বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

মোবাইলের রেডিয়েশনে ব্রেন ক্যান্সার

২ নবেম্বর, ইন্টারনেট : আপনার সারাদিনের সঙ্গী মোবাইল? অফিসে, বাড়িতে সারাক্ষণ মোবাইলে মগ্ন? মাথার পাশে মোবাইল রেখেই ঘুম? তাহলে মহাবিপদ। কারণ মোবাইলের রেডিয়েশনে ব্রেন টিউমার তো বটেই, হতে পারে ব্রেন ক্যান্সার।
ফেসবুকে মগ্ন রাত। ঘুমের ভিতর খেলা করে মোবাইলের নীল আলো। রাত বাড়ে।  ঘুম নামে চোখে। হাত থেকে ছিটকে পড়ে বালিশের পাশেই ঘুমিয়ে পড়ে মোবাইলও।  নাহ, ঘুমিয়ে পড়ে না, বরং বড্ড বেশি জেগে থাকে ফোন। এ নিয়ে সতর্কবার্তা শুনিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।  মোবাইল থেকে বের হয় ইলেকট্রোম্যাগনেটিক রেডিয়েশন। এই রেডিয়েশন অতিমাত্রায় শরীরে প্রবেশ করলে মাথায় টিউমার হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটা বেড়ে যায়।  বিশেষ করে শিশুদের ক্ষেত্রে এই সম্ভাবনা বেশি।  কারণ, তাদের খুলির বাইরের অংশ বড়দের তুলনায় পাতলা হয়।  ফলে রেডিয়েশনের প্রভাব তাদের মাথায় বেশি পড়ে।  এ ছাড়াও ঘুমকে গভীর করার জন্য শরীর থেকে মেলাটোনিন নামে একপ্রকার হরমোন বেরোয়।  কিন্তু মোবাইল, ট্যাবলেট, টিভি বা এলইডি স্ক্রিন লাগানো কোনো গ্যাজেট থেকে যে রেডিয়েশন বের হয়, তা ওই মেলাটোনিন হরমোন নিঃসরণে বাধা দেয়।  ফলে ঘুমের দফারফা।
ইন্টারন্যাশনাল এজেন্সি ফর রিসার্চ অন ক্যান্সার ইতোমধ্যেই মোবাইল ফোনকে ক্যান্সারের সম্ভাব্য কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছে।  ২০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে যারা অতিমাত্রায় মোবাইল ব্যবহার করে, তাদের ব্রেন ক্যান্সারের সম্ভাবনা প্রায় ৫ শতাংশ বেড়ে যায়। সুইডেনের ওরেবরো বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞানীরা এরা মারাত্মক বিপদের সতর্কবার্তা দিয়েছেন।  তাদের দাবি, থার্ড জেনারেশন অর্থাৎ থ্রি-জি ফোনে আরো উচ্চ ফ্রিকোয়েন্সি ব্যান্ড ব্যবহার করা হয়।  যা শরীরের পক্ষে টু-জি ফোনের চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতিকর।  ব্রেন ক্যান্সারের সম্ভাবনা বাড়িয়ে দেয়।  তাই, বিছানায় মোবাইল তো নয়ই, বেডরুমেও মোবাইল রেখে ঘুমানো ছাড়ুন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ