চুনারুঘাট (হবিগঞ্জ) সংবাদাতা : হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) নির্বাচনী এলাকায় বিএনপি’র একাধিক ব্যক্তি মনোনয়ন প্রত্যাশী হওয়ায় দলটিতে চলছে নানা কোন্দল। কার থেকে কে সেরা সেই প্রতিযোগিতায় ব্যস্ত দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা। জানাযায়, বিএনপি থেকে ওই আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী হলেন কেন্দ্রীয় বিএনপির সহ-স্থানীয় সরকার বিষয়ক সম্পাদক শাম্মী আক্তার শিপা, এডভোকেট আমিনুল ইসলাম, শিল্পপতি আলহাজ্ব সৈয়দ মোঃ ফয়সল, মোঃ মিজানুর রহমান চৌধুরী, এডভোকেট এম.এ হাই ও উপাধক্ষ্য মোজাম্মেল হক তালুকদার। দল থেকে মনোনয়ন পেতে তাদের অনেকেই যার যার মতো করে আলাদাভাবে বিভিন্ন সভাসমাবেশ ও উঠান বৈঠকে করছেন আবার কেউ কেউ আছেন যাদের কোন কার্যক্রম দেখা যাচ্ছে না। বিশিষ্টজনদের মতে এতে যেমন নষ্ট হচ্ছে দলীয় শৃংঙ্খলা তেমনিভাবে সৃষ্টি হচ্ছে দলীয় কোন্দল।

এদিকে হবিগঞ্জ-৪ (চুনারুঘাট-মাধবপুর) নির্বাচনী এলাকার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত একক প্রার্থী হবিগঞ্জ জেলা জামায়াতের আমীর কাজী মাওলানা মুখলিছুর রহমান ভোটের মাঠে সরব।তিনি প্রতিনিয়ত চষে বেড়াচ্ছেন দুটি উপজেলার বিভিন্ন হাটবাজার ও পাড়ায় পাড়ায়।এ ব্যাপারে দাঁড়িপাল্লার প্রার্থী কাজী মুখলিছুর রহমান বলেন,আমরা যে দিকেই যাচ্ছি সে দিকেই সাড়া পাচ্ছি। তৃণমূলের মানুষ আমাদের মন থেকে ভালবেসে গ্রহণ করছেন। বাংলাদেশের অন্যায়, অবিচার-অনাচার, খুন-গুম, টেন্ডারবাজী-চাঁদাবাজি, সহিংসতাসহ সকল অপরাধ বন্ধ করতে হলে কুরআনের আইনের কোন বিকল্প নেই। দেশে কুরআনের আইন প্রতিষ্ঠা করতে হলে জামায়াতে ইসলামীকে আগামীতে পিআর পদ্ধতির মাধ্যমে রাষ্ট্র ক্ষমতায় আনার কোন বিকল্প নেই। আর এটা এদেশের মানুষ বুঝে গেছে। দেশের প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে যেভাবে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ইসলামী ছাত্র শিবির প্যানেলকে বিজয়ী করেছেন ঠিক সেভাবেই শিক্ষার্থীদের অভিভাবকগণন-সহ সারাদেশের সাধারণ মানুষ জামায়াতে ইসলামীকে আগামীতে রাষ্ট্র ক্ষমতায় এনে এ দেশে কুরআনের আইন চালুর ব্যবস্থা করবেন, ইনশাআল্লাহ।