ঢাকা, মঙ্গলবার 29 September 2020, ১৪ আশ্বিন ১৪২৭, ১১ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

নারায়ণগঞ্জে ৭ খুনের মামলার পরবর্তী শুনানী ১০ অক্টোবর

অনলাইন ডেস্ক : নারায়ণগঞ্জে আলোচিত সাত খুনের মামলায় তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ম-লকে পঞ্চম দিনের মতো জেরা করা হয়েছে। আগামী ১০ অক্টোবর সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ এনায়েত হোসেন এ তারিখ ধার্য করেছেন।

নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, আগামী ১০ অক্টোবর সোমবার মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেছেন আদালত। ওই দিনও তদন্তকারী কর্মকর্তাকেও জেরা করা হবে। এ নিয়ে ২৫ জনের জেরা সম্পন্ন হয়েছে। আশা করছি এ বছরই প্রসিকিউশনের কাজ শেষ হবে।

এ সময় মামলা দুটিতে গ্রেফতার নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকরিচ্যুত তিন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন ও এমএম রানাসহ ২৩ আসামি উপস্থিতি ছিলেন।

এর আগে মামলার প্রধান আসামি নূর হোসেন, র‌্যাবের চাকরিচ্যুত তিনজন কর্মকর্তা তারেক সাঈদ, আরিফ হোসেন, এম এম রানা এবং র‌্যাবের এসআই পূর্ণেন্দু বালার জেরা গ্রহণ করা হয়। সাত খুনের ঘটনায় ৩৫জনকে অভিযুক্ত করে মামলা হয়। এর মধ্যে ২৩ আসামি গ্রেফতার ও ১২জন পলাতক রয়েছে।

বৃহস্পতিবার ল্যান্স নায়েক হীরা মিয়া, করপোরাল রুহুল আমিন, পলাতক কর্পোরাল মোখলেছুর রহমান, সৈনিক আবদুল আলিম ও মহিউদ্দিন মুন্সীর পক্ষে অ্যাডভোকেট সেলিনা ইয়াসমিন জেরা করেন। এছাড়া এএসআই কামাল হোসেন ও কনস্টেবল হাবিবুর রহমান হাবিবের পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আরিফ হোসেন জেরা করেন। আসামি আলামিন, তাজুল ইসলাম, এনামুল কবির ও হাজতি আসামি ল্যান্স নায়েক বেলাল হোসেন হোসেনের পক্ষে এডভোকেট আবু বক্কর সিদ্দিক জেরা করেন তন্তকারী কর্মকর্তাকে। আসামি আরিফুল ইসলামের পক্ষে এডভোকেট রনজিৎ ম-ল, হাজতি আসামি সিহাবউদ্দিন ও আবু তৈয়্যবকে এডভোকেট মিজানুর রহমান জেরা করেন। এএসআই হাজতি বজলুর রহমান ও আসাদুজ্জামান নূরের পক্ষে এডভোকেট মোস্তাফিজুর রহমান, পলাতক সেলিম, সানাউল্লাহ ও হাজতি আসামি এএসআই আবুল কালাম আজাদ ও সৈনিক নুরুজ্জামানের পক্ষে এডভোকেট আনিসুর রহমান মোল্লা তদন্তকারী কর্মকর্তাকে জেরা করেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মামুনুর রশিদ ম-ল বর্তমানে জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক হিসেবে রয়েছেন। তিনি  মামলার চার্জশিট আদালতে জমা দেওয়ার সময়ে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ওসি হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দুটি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজী চন্দন সরকারের মেয়ে জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অপর বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। দুটি মামলাতে অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এখন পর্যন্ত সাত খুনের দুটি মামলায় অভিন্ন ১২৭ সাক্ষীর মধ্যে ১০৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন শেষে জেরা শুরু হয়েছে।

২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম ও আইনজীবী চন্দন কুমার সরকারসহ মোট সাতজন অপহৃত হন। পরে ৩০ এপ্রিল শীতলক্ষ্যা নদী থেকে ৬ জনের ও ১ মে এক জনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মোট ৩৫ জনকে আসামি করে দুটি মামলা হয়। দুই মামলাতেই মোট ১২৭ জনকে অভিন্ন সাক্ষী করা হয়।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ