রবিবার ৩১ মে ২০২০
Online Edition

আটকের ৪৩ দিন পর মিললো জামায়াতের ঝিনাইদহ শহর শাখার আমীর জহুরুল ইসলামের লাশ

স্টাফ রিপোর্টার : আটকের ৪৩ দিন পর মিললো বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঝিনাইদহ শহর শাখার আমীর মো: জহুরুল ইসলামের লাশ। গত ৭ সেপ্টেম্বর আটকের পর থেকে তার কোন খবর পাচ্ছিল না তার পরিবারের সদস্যরা। প্রকাশ্যে দিবালোকে পুলিশ জহুরুল ইসলামকে আটক করলেও তা অস্বীকার করছিল। গত বৃহস্পতিবার গোপালগঞ্জের গওহরডাঙ্গা গ্রামের মধুমতি নদীর ধারে পাওয়া বেওয়ারিশ লাশটি মোঃ জহুরুল ইসলামের বলে সনাক্ত করেছে পরিবারের সদস্যরা। কিন্তু পরদিন সেই লাশটিও গায়েব হয়ে যায়। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার। 

জানা যায়, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঝিনাইদহ শহর শাখার আমীর মোঃ জহুরুল ইসলাম গত ৭ সেপ্টেম্বর দুপুর ২টার দিকে ঝিনাইদহ শহরের হামদহস্থ দিশারী প্রি-ক্যাডেট স্কুলে যায়। সাথে সাথেই পূর্ব থেকে ওঁৎ পেতে থাকা ঝিনাইদহ পুলিশের এসআই আমিনুল ইসলামের নেতৃত্বে একদল সাদা পোশাক পরিহিত পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে একটি সাদা মাইক্রোবাসে তুলে নেয়। তারপর ওই স্থানে লটকানো সি.সি ক্যামেরাটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। এরপর তাকে চোখ বেঁধে মাইক্রোবাসে তুলে অজানা স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। অতঃপর প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ করা হলে তারা তাকে গ্রেফতারের কথা সম্পূর্ণরূপে অস্বীকার করে। 

এদিকে গোপালগঞ্জ জেলার মুকসুদপুর উপজেলার গওহরডাঙ্গা গ্রামের মধুমতি নদীর ধারে ১৯ অক্টোবর যে বেওয়ারিশ লাশটি পাওয়া গেছে তা মোঃ জহুরুল ইসলামের। লাশের ছবি দেখে তার পরিবারের সদস্যরা তার লাশ বলেই চিহ্নিত করেছে। 

জামায়াতের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিস্ময়কর ব্যাপার হলো গত ১৯ অক্টোবর স্থানীয় পুলিশের পক্ষ থেকে স্বজনদের এসে লাশ চিহ্নিত করতে বলা হলেও গত ২০ অক্টোবর লাশ নাই বলে পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে। দাফনের জন্য কী স্বজনরা তার লাশও পাবে না?

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ