বিরামপুর (দিনাজপুর) সংবাদদাতা : দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের আমীর ও আফতাবগঞ্জ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক নজরুল ইসলামের (৫৮) জানাযা নামাজ সম্পন্ন হয়েছে।
গতকাল সোমবার, দুপুর ২টায় নবাবগঞ্জ পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে জানাযা নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। জানাযার নামাজে ইমামতি করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিশে শূরা সদস্য ও রংপুর-দিনাজপুর অঞ্চলের সহকারী পরিচালক অধ্যক্ষ মাওলানা মমতাজ উদ্দিন।
তিনি রবিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে হঠাৎ বুকে ব্যথা হলে তাকে ফুলবাড়ি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেণ (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রজিউন)।
সহকারী অধ্যাপক নজরুল ইসলাম দীর্ঘদিন যাবৎ নবাবগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নায়েবে আমীর ও ডিসেম্বর ২০২৩ খ্রি: হতে উপজেলা আমীরের দায়িত্ব পালন করেন। আফতাবগঞ্জ মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপক ছিলেন। তিনি নবাবগঞ্জ উপজেলার কুশদহ ইউনিয়নের লালঘাট, আমরোবাড়ি (ইউনুসপাড়) এলাকার বাসিন্দা।
জানাযার নামাজে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর আনোয়ারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক, সহকারী সেক্রেটারি সাইদুল ইসলাম সৈকত, নবাবগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি রেজাউল ইসলাম, বিরামপুর উপজেলা আমীর হাফিজুল ইসলাম, হাকিমপুর উপজেলা আমীর মাওলানা আমিনুল ইসলাম, ঘোড়াঘাট উপজেলা আমীর মোফাখখারুল ইসলাম মোল্লা, নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সভাপতি নজরুল ইসলাম ফতেহ, নবাবগঞ্জ উপজেলার সাবেক সাধারণ সম্পাদক এজেডএম সাহাবুদ্দিন সুজন, এনসিপির নবাবগঞ্জ উপজেলার আহ্বায়ক গোলাম মোস্তফা প্রমুখ।
জানাজায় নবাবগঞ্জ, বিরামপুর, হাকিমপুর, ঘোড়াঘাট, ফুলবাড়ি ও পীরগঞ্জ উপজেলা জামায়াতের নেতাকর্মী ও শুভাকাক্সক্ষী উপস্থিত ছিলেন।
তাঁর ইন্তিকালে গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও দিনাজপুর জেলা আমীর অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও সাবেক জেলা আমীর আনোয়ারুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও জেলা সেক্রেটারি মুহাদ্দিস ডক্টর এনামুল হক, নবাবগঞ্জ উপজেলা সেক্রেটারি অধ্যাপক রেজাউল ইসলাম প্রমুখ। শোকবার্তায় নেতৃবৃন্দ বলেন, নজরুল ইসলাম (রহ) ইসলামী সমাজ বিনির্মাণের আন্দোলনে একজন নিবেদিত প্রাণ দায়িত্বশীল ছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাঁকে জান্নাতুল ফিরদৌসের সর্বোচ্চ মকাম জান্নাতুল ফিরদৌসের মেহমান হিসেবে কবুল করতে আল্লাহ তাআলার নিকট ফরিয়াদ করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন।