মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

বিএনপি জোটের সাথে সংলাপ ছাড়া কোন বিকল্প নাই -নজরুল ইসলাম খান

স্টাফ রিপোর্টার : আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের বক্তব্য বিএনপির সাথে সংলাপের প্রয়োজন নাই’ বক্তব্যের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, যতই বলেন সংলাপ করবেন না, লাভ নাই। বিশ্ব জানে, দেশবাসী জানে এদেশের জনসমর্থিত বিরোধী দল বিএনপি আর বিরোধী জোট ২০ দলীয় জোট। আপনাদের তৈরী বিরোধী দলকে দেশবাসী, আন্তর্জাতিক শক্তি কেউ বিরোধী দল মনে করে না। সুতরাং জনগণের সমর্থিত বিরোধী দল ও জোটের সাথে সংলাপের কোনো বিকল্প নাই।

 গতকাল শুক্রবার দুপুরে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে ২০ দলীয় জোটের শরীক বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টি আয়োজিত ‘স্বাধীন ও নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠনে জনগণের প্রত্যাশা’-শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব বলেন নজরুল ইসলাম খান। ইসলামিক পার্টির চেয়ারম্যান আবু তাহের চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন লেবার পার্টির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এমএ রশিদ শাহ স¤্রাট, ন্যাপ ভাসানীর চেয়ারম্যান এডভোকেট আজহারুল ইসলাম, বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, বাংলাদেশ ইসলামিক পার্টির মহাসচিব এডভোকেট আবুল কাশেম, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাখাওয়াত হোসেন চৌধুরী শিপন, এনডিপির প্রেসিডিয়াম সদস্য মঞ্জুর হোসেন ঈসা, বাংলাদেশ ইসলামী যুব সংঘের যুগ্ম-আহ্বায়ক আল-আমিন, দেশ বাঁচাও মানুষ বাঁচাও আন্দোলনের সভাপতি কেএম রকিবুল ইসলাম রিপন প্রমুখ।

নজরুল ইসলাম খান বলেন, সুষ্ঠু ও সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের জন্য দেশের সকল রাজনৈতিক দলের কাছে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। মেরুদণ্ডহীন, দলীয় অন্ধ অনুগত কোনো নির্বাচন কমিশন দেশবাসী মানবে না। সকলের সম্মতিতেই নির্বাচন কমিশন গঠন করতে হবে। আলোচনার নামে শুধু নাটক করলে হবে না।

তিনি বলেন, সৎ-যোগ্য-সাহসী, আইন ও সংবিধানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ব্যাক্তিদেরকেই নির্বাচন কমিশনে আনতে হবে। আবার যদি সরকার কোনো নির্বাচনী নাটক করতে চায় তাহলে জনরোষেই সরকারের পতন হবে।

সরকারকে হুঁশিয়ারি জানিয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খান বলেছেন, এবার জনগণ ভোট দিতে না পারলে ক্ষেপে উঠবে। তিনি বলেন, জনগণ ভোটাধিকারের মাধ্যমে নির্বাচিত সরকার চায়। সরকার দায়িত্ব পালনে আরেকবার ব্যর্থ হলে জনগণ জেগে উঠবে। 

তিনি বলেন, ‘আমরা বলি না যে নির্বাচন কমিশনে আমাদের পছন্দের লোক নিয়োগ দিতে হবে। ইসি কারও লোক হবে না। যাদের নিয়োগ দেওয়া হবে, তারা কেবল নির্বাচন কমিশনের লোক হবেন। কিন্তু এমন লোক দিয়ে সার্চ কমিটি গঠন করা হয়েছিল, আর তারা এমন লোক নিয়োগ দিয়েছেন, যারা সরকারের কাজ ছাড়া কিছু করে না। এমন লোকেরা জনগণের ভোটাধিকার রক্ষা করতে পারেননি। এ রকম নির্বাচন কমিশন জনগণ চায় না।

এডভোকেট আবুল কাশেম বলেন, স্বাধীনতার চেতনা আর মুক্তিসংগ্রামের গণতন্ত্রের স্বপ্ন আজো অধরাই রয়ে গেছে। বর্তমানে স্বৈরাচারের নয়া লেবাসে স্বৈরাচার ও বাকশালের মিশ্রণে ডিজিটাল গণতন্ত্রের যুগ চলছে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ