বামনা (বরগুনা) সংবাদদাতা : বরগুনার বামনা উপজেলার ৩নং রামনা ইউনিয়নের গোলাঘাটা গ্রাম থেকে সোমবার রাতে জ্বীনের বাদশাকে গণধোলাই দিয়ে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনার বিবরণে জানা যায় ৩নং রামনা ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ড গোলাঘাটা গ্রাম থেকে নীলফামারী জেলার সদর উপজেলার ঘোর গ্রামের মোঃ মতিয়ার রহমানের পুত্র মোঃ মশিউর রহমান(জ্বীনের বাদশা)কে বরগুনা জেলার বামনা উপজেলার গোলাঘাটা গ্রামের কয়েকজন নারীসহ গণধোলাই দিয়ে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে চিকিৎসার জন্য জ্বীনের বাদশাকে বামনা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসে। বর্তমানে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ব্যক্তি জানান জ্বীনের বাদশা মশিউর দীর্ঘদিন যাবত গোলাঘাটা গ্রামের বাক প্রতিবন্ধী কবির নামক এক অসহায় ব্যক্তিকে চিকিৎসা করে বোবা থেকে ভালো করে দিবে বলে কবিরের ঘরে আশ্রয় নেয়। আশ্রয় নিয়ে সরলতার সুযোগে বাক প্রতিবন্ধী কবিরের স্ত্রীসহ এলাকার একাধিক নারীদের সাথে চিকিৎসা সেবার নামে সম্পর্ক গড়ে তোলে। যার কারনে ওই এলাকায় বিভিন্ন অসহায় দিনমজুরের সংসারে এক অশান্তি বিরাজ করছে।
গ্রাম-গঞ্জ-শহর
বামনায় জ্বীনের বাদশাকে গণধোলাই
বরগুনার বামনা উপজেলার ৩নং রামনা ইউনিয়নের গোলাঘাটা গ্রাম থেকে সোমবার রাতে জ্বীনের বাদশাকে গণধোলাই দিয়ে আটক করে স্থানীয় জনতা। পরে প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।