বুধবার ১২ আগস্ট ২০২০
Online Edition

বিএনপির ২৩ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে চার্জশিটের শুনানি ২৮ ডিসেম্বর

কোর্ট রিপোর্টার : রাজধানীর শাহজাহানপুর থানার দ্রুত বিচার আইনের একটি মামলায় বিএনপির ২৩ নেতাকর্মীর নামে দাখিল করা চার্জশিটের ওপর আংশিক শুনানি অনুষ্ঠিত হয়েছে। বহু বিতর্কের পর আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে। বুধবার ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তারেক মইনুল ইসলাম এ দিন ধার্য করেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ঢাকা মহানগর আহ্বায়ক মির্জা আব্বাসসহ ২৩ জন নেতার নামে এ মামলাটিতে চার্জশিট দাখিল করা হয়। আদালতে আসামীদের পক্ষে এডভোকেট মহসিন মিয়া, সানাউল্লা মিয়া, মসলেহ উদ্দিন জসিম, খোরশেদ আলম, মো. নুরুজ্জামানসহ বিএনপিপন্থি আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন। আদালতে শুনানি করা এবং না করা নিয়ে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামী পক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে এবং সর্বশেষ বিচারক ও আসামীপক্ষের মধ্যে তর্কবিতর্ক চলে। তবে শেষ পর্যন্ত আসামী পক্ষের আইনজীবীরা শুনানিতে অংশ নেন। মওদুদ আহমেদ ও শরাফত উল্লাহ সপুর পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়েছে। আসামীপক্ষের আইনজীবীরা মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা না দেয়ার জন্য আবেদন জানালে বিচারক বেলা চারটার মধ্যে তার আদালতে এসে হাজির হতে বলেন। ওই সময় পর্যন্ত তিনি এ বিষয়ে কোনো আদেশ দেবেন না। যদি এ সময়ের মধ্যে মওদুদ হাজির হতে ব্যর্থ হন তাহলে তার বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হবে। পরে দুপুর ১২টার দিকে মওদুদ আদালতে হাজিরা দেন। এছাড়া আদালতে ফখরুল, মির্জা আব্বাস, নোমান ও যুবদলের সভাপতি মোয়াজ্জোম হোসেন আলালসহ ১৪ আসামী আদালতে হাজির ছিলেন। অপর সাত আসামী অনুপস্থিত ছিলেন। আসামীদের পক্ষে সানাউল্লা মিয়া চার্জাশিটের ওপর আংশিক শুনানি করেন। পরিপূর্ণ শুনানির জন্য তাদের আরো সময়ের দরকার। এ জন্য আগামী বছরের যেকোন সময় নতুন একটি দিন ধার্য করার আবেদন জানান তিনি। বিচারক তার বক্তব্যে বলেন, তাদের অনেক সময় দেয়া হয়েছে। পরবর্তী শুনানির জন্য এ মাসেই নতুন দিন ধার্য করা হবে। এ বক্তব্য দিয়ে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান। ১০ মিনিট পর তিনি আবারো এজলাসে উঠেন। এর পর পরবর্তী তারিখ নিয়ে বিচারক ও আসামীপক্ষের আইনজীবীদের মধ্যে বিতর্ক চলে। অবশেষে বিচারক আগামী ২৮ ডিসেম্বর পরবর্তী শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ