বুধবার ০৫ আগস্ট ২০২০
Online Edition

সামিরার আনন্দ-বেদনা

জান্নাতুল ফেরদাউস : সামিরা বেগ দুই হাতে মুখ ঢেকে বসে আছে। বয়স মাত্র নয় বছর। এটা কি ঘটনা সে বুঝতে পারছে না। মুখের একপাশে কেটে গেছে। হাতটা ব্যথায় টনটন করছে। তার চেয়েও বড় কথা ওর আব্বু এবং আম্মু আর আদরের ছোট ভাই ইউসুফ বেগ পড়ে আছে। ওরা কোন কথা বলছে না। শুধু রক্ত আর প্রচ- শব্দ। সামিরা এত ডাকছে এত ডাকছে তবুও আব্বু তার রাজকন্যাকে আদর করে কাছে ডেকে নিচ্ছেন না। ওর এত ব্যথা করছে তবুও আম্মু ঘুমাচ্ছে। অভিমানে, কষ্টে বুকটা ব্যথা করছে।
আসমা আর তার স্বামী কাশেম চলে যাচ্ছে আশ্রয় শিবিরের উদ্দেশে। এখানে এসে দেখে সামিরা বেগ একাকী মৃত বাবা, মা আর ভাইয়ের লাশের পাশে বসে কান্না করছে। আসমা তার পিতা, কন্যা আর পুত্র হারিয়েছে এই প্রচ- বোমা হামলাতে। ইসরাইলের প্রচ- হামলা আর পেরেক বোমা থেকে রক্ষা পাচ্ছে না কোন সাধারণ মানুষ। অবরুদ্ধ গাজা এলাকাতে প্রত্যেক পরিবার কাউকে না কাউকে হারিয়েছে। এই প্রচ- কষ্ট আর ব্যথা তাদের সবাইকে একটা বড় পরিবারে পরিণত করেছে। আসমা পরম আদরে সামিরা বেগকে কোলে তুলে নিল। ‘সামিরা আমাদের চলে যেতে হবে দূরে, নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধানে’। হাতে আর গালে ইসরাইলী হামলার ক্ষত নিয়ে সামিরা বলতে লাগল ‘আমি আমার আব্বু, আম্মু আর ভাইয়াকে ছেড়ে কোথাও যাবো না। আমি ওদের চাই’। কাশেম ওর মাথায় হাত বুলিয়ে বললো ‘মা আমার, দেখ আমরাও আমাদের সন্তান, তোমার বন্ধু সাবিহাকে হারিয়েছি। কুদরাত তোমাকে আমাদের সাথে দেখা করিয়েছেন। আস আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি তিনি যেন আমাদেরকে দয়া করেন এবং আমাদের মৃত স্বজনদের জান্নাতবাসী করেন।’
সামিরা কি বুঝলো কে জানে চিৎকার করে কান্না করা বন্ধ করলো। সে শুধু ফুপিয়ে ফুপিয়ে কান্না করছিল এবং আসমার হাত ধরে সামনে এগুচ্ছিল। সামিরা কিছু ভাবতে পারছে না, ওর মাথা ভোঁতা যন্ত্রণাতে ভরে আছে।
ওদের গন্তব্য আল আকসা হাসপাতাল যেখানে সামিরার জন্য চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে হবে।
হাসপাতালে এসে সামিরার আরও কান্না পাচ্ছে। রাতগুলো দীর্ঘ আর দুর্বিষহ। একে একে গাড়িভর্তি রোগী আসছে যাদের কারো হাত নেই, পা নেই, কবজি উড়ে গেছে, কারো শরীর থেকে মাংস খসে পড়েছে কেউবা দাপাদাপি করছে মরণ যন্ত্রণায়।
সামিরা তার বাবা-মায়ের কথা ভুলে এদের দেখতে লাগলো। ডাক্তার, নার্সরা কি মনোযোগের সাথে সবার চিকিৎসা করছে দেখতে দেখতে কখন যে ওর হাতে ব্যান্ডেজ আর মুখে ওষুধ লাগিয়ে দিয়েছে সামিরা টের পায়নি।
কাশেম আর আসমা কথা বলছে। সামিরা শুনছে আসমা চাচ্ছে অনেক দূরে চলে যেতে, আর কাশেম বলছে এখানে থেকে কিছু কর্তব্য পালন করতে। কি কর্তব্য হতে পারে? কিসের কাজ? হাসপাতালের মেঝেতেই ওরা গাদাগাদি করে আরও অনেক লোকের সাথে ঘুমালো।
ঘুম ভাঙ্গছে সারা রাত ধরেই। এম্বুলেন্স আসছে আর শত শত রোগীতে হাসপাতাল ভরে যাচ্ছে। রোগীদের বেশিরভাগই ওর মতো ছোট শিশু। তাদের উষ্ণ দেহ, চুল রক্তে মাখামাখি। সামিরার ছোট ভাই ইউসুফের মতো একটা ছেলে কান্না করছে। বাচ্চাটার একটা হাত পুরো উড়ে গেছে। সামিরা দৌড়ে বাচ্চাকে গাঢ় আলিঙ্গনে শক্ত করে জড়িয়ে ধরলো। যেন এই আলিঙ্গনের মাধ্যমে সে ওই বাবুটাকে রক্ষা করতে চায়।
সকালে ডাক্তার আর নার্স এলো রোগীদের পরিচর্যা আর পর্যবেক্ষণ করার জন্য। বিদ্যুৎ নেই, ওষুধ নেই, লোকবল নেই তারপরেও তারা হাসিমুখে রোগীদের সেবা করছে। গাদাগাদা ভেজা ব্যান্ডেজ, ব্যবহৃত টিসু, চুল, ক্যানোলা আর মৃত দেহের উচ্ছিষ্ট ক্লিনারটা পরিষ্কার করছে।
এরই মধ্যে এফ-১৬, ড্রোনের আওয়াজ হাসপাতাল চত্বর থেকে সামিরা শুনতে পাচ্ছে। সামিরা রাতে ঐ বাচ্চাটার সাথেই ঘুমিয়েছে। বাচ্চাটা এখনও সামিরার গলা জড়িয়ে আছে। ডাক্তার এসে মিষ্টি হাসলো। ‘আসসালামু আলাইকুম মিষ্টি মেয়ে, তুমি খুব সাহসী।’
সামিরা ওয়ালাইকুম আসসালাম দিল এবং বললো, ‘আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিবেন আপনি খুব ভালো আর রহমদীল।’
দূরে এক বৃদ্ধ দাঁড়িয়ে ছিলেন। তিনি আব্বাস সাদিক এই ছেলেটার দাদু। বাচ্চাটা এসে এই হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এই সংবাদের ভিত্তিতে তিনি এসেছেন নাতির খোঁজে।  নাতিকে দেখেছেন একটা বাচ্চা মেয়েকে জড়িয়ে ঘুমিয়ে আছে। ডাক্তার আর সামিরার কথোপকথন শুনে তার দু’চোখ বেয়ে পানি নামছে। ডাক্তার এতক্ষণ আব্বাস সাদিককে দেখেননি। আব্বাস সাদিককে দেখে তিনি এগিয়ে আসলেন এবং সালাম দিলেন।
ডাক্তার আব্বাস সাদিককে ভালো মতোই চেনেন যিনি ‘সমুদ’ বা ধৈর্য নামে মানুষের কাছে পরিচিত।
আব্বাস সাদিক যৌবনে ফিলিস্তিনী রাজনীতির সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত ছিলেন। সংঘর্ষ আর হাতাহাতিতে স্বজনদের হারিয়ে তিনি সারাটা জীবন উৎসর্গ করে দিয়েছিলেন।
১৯৯৩ সালে ফিলিস্তিন রাষ্ট্র গঠনের জন্য যখন ওয়াশিংটন চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় তখন তার বয়স ছিল চল্লিশ বছর, ঘর বিবি আর কিশোর তিনটি ছেলের বাবা, কি অসীম আনন্দে জেরিকো শহরে আসলেন তিনি। ঐ শাšি Íচুক্তির ফলে ইসরাইল অধিকৃত গাজা ও পশ্চিম তীর জেরিকো শহরে সীমিত স্বায়ত্তশাসন স্বীকৃত হয়েছিল। আব্বাস সাদিক পেশায় মিস্ত্রি। অসীম মমতায় একটার পর একটা ঘর নির্মাণ করছিলেন। এভাবে চলে গেল ছয় মাস। বাচ্চারা স্কুলে ভর্তি হয়েছিল, তার স্ত্রী ফাইজা বড় ভালো গৃহিণী। অসীম মমতায় বাচ্চাদের মানুষ করছিলেন আর নিজের ঘর সাজাচ্ছিলেন। এর তিন বছর পর সেই চরম প্রত্যাশিত মুহূর্ত এলো। ১৯৯৭ সালের ১৫ই জানুয়ারি হেবরণ শহরে ফিলিস্তিন শাসন সম্প্রসারিত হয়। পরবর্তীকালে তিনি ইয়াসির আরাফাতের পিএলওর একজন কর্মী হয়ে উঠেছিলেন। কি খুশি হয়েছিলেন যখন ১৯৯৬ সালে ফিলিস্তিন এলাকার প্রথম স্বাধীন প্রেসিডেন্ট হিসেবে ইয়াসির আরাফাত বিজয়ী হয়েছিল।
স্বপ্ন আর উদ্যম কর্মীদের প্রচেষ্টাকে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছিল। তারা কত স্বপ্নে ফিলিস্তিনী জনগণের জন্য একটা মুক্ত ইসলামী জীবন ব্যবস্থা রেখে দিতে চেয়েছিল। আব্বাস সাদিক তার তিন ছেলে মেহরাব, ইয়াসিন আর আব্দুর রহমানকেও এই স্বপ্ন যাত্রায় শামিল করেছিলেন। এর মধ্যে মেহরাব আর ইয়াসিন কি সুন্দর কেরাত পড়তো আর আব্দুল রহমানতো হাফেজে কুরআন ছিল। ছেলেরা মসজিদে প্রত্যেক ওয়াক্তের নামায পড়তো এবং এলাকার যুবকদের কুরআন অনুযায়ী চলার জন্য উৎসাহ দিত।
এলাকার লোকেরা বলাবলি করতো আব্বাস সাদিকের মতো বাবা ফিলিস্তিনে বড় প্রয়োজন যিনি এমন উম্মতে মোহাম্মদী তৈরি করছেন যারা দুনিয়ার জ্ঞানের সাথে সাথে আখিরাতের জ্ঞানেও পারদর্শী। আব্বাস সাদিক খুব আনন্দ অনুভব করতেন আর আল্লাহর কাছে বেশি বেশি দোয়া করতেন যাতে ফিলিস্তিনবাসী হেরার নূরে নিজেদের সমগ্র জীবন ভরিয়ে নিতে পারে।
২০০৮ সালে ফিলিস্তিনবাসীর বুকে ছুরিকাঘাত করে ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদ। বিষ প্রয়োগে হত্যা করে ইয়াসির আরাফাতকে। আরও কষ্ট বেড়ে যায় যখন ২০০৫ সালে মাহমুদ আব্বাস ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়। এই নির্বাচন কতটা ভুল ছিল তা স্পষ্ট হয় হামাস-ফাতাহ দ্বন্দ্বে। ২০০৭ সালে প্রধানমন্ত্রী ইসমাইল হানিয়া পদত্যাগ করে।
সেদিন রাতে আব্বাস সাদিক কথা বলছিল তার পরিবারের সদস্যদের সাথে।
আব্বাস সাদিক তার তিন তরুণ ছেলের দিকে তাকালেন এবং তাদের পরিস্থিতি বুঝিয়ে বলছিলেন। ওরা এখন যথাক্রমে ২২, ২১ এবং ১৭ বছরের তরুণ।
ইহুদীবাদের স্বপ্নদ্রষ্টা থিওডর হারজেল ১৯০৪ সালে একটা বৃহত্তর ইহুদী রাষ্ট্র গঠনের স্বপ্ন দেখেছিল। সেই রাষ্ট্রের সীমানা হবে একদিকে নীল নদ অন্যদিকে ফোরাত নদী। এই লক্ষ্যেই ১৯৮২ সালে ইনন পরিকল্পনা করা হয়। এই পরিকল্পনা অনুযায়ী গোটা মধ্যপ্রাচ্যকে ধর্মীয় এবং এখনিকভাবে ছোট ছোট রাষ্ট্রে বিভক্ত করা হবে। ফলে দুর্বল আরব রাষ্ট্র ইসলাইলের জন্য কোন হুমকি সৃষ্টি করতে পারবে না। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের ২৪২ এবং ৩০৮ নং প্রস্তাব অনুযায়ী ইসরাইলের অধিকৃত আরব এলাকা ফিরিয়ে দেয়ার কথা। কিন্তু নিরাপত্তা পরিষদ কখনই সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর করার জন্য কোন প্রয়াস নেয়নি। উপরন্তু মাহমুদ আব্বাস বা আল ফাতাহ তাদের কেউ মেনে চলে এবং সমর্থন করে। অন্যদিকে হামাস অনেকটাই স্বাধীন এবং ধর্মীয়ভাবে সবল অবস্থানে থাকে।
তোমরা আমার ছেলেরা এখন বড় হয়েছো এবং স্বাধীনভাবে নিজেদের জীবন গুছাতে পারো। তোমরা চাইলে আল ফাতাহ অধিকৃত এলাকার বা হামাস অধিকৃত গাজা এলাকাতে থাকতে পারো।
আব্দুর রহমান বললো আল্লাহপাক অবশ্যই দেখবেন ‘আইয়্যুকুম আহসানু আমালা’ তোমাদের মধ্যে কে কাজে উত্তম। আল্লাহপাক অবশ্যই মানুষকে সৃষ্টি করেছেন যাতে আমরা উত্তম কাজ করতে পারি। এই উত্তম হলো সর্বস্থানে ব্যক্তিগতভাবে, সামাজিকভাবে। এই উত্তম কাজের মধ্যে আসে অন্যকে সাহায্য করা, দাওয়াতের কাজ করা, ভালো কাজের আদেশ এবং মন্দ কাজ হতে নিষেধ করা।
ইয়াসিন বললো ‘হে পিতা আমরা যদি ভালো কাজের প্রয়াস ছেড়ে দিই তাহলে শয়তানের জিত হবে আর মনুষ্যত্বের অপমান। আমরা শয়তানকে বিজয়ী হতে দিতে পারি না।’
মেহেরাব বললো ‘হে পিতা আপনি আমাদের কুরআন শিক্ষা দিয়েছেন। শয়তান এবং তার দোসররা চেষ্টা করবে আমরা যাতে কুরআনের শিক্ষা অনুযায়ী জীবনের সফর করতে না পারি। শয়তান খুবই অভিজ্ঞ কিন্তু আল্লাহর সাহায্য এবং দয়া অপরিসীম। তিনি চানতো আমরা উত্তম জীবন সফর নিজেদের জন্য বেছে নিব।’
আব্বাস সাদিক শোকারিয়া নামায পড়লেন। এমন নেক্কার সন্তানের পিতা হিসেবে আল্লাহকে ধন্যবাদ দিলেন।
পরবর্তী বছরগুলো তার সন্তানের প্রচ- সাহসকিতার সাথে বিভিন্ন সংগ্রামে থেকেছে তৎপর। ২০০২ সালে ইসরাইলী সামরিক আগ্রাসন তার ছেলেদের করে তোলে অস্থির এবং চঞ্চল।
২০১২ সালের এক সন্ধ্যায় পিতা আব্বাস সাদিকের সাথে তিন ছেলের কথাবর্তা হচ্ছিল। ইয়াসিন, কায়রো ছাড়া অন্যান্য আরব রাষ্ট্র এবং আন্তর্জাতিক মহল মনে হচ্ছে না এই উদ্যোগ সমর্থন করছে। আল্লাহপাক জানেন গাজাবাসীর ভাগ্যে কি আছে?
আব্দুর রহমান বললো “সূরা আসরের কথা মনে কর ‘নিশ্চয় মানবজাতি ক্ষতির মধ্যে আছে। যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকর্ম করছে তারা ব্যতীত এবং তোমরা (মানুষরা) একে অপরকে উপদেশ দান কর সত্যের এবং একে অপরকে উপদেশ দান কর সত্যের এবং একে অপরকে উপদেশ দান কর সবরের’ পরিস্থিতি যাই হোক আমরা ইনশাল্লাহ সত্যের পথে থাকবো এবং সবর করবো। মেহরাব বললো ‘আমরা আমাদের সন্তানদের জন্য কুরআনের নূরে পথ চলার শিক্ষা দেখাতে থাকবো এবং সেইমতো চলতে থাকবো। আমরা দলগতভাবে কাজ করবো এবং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে আল্লাহকে মেনে চলার জন্য পরস্পরকে উপদেশ দিতে থাকবো।
আব্বাস সাদিক খুশি হলেন। তিনি সন্তানদের বললেন, ‘শোন বাবারা, সবর তিন প্রকার (১) দাওয়াসহ সৎকাজ করার সময় ধৈর্য, পাপ থেকে দূরে থাকার জন্য ধৈর্য এবং বিপদের সম্মুখীন হওয়ার সময় ধৈর্য। আমাদের লেনদেন, আচরণ, নৈতিকতা সব কিছুতে সেই ধৈর্য থাকতে হবে।’
আব্বা আপনি আমাদের ইনশাল্লাহ ধৈর্যশীল দেখতে পাবেন।
এরপর এলো সেই কদর্য বিপদ। সারা বিশ্ব দেখলো কিভাবে একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিকে আটকে রেখে জেনারেল সিসি মিসরের অধিকর্তা হয়ে বসলো। সারা মিসর ফেটে পড়লো ক্রোধে। রাজপথ হাজার হাজার মুসলমানের রক্তে হলো রঞ্জিত। হাত-পা ছিন্ন কারো মাথা থেকে মগজ বের হয়েছে তবুও মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকদের দমানো যাচ্ছিল না। আলসিসি পশ্চিমা প্রভুদের নির্দেশে কঠিন কঠিন কর্মসূচি নিচ্ছিল মুসলিম ব্রাদারহুডের সমর্থকদের জব্দ করতে। ২০১৩ সালে মুসলিম ব্রাদারহুডের হাজারো সমর্থকদের সাথে আব্বাস সাদিকের ছেলে আব্দুর রহমানও শহীদ হয়ে যায়।
আব্বাস সাদিক সবর করেন এবং আল্লাহর কাছে দোয়া করেন তার শহীদ সন্তানের মাগফিরাতের জন্য। এই কুরবানী তার অন্য দুই সন্তানকেও আরও দৃঢ় প্রতিজ্ঞ এবং অধ্যবসায়ী কর্মী করে তোলে।’
একমনে কথাগুলো ভাবছিলেন আব্বাস সাদিক, আব্বাস সাদিক ডাক্তারে সালামের জবাব দিলেন। (অসমাপ্ত)

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ