রবিবার ৩১ মে ২০২০
Online Edition

ঢামেকে অ্যাম্বুলেন্স চাপায় আহত আরেকজনের মৃত্যু

স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে অ্যাম্বুলেন্স চাপায় আহত রমজান আলী (৩০) নামে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে তিনি আইসিইউতে মারা যান। রমজান আলীর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা জেলায়।

রমজান আলীর স্ত্রী সাথী আক্তার জানান, তারা বর্তমানে রায়েরবাগের মিরাজ নগর এলাকায় ভাড়া থাকতেন। রমজান গুলশানে শাইন পুকুরের একটি দোকানের কর্মচারী হিসেবে কাজ করতেন। ঘটনার দিন সাথী আক্তারকে ডাক্তার দেখাতে ঢামেকে গিয়েছিলেন তারা দুইজন। দুই ছেলেকে নিয়ে অসহায় হয়ে গেছেন সাথী। বড় ছেলে সামী (৮) এবার স্কুলে ভর্তি হয়েছে এবং সাদের বয়স দুই বছর। স্বামী হারিয়ে সে এখন দিশেহারা। ঢামেক জরুরি বিভাগের আবাসিক চিকিৎসক ডাক্তার জেসমিন নাহার রমজান আলীর মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। লাশ ময়ণা তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। 

এর আগে, গত শনিবার (১৫ অক্টোবর) ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের সামনে অ্যাম্বুলেন্সের নিচে চাপা পড়ে মা ছেলেসহ ৪ জন নিহত হয়। এ ঘটনায় রমজান আলীসহ আরও ৩ জন আহত হয়ে। আহতদের মধ্যে এখন সজিব নামে একজন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। তার বাঁ পা ভেঙে গেছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। এসআই মো. বাচ্চু মিয়া জানান, নাসির মিস্ত্রী নামে একজন ওই অ্যাম্বুলেন্সের মালিক। তবে তিনি ঘটনার সময় গাড়িতে ছিলেন না। গাড়ি চালাচ্ছিলেন তার সহকারী সোহেল। ঘটনার পরপরই পুলিশ সোহেলকে আটক করে; পরে শাহবাগ থানায় তার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পুলিশ তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদও করেছে।

মিরপুরে পোশাক শ্রমিক নিহত: রাজধানীর মিরপুরে একটি তৈরি পোশাক কারখানার সপ্তম তলা থেকে পড়ে গিয়ে এক শ্রমিক নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত শাহ আলম (৪৫) মিরপুর ২ নম্বর সেকশনের কাছে রুপনগরের অনিক অ্যাপারেল লিমিটেডের কারখানায় কাজ করতেন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় অনিক অ্যাপারেলের কারখানা ভবনে এ ঘটনা ঘটে বলে জানান রুপনগর থানার ওসি সৈয়দ শহীদ আলম। ওসি বলেন, পড়ে যাওয়ার পর পরই সহকর্মীরা উদ্ধার করে আলমকে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখান থেকে পরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করে। কিভাবে আলম ওই ভবন থেকে পড়ে যান সেবিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে না পারলেও তৈরি পোশাকের এই শ্রমিক ভবন থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণার কথা জানান তিনি। তার স্ত্রী ও সহকর্মীদের বরাত দিয়ে ওসি শহীদ আলম বলেন, শাহ আলম মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে তার মধ্যে হতাশা কাজ করছিল। এই থেকে তিনি লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করতে পারে।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ