ঢাকা, বুধবার 12 August 2020, ২৮ শ্রাবণ ১৪২৭, ২১ জিলহজ্ব ১৪৪১ হিজরী
Online Edition

জাজমেন্ট হলো রিভিউয়ের সুযোগ দেয়ার, আর তা না দিয়েই ফাঁসি দিয়ে দেয়া হলো -ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেছেন, গণঅভ্যূত্থানই এই সরকারের পতন ঘটাতে পারে। রাজনৈতিক হস্তক্ষেপে দেশের মানুষ এখন ন্যায় বিচার পাচ্ছে না মন্তব্য করে কাদের মোল্লার নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, জাজমেন্ট হলো রিভিউয়ের সুযোগ দেয়ার। অথচ রিভিউয়ের সুযোগ না দিয়েই তাকে ফাঁসি দিয়ে দেয়া হলো। এটা কি ইনসাফ হলো। এটাকে ন্যায় বিচার বলবেন? অনুষ্ঠানে অন্য বক্তারা বলেন, দেশের মানুষ আইন দিয়ে ন্যায় বিচার পাচ্ছে না। সরকার ইচ্ছে মতো আইন করে নিচ্ছে। সরকারে থেকেও যারা দেশে মানুষের বিরুদ্ধে কাজ করছে তাদেরকে রাষ্ট্রদ্রোহীতার আওতায় এনে শাস্তির দাবি জানান।
আজ শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে বাংলাদেশ ইয়ুথ ফোরাম আয়োজিত স্বাধীনতা : গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও আজকের বাংলাদেশ’ শীর্ষক আলোচনার আয়োজন করে।
সংগঠনের সভাপতি সাইদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচকের বক্তব্য রাখেন জাগপা সভাপতি শফিউল আলম প্রধান। অন্যদের মধ্যে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য আজিজুল বারী হেলাল, স্বাধীনতা ফোরাম সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহ, অ্যাডভোকেট সাইফুর রহমান, ব্যারিস্টার রুমেন ফারহানা প্রমূখ বক্তব্য রাখেন।
ব্যারিস্টার রফিকুল ইসলাম মিয়া বলেন, বর্তমানে দেশে এক জালেম সরকার ক্ষমতায় বসে আছে। রাজপথে তিন-চারজন মানুষ মারা গেলেই তারা ক্ষমতা ছেড়ে দেবে না। সবাইকে রাজপথে নেমে এসে দেখাতে হবে, এই সরকার টিকবে না, তাদের প্রতি কারো আস্থা নেই। তার অভিযোগ, সরকারের ভেতর থেকে অনেকেই রাষ্ট্র বিরোধী কাজ করছে। সরকারের অনেক সচিব ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সনদ জালিয়াতি করে চাকুরীর করছে। দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে যারা কাজ করছে তাদের সবার বিচার হওয়া উচিত। 
তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ মুক্তিযুদ্ধের কথা বলে। এই সরকারের লোকজন দুর্নীতিতে নিমজ্জিত। দেশের মানুষের অর্থ লুটপাট করছে। কেবল তাই নয়, যারা সচিব হয়েছেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের সনদ জালিয়াতি করেছেন। একজন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো প্রসঙ্গে রফিকুল বলেন, আইন হচ্ছে- সরকারি সার্ভিস রুলে আছে, কেউ যদি বিধিমালা লঙ্ঘন করে তাহলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া যাবে। যে কেউ কথা বলতে পারেন। কিন্তু দেশের স্বার্থের বিপক্ষে কেউ কথা বললে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। তিনি প্রশ্ন রেখে বলেন, রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে কারা? আওয়ামী লীগের আমলারাই দেশে থেকে দেশের মানুষের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। তারাই তো রাষ্ট্রদ্রোহী, তাদেরই তো বিচার হওয়া উচিৎ।


অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ