মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Online Edition

৫৬ হাজার বর্গমাইলের কারাগারের জেল সুপার শেখ হাসিনা : গয়েশ্বর চন্দ্র রায়

স্টাফ রিপোর্টার : বিএনপি স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেছেন, ৫৬ হাজার বর্গমাইলের বাংলাদেশ কারাগারে রূপান্তরিত হয়েছে। এই কারাগারের জেল-সুপার শেখ হাসিনা। মন্ত্রিপরিষদ তিনশ’ সংসদ সদস্য হচ্ছে কারারক্ষী। জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে এই শৃঙ্খলকে ভাঙতে হবে। নইলে দেশে স্বাধীনতার লেশমাত্র থাকবে না। দেশ তিন সরকার চালাচ্ছে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

গতকাল রোববার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয়তাবাদী যুবদল আয়োজিত দেশব্যাপী নেতাকর্মীদের হত্যা, গুম, হামলা, গ্রেফতার ও নির্যাতনের প্রতিবাদে এক আলোচনা সভায় গয়েশ্বর এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি এডভোকেট আবদুস সালাম আযাদ। বক্তব্য রাখেন বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব এডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, যুবদলের সভাপতি সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল প্রমুখ।

গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, দেশের এ অবস্থায় আমরা কার কাছে মুক্তি চাইব। দেশে সরকার থাকলে তার কাছে মুক্তি চাইতাম। এখন যেটা আছে এটাতো সরকার না। ৫ জানুয়ারি এর মৃত্যু হয়েছে। এখন বাকি আছে দাফন। তা জনগণ সম্পন্ন করবে।

তিনি বলেন, আমাদের কোনো দাবি নেই, দাবি একটাই নির্দলীয় সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন। এ দাবিতে জনগণকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আমাদের লড়াই করে মাথা উঁচু করে বাঁচতে হবে। আমাদের আন্দোলন শেষ হয়ে যায়নি। আন্দোলন চলছে, চলবে।

ক্রসফায়ার প্রসঙ্গে বিএনপির এ নেতা বলেন, এখন যা হচ্ছে এটাকে আপনারা কেন ক্রসফায়ার বলেন। এটাতো ক্রসফায়ার না, ডাইরেক্ট ফায়ার। ক্রসফায়ার হচ্ছে মুখোমুখি যুদ্ধ। যাদের মারা হচ্ছে তাদের হাতে অস্ত্র আছে। এরা কারা, বিএনপির নেতাকর্মী। আমাদের নেতাকর্মীদের হাতে অস্ত্র থাকলে আমাদের সামনে আপনারা টিকতে পারতেন না। সরকারকে এর হিসাব কড়ায় গ-ায় দিতে হবে।

গয়েশ্বর বলেন, দেশে এখন এক সরকার নয়, তিন সরকার চালু রয়েছে। ইমরান সরকার, শেখ হাসিনা সরকার আর হচ্ছে ভারত সরকার। তিন সরকারের অধীনে পরিচালিত হচ্ছে একটি দেশ, যার নাম বাংলাদেশ। এদের বিরুদ্ধে বেঁচে থাকা কঠিন। তাই এর বিরুদ্ধে কঠিনভাবে নেমে পড়তে হবে।

সংলাপ নিয়ে বলেন, সংলাপের কথা উঠলে সরকার বিভিন্ন তালবাহানা করে। তখন আবার শর্ত জুড়ে দেয়া হয়। বিএনপির জন্ম হয়েছে গণতন্ত্র ও স্বাধীনতা রক্ষার জন্য। কুকুরের মাথায় বালিশ দেয়ার জন্য নয়।

ইনুকে উদ্দেশ করে স্থায়ী কমিটির এই সদস্য বলেন, হাড় হাড্ডি খেয়ে এখন সাধু সাজছেন? মুখে আবার গণতন্ত্রের কথা বলছেন। আপনার মনে নেই আপনি গণবাহিনীর প্রধান ছিলেন। ৩০ হাজার লোককে অস্ত্রের মুখে ঠেলে দিয়ে শেখ হাসিনার কাছে আশ্রয় নিচ্ছেন।

অনলাইন আপডেট

আর্কাইভ