বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকেও জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারে দুদক

সংগ্রাম ডেস্ক : বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে ভৈরব সেতু নির্মাণের জন্য ২শ' ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। পরবর্তীতে বিএনপি জোট সরকারের আমলে এর বাজেট বেড়ে দাঁড়ায় ৫শ' কোটি টাকায়। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সূত্র জানায়, ২০০৪ সালে ঐ সেতুর কাজ শেষ হবার আগে যুক্তরাজ্যভিত্তিক ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান এডমন্ড নাটাল গ্রুপ সময়মত ড্রেজার না পাওয়া ও শ্রমিক নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যার কথা বলে নির্ধারিত বাজেটের চেয়ে ১শ' কোটি টাকা অতিরিক্ত দাবি করে। কিন্তু এর বিরুদ্ধে সে সময় জোট সরকার আন্তর্জাতিক আদালত কিংবা আরবিট্রেশন কমিশনে যায়নি। সড়ক ও জনপদ বিভাগের প্রস্তাবও পাশ কাটিয়ে এডমন্ড নাটাল গ্রুপের দাবি করা ১শ কোটি টাকা দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় তখনকার প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার নেতৃত্বাধীন ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এ ক্ষেত্রে কতটা অনিয়ম হয়েছে কিংবা এর সাথে কারা জড়িত ছিলেন তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন। কমিশনের চেয়ারম্যান গোলাম রহমান জানান, প্রাথমিক তথ্য অনুসন্ধান কাজ এগিয়ে নেয়া হয়েছে। তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহ করে যখন তা দুর্নীতি দমন কমিশনের কাছে উপস্থাপন করা হবে তখনই আমরা এ ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবো। অভিযোগ খতিয়ে দেখতে তখনকার মন্ত্রিপরিষদ সচিব ও বর্তমান পিএসসি চেয়ারম্যান সাদত হোসেনসহ সাবেক কয়েকজন সচিবকে ইতোমধ্যেই এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কমিশন। দুদক সূত্রে জানা গেছে, ভৈরব সেতুর অনিয়ম নিয়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হতে পারে। তারপরই জমা দেয়া হবে অনুসন্ধান রিপোর্ট। এটিএন বাংলা।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ