সোমবার ১২ এপ্রিল ২০২১
Online Edition

হলমার্কের চেয়ারম্যানকে কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ

স্টাফ রিপোর্টার : ভুয়া প্রতিষ্ঠান সাজিয়ে ঋণ নেয়া ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় হলমার্ক গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলামকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল বুধবার জেসমিনকে ঢাকা সিএমএম আদালতে হাজির করা হয়। তার আইনজীবীরা জামিন আবেদন করলে শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম আবু সাঈদ জামিন না মঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে দুদকের উপ-সহকারী পরিচালক মুহাম্মদ জয়নাল আবেদিন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত প্রাঙ্গন থেকে তাকে গ্রেপ্তার করেন। জনতা ব্যাংকের টাকা আত্মসাতের দায়ে গত মঙ্গলবার মতিঝিল থানায় (ডিএমপি) দায়ের করা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, হলমার্ক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোঃ তানভীর মাহমুদ ওরফে তফছীর ও গ্রুপের চেয়ারম্যান জেসমিন ইসলাম তাদের বেতনভুক্ত কর্মচারী মোঃ জাহাঙ্গীর আলমকে আনোয়ারা স্পিনিং মিলস- এর মালিক এবং মীর জাকারিয়াকে ম্যাক্স স্পিনিং মিলস- এর মালিক সাজিয়ে জনতা ব্যাংক ভবন কর্পোরেট শাখায় ভুয়া হিসাব খোলেন। এই প্রতিষ্ঠান দুটির মাধ্যমে হলমার্ক গ্রুপ ব্যাক-টু-ব্যাক এলসির কোন মালামাল আমদানি-রপ্তানি না হওয়া সত্ত্বেও ভুয়া রেকর্ডপত্র দেখিয়ে জনতা ব্যাংক ভবন কর্পোরেট শাখা থেকে সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন কর্পোরেট শাখার একসেপটেন্সের মাধ্যমে আনোয়ারা স্পিনিং মিলস ও ম্যাক্স স্পিনিং মিলস- এর হিসাবে ৮৫ কোটি ৮৭ লাখ ৩৩ হাজার ৬১৭ টাকা বিল হিসেবে জমা করে। যা উত্তোলনপূর্বক আত্মসাৎ করা হয়। এ মামলায় জেসমিন ও তানভীর ছাড়াও আরো ১৪ জনকে আসামী করা হয়েছে।

দুদক সূত্রে আরো জানা যায়, সোনালী ব্যাংক লিমিটেডের হোটেল শেরাটন শাখা হতে ভুয়া আইবিপি- এর মাধ্যমে উক্ত দুটি ভুয়া প্রতিষ্ঠান এক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের দায়ে ইতোপূর্বে দায়ের করা ৭টি মামলা আদালতে বিচারাধীন রয়েছে।

হলমার্ক কেলেঙ্কারিতে এ পর্যন্ত ফান্ডেড (সোনালী ব্যাংক থেকে সরাসরি ঋণ) এক হাজার ৯৪১ কোটি ৩১ লাখ ৭১ হাজার ৮০২ টাকা আত্মসাতের দায়ে রাজধানীর রমনা মডেল থানায় মোট ৩৮টি মামলা ও চার্জশিট দেয় দুদক। এর মধ্যে এক হাজার ৫৬৮ কোটি ২৬ লাখ ৮ হাজার ৫৭১ টাকা আত্মসাতের দায়ে ১১ মামলার বিচারকাজ চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ