মঙ্গলবার ০৩ আগস্ট ২০২১
Online Edition

স্পেনের বন্দর থেকে রুশ রণতরীর জ্বালানি সংগ্রহে ন্যাটোর উৎকণ্ঠা

২৬ অক্টোবর, দ্য গার্ডিয়ান : স্পেনের একটি বন্দর থেকে রুশ রণতরীকে জ্বালানি নেওয়ার অনুমতি দেয়ায় উৎকণ্ঠা প্রকাশ করেছে ন্যাটো। তীব্র সমালোচনার মুখে স্পেন ওই অনুমতির সিদ্ধান্ত খতিয়ে দেখছে বলে জানিয়েছে।  ধারণা করা হচ্ছে, রুশ যুদ্ধজাহাজগুলো জিব্রাল্টার প্রণালি পার হয়ে গতকাল বুধবার স্থানীয় সময় সকালের দিকে স্পেনের সিউটা বন্দরে উপস্থিত হয়। স্পেন কর্তৃপক্ষ সেখান থেকেই ওই রুশ যুদ্ধজাহাজগুলোকে জ্বালানি সংগ্রহের অনুমতি দিয়েছে। সিউটা বন্দরটি স্পেন-মরক্কো সীমান্তে অবস্থিত। স্পেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, আন্তর্জাতিক জলসীমায় স্পেনের যুদ্ধজাহাজ হুয়ান ডি বরবন এবং রসদ সরবরাহকারী জাহাজ ক্যান্টাব্রিয়া ওই রুশ যুদ্ধজাহাজগুলোকে ‘আড়াল করে’ নিয়ে যাচ্ছে।  গত মঙ্গলবার ন্যাটো মহাসচিব জেনস স্টোলটেনবার্গ সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, এই যুদ্ধজাহাজগুলোকে রাশিয়া সিরিয়ায় বেসামরিক মানুষদের মারতে ব্যবহার করতে পারে।  তবে তিনি আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেক দেশেরই কোনও যুদ্ধজাহাজকে তার নৌঘাঁটি থেকে জ্বালানি সংগ্রহের অনুমতি দেয়া, না দেয়ার অধিকার রয়েছে।’ ন্যাটো জানিয়েছে, কেরিয়ারসহ আটটি বড় যুদ্ধজাহাজ রাশিয়ার উত্তরাঞ্চল থেকে ভূমধ্যসাগরের পূর্বাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। ধারণা করা হচ্ছে, নভেম্বরে রাশিয়া এর মাধ্যমে সিরিয়ার উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে হামলার তীব্রতা বাড়াবে।  স্টোলটেনবার্গ বলেন, ‘এই রণতরী আলেপ্পো ভূমধ্যসাগরে অবস্থান করার ফলে সিরিয়া অভিযানে রাশিয়ার অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে বলে মনে করা হচ্ছে।’ স্পেনের স্থানীয় সংবাদমাধ্যম এল পাইস জানিয়েছে, সমালোচনার মুখে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রুশ কর্তৃপক্ষকে দেয়া অনুমতির বিষয়টি আবারও খতিয়ে দেখছে। তবে স্পেনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাশিয়ার যুদ্ধজাহাজকে জ্বালানি সংগ্রহের অনুমতি প্রদানের বিষয়ে তারা প্রতিটা ক্ষেত্র পৃথকভাবে বিবেচনা করে থাকে।  জানা গেছে, ১০ দিন ধরে সমুদ্রে থাকা ওই রুশ জাহাজগুলোর জ্বালানি প্রায় ফুরিয়ে এসেছে। এমন অবস্থায় রুশ কর্তৃপক্ষ জ্বালানি সরবরাহের জন্য অনুরোধ জানায় স্পেনের কর্তৃপক্ষের কাছে। স্পেন কর্তৃপক্ষ অনুমতি দেয়ার পরই রুশ জাহাজগুলো সিউটার দিকে যাত্রা করে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ