রবিবার ৩১ মে ২০২০
Online Edition

চরমপন্থীদের থেকে বাঁচতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা

খুলনা অফিস : নিষিদ্ধ চরমপন্থী সংগঠন ‘পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি’র পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবিতে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে ও গ্রেফতার তিন চরমপন্থী ক্যাডারকে রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদের দাবি জানিয়েছেন সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনের চেয়ারম্যান প্রার্থী। গতকাল মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২টায় খুলনা প্রেস ক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে জীবন বাঁচাতে প্রধানমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন খুলনা মহানগরীর সোনাডাঙ্গার হাজী তমিজউদ্দিন সড়কের বাসিন্দা ফরিদউদ্দিন মানিক। গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করে মূল হোতাদের মুখোশ উন্মোচন ও তাদের গ্রেফতারপূর্ব দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন তিনি। লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গত ১৮ এপ্রিল দুপুর দুইটার দিকে বাসার কাজের লোক পান্না মিয়ার কাছে একটি চিঠির খাম দিয়ে যায় অজ্ঞাত ব্যক্তি। চিঠিতে পূর্ব বাংলা কমিউনিস্ট পার্টি, এমএল (জনযুদ্ধ) প্যাডে কম্পিউটার কম্পোজে চরমপন্থী সংগঠনের পরিচয়ে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। পরে কাজের লোক পান্না মিয়া ও তার মোবাইলে ০১৮৫৫৯৬৬৩৫৯ নম্বর দিয়ে কল করে দাবিকৃত চাঁদার ৫ লাখ টাকা চায়। টাকা না দিলে তাকে ও তার পরিবারের সকলকে হত্যার হুমকি দেয়। একপর্যায়ে বাসায় তাদের টাকা নিতে আসতে বলা হয়। সে মোতাবেক গত ২২ এপ্রিল দুপুর আড়াইটার দিকে লাল রঙের ১৫০ সিসি একটি পালসার মোটরসাইকেলযোগে (ঢাকা মেট্রো ল-১৯-৬৯৭৮) বেলাল হাওলাদার (৩৫), আমিনুল ইসলাম (২৯) ও মোঃ ফরহাদ (৩০) বাসায় এসে তার কাছে চাঁদার টাকা চায়। এ সময় প্রতিবেশীদের সহায়তায় তাদের আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়। এ ঘটনায় ওইদিনই সোনাডাঙ্গা মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলায় বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের খেজুরবাড়িয়া গ্রামের হাজী ইসমাইল হাওলাদারের ছেলে মো. বেলাল হাওলাদার (৩৫), শরণখোলার রায়েন্দা গ্রামের ডা. আব্দুল বারেক আকনের ছেলে মো. আমিনুল ইসলাম (২৯) ও বিবাড়িয়ার সরাইলের শোলাবাড়ির আব্দুল হালিমের ছেলে মো. ফরহাদসহ (৩০) ৩/৪ জনকে আসামী করা হয়। তাদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করলে মূল রহস্য উদঘাটিত হবে বলে দাবি করেন তিনি। 

বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ইউনিয়নে সদ্য সমাপ্ত ইউপি নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে কতিপয় দুষ্কৃতিকারী আমাকে হত্যা করতে এই চরমপন্থী ক্যাডারদের ২০ লাখ টাকায় ভাড়া করেছে বলে গ্রেফতারকৃতদের মোবাইল আলাপোনে জানতে পেরেছেন তিনি। ফলে গ্রেফতারকৃতদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে ওই অর্থদাতা মূল চক্রান্তকারীদের মুখোশ উন্মোচন এবং তাদের গ্রেফতারপূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে সকলের সহায়তা চাইলেন ভুক্তভোগী ফরিদ উদ্দিন মানিক।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ