ঢাকা, শনিবার 26 September 2020, ১১ আশ্বিন ১৪২৭, ৮ সফর ১৪৪২ হিজরী
Online Edition

বিদ্যুৎ ভবনে ছাত্রলীগ-যুবলীগ গোলাগুলি, বোমা বিস্ফোরণ : গুলিবিদ্ধ ৩

সচিবালয়ের পাশেই রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে টেন্ডার জমা দেওয়া নিয়ে ছাত্রলীগ ও যুবলীগ ক্যাডারদের মধ্যে গোলাগুলি, ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। বিস্ফোরণ ঘটেছে হাত বোমার। শীর্ষনিউজ ডট কম।

এসময় অন্তত তিনজনের গুলিবিদ্ধ হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এদের মধ্যে আল-মামুন নামে একজনকে পুলিশ উদ্ধারের পর ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিয়েছে।

জানা যায়, মঙ্গলবার ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানির (ডিপিডিসি) অধীনে তেজগাঁও সাব স্টেশন ও মাদারটেক সাব স্টেশনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণের ৪২ লাখ ও ৩১ লাখ টাকার দু’টি টেন্ডার ড্রপের শেষ দিন ছিল। বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তানভীর ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান তানভীর গ্রুপ ও তালুকদার কনস্ট্রাকশনের দু’টি এবং মাহবুব আলম কনস্ট্রাকশনের একটি টেন্ডার ড্রপের পর মদীনা গ্রুপের পক্ষে টেন্ডার ড্রপের সময় ছাত্রলীগ ও যুবলীগ পরিচয়দানকারী কতিপয় সন্ত্রাসী টেন্ডার ড্রপে বাঁধা দেয়। এসময় দুই পক্ষের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ার ঘটনাও ঘটে।

এ সময় বিদ্যুৎ ভবনের দ্বিতীয় তলায় অবস্থিত পার্কিয়ের সিঁড়ির কাছে ছোঁড়া একটি গুলি পার্কিংয়ে থাকা বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. আহমেদ কায়কাউসের গাড়িতে লাগে। গাড়িটির নম্বর ঢাকা মেট্রো-ঘ-১৩-৬২-৩৩। আর মারামারির ঘটনায়  মামুন (৩০) সহ কয়েকজন আহত হন। এসময় আরো কয়েকজজন আহত হন। তারা পুলিশ আসার আগেই পালিয়ে যায়। পরে গুলির শব্দ পেয়ে শাহবাগ থানার এস আই মামুনসহ পুলিশ সেখানে উপস্থিত হন। পরে সন্ত্রাসীরা ফাঁকা গুলি ও হাতবোমা ফাটিয়ে পালিয়ে যায়। পালিয়ে যাওয়া সন্ত্রাসীরা ছাত্রলীগ ও যুবলীগের সঙ্গে জড়িত বলে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান।

এসময় আরেক সরকারি কর্মকর্তা যিনি একটি প্রকল্পে পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন। তার গাড়িতেও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।

একই সময়ে সচিবালয়ের পরিবহন পুলের সামনে ২ টি এবং সচিবালয়ের ৫ নম্বর গেটের ভেতরে একটি হাতবোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বোমা বিস্ফোরণের শব্দে পুরো এলাকায় পথচারীসহ লোকজনের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

শাহবাগ থানার ডিউটি অফিসার (উপ-পরিদর্শক)আলী আশরাফ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে শীর্ষ নিউজকে বলেন, ঘটনাস্থলে এএসআই রুহুল আমিন রয়েছেন। বিস্তারিত জানতে তার সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

পরে এএসআই রুহুল আমীন জানান, ঘটনার সময় আমি বিদ্যুৎ ভবনের তৃতীয় তলায় ছিলাম। আর টেন্ডার নিয়ে নিচ তলায় গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। সেখানে উপ-পরিদর্শক মোমিন স্যার ছিলেন। তিনিই বিস্তারিত বলতে পারবেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ