অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মোঃ রেজওয়ানুর রহমান, জেলা ত্রাণ কর্মকর্তা মোঃ আবুল কাশেম, উপজেলা চেয়ারম্যান এটিএম মনিরুজ্জামানসহ জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। নাসিরনগর সদর উপজেলার কাশিপাড়ার ক্ষতিগ্রস্থ ১২টি পরিবারকে ৩ বান্ডিল করে টিন, নগদ নয় হাজার টাকা, হরিপুর ইউনিয়নের ১৬টি পরিবারকে ২ বান্ডিল করে টিন ও নগদ ৬ হাজার টাকা এবং সদরের আরো ২৩টি পরিবারকে ২ বান্ডিল করে টিন ও নগদ ৬ হাজার করে টাকা প্রদান করা হয়। জেলা প্রশাসক মোঃ রেজওয়ানুর রহমান বলেন, আমরা সবসময় ক্ষতিগ্রস্থদের পাশে আছি। নাসিরনগরের পরিবেশ আগের মতো শান্ত হয়ে এসেছে। আশা করছি সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে যে সম্প্রীতি ছিল সেটি আবারও ফিরে আসবে।

নাসিরনগরে সহিংসতার ঘটনা সুপরিকল্পিত- সেক্টরস কমান্ডারস ফোরাম : নাসিরনগরে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের বাড়িঘর ও মন্দিরে হামলার ঘটনা সুপরিকল্পিত বলে মন্তব্য করেছেন সেক্টরস কমান্ডারস ফোরামের নেতারা। এদিন বিকেল ৩টার দিকে নাসিরনগর প্রেস ক্লাবে এক সাংবাদিক সম্মেলনে তারা এসব কথা বলেন। এর আগে দুপুরে ফোরামের ১৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল নাসিরনগরে ক্ষতিগ্রস্ত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িঘর ও মন্দির পরিদর্শন করেন। সাংবাদিক সম্মেলনে ফোরামের মহাসচিব হারুন হাবিব এক লিখিত বক্তব্যে বলেন, দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে একটি চক্র এ ঘটনা ঘটিয়েছে। এর আগে রামু ও উখিয়াতেও একই ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ফোরামের নেতারা ক্ষতিগ্রস্তদের পূর্ণনিরাপত্তা দেয়ারও দাবি জানান। সাংবাদিক সম্মেলনে সংগঠনের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) কেএম শফিউল্লাহ বীর উত্তম এবং সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব ম. হামিদও বক্তব্য রাখেন।

রসরাজ নির্দোষ হলে তাঁকে ছেড়ে দেয়া হবে- স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী : এদিকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল বলেন, নাসিরনগরে ফেসবুকে পবিত্র কাবা নিয়ে ব্যাঙ্গচিত্র পোস্ট করার ঘটনায় অভিযুক্ত রসরাজ দাস যদি নির্দোষ প্রমাণিত হয় তাহলে তাঁকে ছেড়ে দেয়া হবে। গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রণালয়ের সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি দাবি করেন, নাসিরনগরের পরিস্থিতি এখন শান্ত আছে। আর পুরো ঘটনাটির ব্যাপারে তদন্ত চলছে। তদন্তে যারাই দোষী প্রমাণিত হবে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মন্ত্রী ছায়েদুল হকের বিচার দাবি : নাসিরনগরে হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হামলার পরে তাদেরকে নিয়ে কটূক্তি ও কুরুচিপূর্ণ বক্তব্যের প্রতিবাদে মৎস্য ও পানি সম্পদমন্ত্রী ছায়েদুল হকের উপযুক্ত বিচারের দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিষ্টান আদিবাসী পার্টি। গতকাল জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে সংগঠনটির আয়োজনে এক মানববন্ধন থেকে এ দাবি জানানো হয়। ছায়েদুল হককে মন্ত্রীত্ব থেকে বহিষ্কার ও উপযুক্ত বিচার দাবি করে বক্তারা বলেন, ওই হামলার ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্থ প্রতিটি পরিবারকে পুনর্বাসনের জন্য ২০ লক্ষ এবং প্রত্যেক মন্দিরকে ২৫ লাখ টাকা সরকারিভাবে দেয়ার দাবি জানানো হয়।

মানববন্ধনে সংগঠনের সভাপতি মিঠুন চৌধুরী, ঢাকা মহানগর কমিটির সভাপতি দীপক গুপ্ত, পার্টির উপদেষ্টা ডা. গোপাল চন্দ্র দেবনাথ, অধ্যাপক হীরেন্দ্র বিশ্বাস, যুব পার্টির সভাপতি আশিস ঘোষ অসিত, ঢাকা মহানগর কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক শৈলেন্দ্র সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ