ঢাকা, শনিবার 15 August 2020, ৩১ শ্রাবণ ১৪২৭, ২৪ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

ইংলিশ চ্যানেলে রুশ রণতরী, ব্রিটেনে উত্তেজনা

অনলাইন ডেস্ক: ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিচ্ছে রুশ রণতরী। ব্রিটেন ও ফ্রান্সকে বিভক্তকারী চ্যানেলটি শুক্রবার সকালে পাড়ি দেবে রুশ নৌবাহিনীর একমাত্র বিমানবাহী এ যুদ্ধজাহাজ।

জাহাজটি এখনো আন্তর্জাতিক জলসীমায় রয়েছে। কিন্তু নিজেদের জলসীমার কাছাকাছি হওয়ায় সতর্ক অবস্থানে রয়েছে ব্রিটেন। যখন সিরিয়া ইস্যুতে রাশিয়া-ব্রিটেন উত্তেজনার উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে।

ব্রিটিশ নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ রুশ রণতরীটিকে দূর থেকে অনুসরণ করছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, ব্রিটেনের জলসীমার আরো কাছাকাছি এলে রণতরীটির প্রতি মুহূর্তের গতিবিধি সার্বক্ষণিক নজরদারিতে রাখা হবে।

ব্রিটেনের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মাইকেল ফ্যালন বলেছেন, যদিও রুশ রণতরী আন্তর্জাতিক জলসীমা দিয়ে যাচ্ছে। তবুও ব্রিটেনের নিরাপত্তার প্রতিশ্রুতি রক্ষার জন্যই তা নজরদারিতে থাকছে।

রাশিয়ার রণতরী কুজনেৎসভ বহরটি নরওয়েজিয়ান সাগর থেকে দক্ষিণ অভিমুখে যাত্রা করেছে। ব্রিটেনের এইচএমএস ডানকান ৪৫ ডেস্ট্রয়ার, ২৩ ফ্রিগেট এইচএমএস রিচমন্ড জাহাজের প্রহরায় মঙ্গলবার পোর্টসমাউথ থেকেই বহরটিকে অনুসরণ (ট্র্যাক) করে আসছে।

ধারণা করা হচ্ছে, যুদ্ধবিমানবাহী অ্যাডমিরাল কুজনেৎসভ ও অন্যান্য রুশ রণতরীগুলো ভূমধ্যসাগরের পূর্ব উপকূলে নোঙ্গর করবে।

যে পথ দিয়ে যাচ্ছে রুশ রণতরীযে পথ দিয়ে যাচ্ছে রুশ রণতরীএটি রুশ নৌবাহিনীর একমাত্র বিমানবাহী রণতরী যেটি ৫০টির বেশি যুদ্ধবিমান বহন করতে সক্ষম। রণতরীটির সমরাস্ত্র ব্যবস্থায় শক্তিশালী জাহাজ বিধ্বংসী ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও আছে।

এদিকে এরই মধ্যে সিরিয়াতে রাশিয়ার ১০টি যুদ্ধজাহাজ অবস্থান করছে। যেখান থেকে সিরিয়া বিদ্রোহীদের ওপর রুশ গোলাবর্ষণের সময় ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও নিক্ষেপ করা হয়।

এই রণতরী এমন সময় সিরিয়া অভিমুখে যাত্রা করছে যখন বিদ্রোহী অধ্যুষিত আলেপ্পোতে “মানবিক অস্ত্র বিরতি” চলছে। এ সাময়িক অস্ত্র বিরতির মাধ্যমে সাধারণ নাগরিক ও যোদ্ধাদের আলেপ্পো ত্যাগের সুযোগ দেয়া হচ্ছে। এছাড়া মঙ্গলবার থেকে রুশ ও সিরীয় বিমান হামলাও সাময়িক বন্ধ আছে।

অন্যদিকে বৃহস্পতিবার ব্রাসেলস সম্মেলনে ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে বলেন, ‘সিরিয়ায় রাশিয়া যে আগ্রাসন এবং মানবিক বিপর্যয়ে সৃষ্টি করেছে তা আমাদের যৌথভাবে মোকাবিলা করা উচিত।’ তিনি আরো বলেন, ‘ইউরোপের সম্মিলিতভাবে রুশ আগ্রাসনের জবাব দেয়া উচিত।’

এদিকে এরই মধ্যে ইউক্রেন ইস্যুতে রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ)। ইউরোপীয় নেতারা সিরিয়ার আলেপ্পো নগরীতে রাশিয়ার বোমা হামলার কঠোর নিন্দা জানিয়ে আসছেন।-সূত্র: বিবিসি

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ